, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ভালুকায় মা-শিশুসহ ৩ জনকে গলা-কেটে হ-ত্যা

প্রতিদিনের খবর 

 

ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ শিশু সন্তানসহ মাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের সন্দেহ, এই ঘটনায় নিহত নারীর দেবর জড়িত। তাকে ধরতে র‍্যাব, ডিবিসহ পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। 

 

সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আকতার উল আলম এ তথ্য জানান।

 

কাজী আকতার উল আলম জানান, নিহতের দেবর নজরুল ইসলাম এর আগের একটি হত‍্যা মামলার অজ্ঞাত আসামি হয়ে ২ বছর জেল খেটেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নানা তথ‍্য রয়েছে। তাকে ধরতে পারলে এই হত‍্যাকাণ্ডে মূল রহস‍্য স্পষ্ট হয়ে যাবে।

নিহতরা হলেন- গৃহবধূ ময়না আক্তার (৩০), তার মেয়ে রাইসা (৭) এবং ছেলে নীরব (২)। নিহতদের স্বামী রফিকুল ইসলাম নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সেনের বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি ভালুকার রাসেল স্পিনিং মিল নামে একটি পোশাক কারখানা চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে তিনি পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টিএন্ডটি রোডে হায়উম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৯টার দিকে কাজে যাওয়ার পর বাসায় ফিরে এসে রফিকুল বাড়ির দরজায় তালা লাগানো দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে তিনি তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এরপরই স্ত্রী ও দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। ঘটনার খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে তিনজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে।

 

 

এদিকে রফিকুলের ছোট ভাই নজরুল ইসলামও তাদের সঙ্গে একই বাসায় থাকতেন। ঘটনার পর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

ভালুকায় মা-শিশুসহ ৩ জনকে গলা-কেটে হ-ত্যা

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

প্রতিদিনের খবর 

 

ময়মনসিংহের ভালুকায় ২ শিশু সন্তানসহ মাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক অবস্থায় পুলিশের সন্দেহ, এই ঘটনায় নিহত নারীর দেবর জড়িত। তাকে ধরতে র‍্যাব, ডিবিসহ পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে। 

 

সোমবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ সুপার (এসপি) কাজী আকতার উল আলম এ তথ্য জানান।

 

কাজী আকতার উল আলম জানান, নিহতের দেবর নজরুল ইসলাম এর আগের একটি হত‍্যা মামলার অজ্ঞাত আসামি হয়ে ২ বছর জেল খেটেছেন। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নানা তথ‍্য রয়েছে। তাকে ধরতে পারলে এই হত‍্যাকাণ্ডে মূল রহস‍্য স্পষ্ট হয়ে যাবে।

নিহতরা হলেন- গৃহবধূ ময়না আক্তার (৩০), তার মেয়ে রাইসা (৭) এবং ছেলে নীরব (২)। নিহতদের স্বামী রফিকুল ইসলাম নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার সেনের বাজার এলাকার বাসিন্দা। তিনি ভালুকার রাসেল স্পিনিং মিল নামে একটি পোশাক কারখানা চাকরি করেন। পরিবার নিয়ে তিনি পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টিএন্ডটি রোডে হায়উম মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার সকাল ৯টার দিকে কাজে যাওয়ার পর বাসায় ফিরে এসে রফিকুল বাড়ির দরজায় তালা লাগানো দেখতে পান। অনেক ডাকাডাকির পর সাড়া না পেয়ে তিনি তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এরপরই স্ত্রী ও দুই সন্তানের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পান। ঘটনার খবর পেয়ে ভালুকা মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে তিনজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে।

 

 

এদিকে রফিকুলের ছোট ভাই নজরুল ইসলামও তাদের সঙ্গে একই বাসায় থাকতেন। ঘটনার পর থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, এটি একটি মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।