, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

বিমান বিধ্বস্ত: এক ঘণ্টা পর উদ্ধার হন পাইলট, তখনো বেঁচে ছিলেন

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫
  • ৮১ পড়া হয়েছে

 

রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার প্রায় ১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয় এর পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামকে। তখনো তাঁর দেহে প্রাণ ছিল। প্যারাস্যুট না খোলায় পাইলট অনিয়ন্ত্রিত গতিতে মূল দুর্ঘটনাস্থলের অদূরেই পড়ে গুরুতর আহত হন। তবে ভয়াবহ আগুন থেকে সবাই শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে ব্যস্ত থাকায় তাঁর বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।

 

পাইলটকে উদ্ধারকারী ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এ ঘটনার বিষয়ে বিশদ জানিয়েছেন। মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজের জ্যেষ্ঠ মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. মকবুল হোসেন তাঁদের একজন। পাইলট তৌকির ইসলামের সন্ধান পাওয়ার পর মো. মকবুল হোসেনই প্রথম তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।

                                                             

 

মকবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, যুদ্ধবিমানটি হায়দার আলী ভবনের প্রবেশমুখে বিধ্বস্ত হওয়ার পর সবাই সেদিকে দৌড় দেন। আটকা পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করতে থাকেন তাঁরা। সেদিকেই ব্যস্ত ছিলেন সবাই। একপর্যায়ে সেনাসদস্যরা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চলে আসেন। চারদিকে কান্না ও হাহাকার চলতে থাকে।

 

মকবুল হোসেন আরও বলেন, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার প্রায় ১ ঘণ্টা পর জুনিয়র মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাহেদা দেখেন, হায়দার আলী ভবনের উত্তর পাশে একটি ঝাউগাছে একটি প্যারাস্যুট ঝুলছে। তিনি বিষয়টি মকবুল হোসেনকে জানান। এরপর মকবুল হোসেন সেখানে দৌড়ে যান। প্যারাস্যুটটি যেখানে ঝুলছিল, ঠিক তার সোজা সামনের কক্ষটিতে ছিল কলেজের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ। টিনের চাল ভেঙে সে কক্ষেই পড়েন পাইলট। তখনো তাঁর শরীর যুদ্ধবিমানের ইজেকশন সিটের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

 

 

মকবুল হোসেন বলেন, ‘পাইলট তৌকির ইসলাম তখনো সিটের সঙ্গে আটকা অবস্থায় ছিলেন। অচেতন অবস্থায় ডানদিকে কাত হয়ে ছিলেন। আমরা তাঁকে সেই অবস্থায়ই উদ্ধার করি। সেনাসদস্যরা এসে পাইলটকে সিট থেকে বের করে কলেজের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে আমি প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষা করি।’

 

মকবুল জানান, তিনি তৌকিরের পাল্স (নাড়ির গতি) পেয়েছিলেন। মুখে সামান্য রক্ত থাকলেও বাইরে থেকে শরীরে বড় কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। রক্তচাপ ছিল ১০০-৬০। অর্থাৎ তখনো তৌকির জীবিত ছিলেন। এটা নিশ্চিত হতেই সেনাসদস্যরা তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।

গুরুতর আহত পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামকে শেষপর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

 

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

বিমান বিধ্বস্ত: এক ঘণ্টা পর উদ্ধার হন পাইলট, তখনো বেঁচে ছিলেন

প্রকাশের সময় : ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ জুলাই ২০২৫

 

রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার প্রায় ১ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয় এর পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামকে। তখনো তাঁর দেহে প্রাণ ছিল। প্যারাস্যুট না খোলায় পাইলট অনিয়ন্ত্রিত গতিতে মূল দুর্ঘটনাস্থলের অদূরেই পড়ে গুরুতর আহত হন। তবে ভয়াবহ আগুন থেকে সবাই শিক্ষার্থীদের উদ্ধারে ব্যস্ত থাকায় তাঁর বিষয়টি কারও নজরে আসেনি।

 

পাইলটকে উদ্ধারকারী ব্যক্তি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা এ ঘটনার বিষয়ে বিশদ জানিয়েছেন। মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজের জ্যেষ্ঠ মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. মকবুল হোসেন তাঁদের একজন। পাইলট তৌকির ইসলামের সন্ধান পাওয়ার পর মো. মকবুল হোসেনই প্রথম তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেন।

                                                             

 

মকবুল হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, যুদ্ধবিমানটি হায়দার আলী ভবনের প্রবেশমুখে বিধ্বস্ত হওয়ার পর সবাই সেদিকে দৌড় দেন। আটকা পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করতে থাকেন তাঁরা। সেদিকেই ব্যস্ত ছিলেন সবাই। একপর্যায়ে সেনাসদস্যরা ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা চলে আসেন। চারদিকে কান্না ও হাহাকার চলতে থাকে।

 

মকবুল হোসেন আরও বলেন, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার প্রায় ১ ঘণ্টা পর জুনিয়র মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট সাহেদা দেখেন, হায়দার আলী ভবনের উত্তর পাশে একটি ঝাউগাছে একটি প্যারাস্যুট ঝুলছে। তিনি বিষয়টি মকবুল হোসেনকে জানান। এরপর মকবুল হোসেন সেখানে দৌড়ে যান। প্যারাস্যুটটি যেখানে ঝুলছিল, ঠিক তার সোজা সামনের কক্ষটিতে ছিল কলেজের শারীরিক শিক্ষা বিভাগ। টিনের চাল ভেঙে সে কক্ষেই পড়েন পাইলট। তখনো তাঁর শরীর যুদ্ধবিমানের ইজেকশন সিটের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

 

 

মকবুল হোসেন বলেন, ‘পাইলট তৌকির ইসলাম তখনো সিটের সঙ্গে আটকা অবস্থায় ছিলেন। অচেতন অবস্থায় ডানদিকে কাত হয়ে ছিলেন। আমরা তাঁকে সেই অবস্থায়ই উদ্ধার করি। সেনাসদস্যরা এসে পাইলটকে সিট থেকে বের করে কলেজের মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্টদের কক্ষে নিয়ে যান। সেখানে আমি প্রাথমিক শারীরিক পরীক্ষা করি।’

 

মকবুল জানান, তিনি তৌকিরের পাল্স (নাড়ির গতি) পেয়েছিলেন। মুখে সামান্য রক্ত থাকলেও বাইরে থেকে শরীরে বড় কোনো আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি। রক্তচাপ ছিল ১০০-৬০। অর্থাৎ তখনো তৌকির জীবিত ছিলেন। এটা নিশ্চিত হতেই সেনাসদস্যরা তাঁকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।

গুরুতর আহত পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলামকে শেষপর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।