, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

৬ষ্ঠ পেরিয়ে ৭মে সোহরাওয়ার্দী কলেজের ডিবেটিং ক্লাব

 

লামিসা তাসনিম জুহা, সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি ঢাকা :


বিতর্ক হলো যুক্তির লড়াই, বিতর্কের মাধ্যমে যেকনো বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা যায় ,সেটা পক্ষেও হতে পারে বা বিপক্ষেও হতে পারে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন একটি ডিবেটিং ক্লাব। সেই বিষয়ে লক্ষ্য রেখে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজও পিছিয়ে নেই ,তাই ২০১৯ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ডিবেটিং ক্লাব প্রতিষ্ঠ হয়।

আজ মঙ্গলবার(২৯ জুলাই) কলেজে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সপ্তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আন্ত: বিভাগীয় বিতর্ক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উদযার্পিত হয়।

অনুষ্ঠানটি আরম্ভ হয় দুপুর ১২ টায়, প্রথমেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিবৃন্দকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করা হয় । অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডঃ কাকলি মুখোপাধ্যায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডঃ ফরিদা ইয়াছমিন, অধ্যাপক নাসিমা আক্তার, অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ,ডঃ মোছা: আছমা আক্তার বেলী এবং মো: ফকরুল ইসলাম।

আরো ছিলেন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইয়াসিন মোল্লা ,সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ,রবিউল ইসলাম রুবেল সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি ,মোহাম্মদ নূর নবী এবং বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট প্রধান ।

প্রধান বিচারক হিসেবে ছিলেন কবি নজরুল এভিটিং ক্লাব থেকে প্রেসিডেন্ট মো: আজম খান এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জাকারিয়া বারী সাগর , সরকারি তিতুমীর কলেজ ডিবেটিং ক্লাব থেকে প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ রনি এবং ঢাকা কলেজ ডিবেটিং ক্লাব থেকে প্রেসিডেন্ট মো: শাহাদাত হোসেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে ডিবেটিং ক্লাব এর সভাপতি আওলাদ জিসান,সিনিয়র সহ-সভাপতি ফাহিমুল ইসলাম, সহ সভাপতি আশিকা জান্নাত,সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা সুলতানা,সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাহরিয়ার আজিম,দপ্তর সম্পাদক আলিফুল ইসলাম আলিফ ইত্যাদি আরো অনেকে এবং সাধারণ সদস্য সহ দর্শকমন্ডলীও উপস্থিত ছিলো।

 

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বটি একটি বিতর্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যেখানে সরকারি দলের সাথে বিরোধীদলীয় দলে বিতর্ক হয়ে থাকে। বিতর্কের বিষয় ছিল”বাংলাদেশের রাজনীতি এখন জনসেবার মাধ্যম নয় বরং ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ার” । সরকারি দল বা টিম মহাপ্রলয়ের সদস্যসমূহ ছিলেন আরিফুল ইসলাম আলিফ , আশা মনি, আল আমিন। বিরোধী দল বা টিম শিখার সদস্য সমূহ ছিলেন সাবরিনা সুলতানা, আইরিন, জাবের।
দুই দলের চমৎকার যুক্তি মাধ্যমে জমে ওঠে বিতর্কটি। উভয় দল তাদের যুক্তিগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরে এবং দর্শকদের মধ্যে উৎসাহের সৃষ্টি হয়। বিতর্ক শেষে বিচারক মন্ডলীগণ উভয় দলের যুক্তিগুলো যাচাই করে এবং জয়ী দলটি নির্ধারণ করে। পরবর্তীতে বিচারকমণ্ডলী ফলাফল অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন ম্যামের হাতে হস্তান্তর করে।
অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন ম্যাম “সরকারি দল” কে “বিজয়ী” দল হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ডিবেটিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা সুলতানা কে সেরা বিতর্কিক এর খেতাব দেন।

দুপুর ১.১৫ ঘটিকায় সম্মাননা বা পুরস্কার প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। বিজয়ী দল , বিরোধীদল , প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণকারী বিতর্কিক ,আমন্ত্রিত অতিথিকে পুরস্কার দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

সরকারি তিতুমীর কলেজের ডিবেটিং ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লা রনি , সোহরাওয়ার্দী ডিবেটিং ক্লাবের জন্য আনা পুরস্কার ডিবেটিং ক্লাবের চিফ মডারেটর অধ্যাপক নাসিমা আক্তার ম্যামের হাতে তুলে দেন। পুরস্কারটি ছিল একটি “গাছ” এবং তার স্লোগান ছিল “গাছ লাগাও পরিবেশ বাঁচাও”।

সোহরাওয়ার্দী কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন ম্যাম অনুষ্ঠানের শেষ বক্তব্যে বলেন”বিতর্ক সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে প্রত্যেকে নিজেকে একজন দক্ষ ও মানসম্মত নাগরিকে পরিণত করছো এবং নিজেদের জীবনমান উন্নয়নে অগোচরে নিজেদেরকে তৈরি করে যাচ্ছো , কাজে পাঠ্যপুস্তকে তোমরা যা পড়ছো তা যেমন তোমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে ও উন্নত করবে এবং এই যে তোমরা বিতর্ক শিখছো এটিও তোমাদের জীবনকেও সমৃদ্ধ ও উন্নত করতে সহায়ক হবে কাজেই”।
তিনি আরো বলেন” বিতর্কে কোন হার জিত নেই, বিতর্ক মানেই নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করা”।

দুপুর ১.৪৪ মিনিটে, খাবারের বিরতি দেওয়া হয় এবং ডিবেটিং ক্লাবের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে দুপুরে খাবারের বিরতির পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ,রম্য বিতর্ক এবং কুইজ খেলার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সফলভাবে সমাপ্তি ঘটে ।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

৬ষ্ঠ পেরিয়ে ৭মে সোহরাওয়ার্দী কলেজের ডিবেটিং ক্লাব

প্রকাশের সময় : ১০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

 

লামিসা তাসনিম জুহা, সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি ঢাকা :


বিতর্ক হলো যুক্তির লড়াই, বিতর্কের মাধ্যমে যেকনো বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা যায় ,সেটা পক্ষেও হতে পারে বা বিপক্ষেও হতে পারে। শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন একটি ডিবেটিং ক্লাব। সেই বিষয়ে লক্ষ্য রেখে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজও পিছিয়ে নেই ,তাই ২০১৯ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ডিবেটিং ক্লাব প্রতিষ্ঠ হয়।

আজ মঙ্গলবার(২৯ জুলাই) কলেজে শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ডিবেটিং ক্লাবের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও সপ্তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আন্ত: বিভাগীয় বিতর্ক ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান উদযার্পিত হয়।

অনুষ্ঠানটি আরম্ভ হয় দুপুর ১২ টায়, প্রথমেই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথিবৃন্দকে ফুলের শুভেচ্ছা দিয়ে বরণ করা হয় । অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডঃ কাকলি মুখোপাধ্যায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডঃ ফরিদা ইয়াছমিন, অধ্যাপক নাসিমা আক্তার, অধ্যাপক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম ,ডঃ মোছা: আছমা আক্তার বেলী এবং মো: ফকরুল ইসলাম।

আরো ছিলেন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইয়াসিন মোল্লা ,সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ,রবিউল ইসলাম রুবেল সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি ,মোহাম্মদ নূর নবী এবং বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট প্রধান ।

প্রধান বিচারক হিসেবে ছিলেন কবি নজরুল এভিটিং ক্লাব থেকে প্রেসিডেন্ট মো: আজম খান এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট জাকারিয়া বারী সাগর , সরকারি তিতুমীর কলেজ ডিবেটিং ক্লাব থেকে প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লাহ রনি এবং ঢাকা কলেজ ডিবেটিং ক্লাব থেকে প্রেসিডেন্ট মো: শাহাদাত হোসেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করে ডিবেটিং ক্লাব এর সভাপতি আওলাদ জিসান,সিনিয়র সহ-সভাপতি ফাহিমুল ইসলাম, সহ সভাপতি আশিকা জান্নাত,সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা সুলতানা,সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাহরিয়ার আজিম,দপ্তর সম্পাদক আলিফুল ইসলাম আলিফ ইত্যাদি আরো অনেকে এবং সাধারণ সদস্য সহ দর্শকমন্ডলীও উপস্থিত ছিলো।

 

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বটি একটি বিতর্কের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। যেখানে সরকারি দলের সাথে বিরোধীদলীয় দলে বিতর্ক হয়ে থাকে। বিতর্কের বিষয় ছিল”বাংলাদেশের রাজনীতি এখন জনসেবার মাধ্যম নয় বরং ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ার” । সরকারি দল বা টিম মহাপ্রলয়ের সদস্যসমূহ ছিলেন আরিফুল ইসলাম আলিফ , আশা মনি, আল আমিন। বিরোধী দল বা টিম শিখার সদস্য সমূহ ছিলেন সাবরিনা সুলতানা, আইরিন, জাবের।
দুই দলের চমৎকার যুক্তি মাধ্যমে জমে ওঠে বিতর্কটি। উভয় দল তাদের যুক্তিগুলো যথাযথভাবে তুলে ধরে এবং দর্শকদের মধ্যে উৎসাহের সৃষ্টি হয়। বিতর্ক শেষে বিচারক মন্ডলীগণ উভয় দলের যুক্তিগুলো যাচাই করে এবং জয়ী দলটি নির্ধারণ করে। পরবর্তীতে বিচারকমণ্ডলী ফলাফল অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন ম্যামের হাতে হস্তান্তর করে।
অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন ম্যাম “সরকারি দল” কে “বিজয়ী” দল হিসেবে ঘোষণা করেন এবং ডিবেটিং ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাবরিনা সুলতানা কে সেরা বিতর্কিক এর খেতাব দেন।

দুপুর ১.১৫ ঘটিকায় সম্মাননা বা পুরস্কার প্রদানের কার্যক্রম শুরু হয়। বিজয়ী দল , বিরোধীদল , প্রতিযোগিতা অংশগ্রহণকারী বিতর্কিক ,আমন্ত্রিত অতিথিকে পুরস্কার দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

সরকারি তিতুমীর কলেজের ডিবেটিং ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হাবিবুল্লা রনি , সোহরাওয়ার্দী ডিবেটিং ক্লাবের জন্য আনা পুরস্কার ডিবেটিং ক্লাবের চিফ মডারেটর অধ্যাপক নাসিমা আক্তার ম্যামের হাতে তুলে দেন। পুরস্কারটি ছিল একটি “গাছ” এবং তার স্লোগান ছিল “গাছ লাগাও পরিবেশ বাঁচাও”।

সোহরাওয়ার্দী কলেজের উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ফরিদা ইয়াসমিন ম্যাম অনুষ্ঠানের শেষ বক্তব্যে বলেন”বিতর্ক সংগঠনের সাথে জড়িত হয়ে প্রত্যেকে নিজেকে একজন দক্ষ ও মানসম্মত নাগরিকে পরিণত করছো এবং নিজেদের জীবনমান উন্নয়নে অগোচরে নিজেদেরকে তৈরি করে যাচ্ছো , কাজে পাঠ্যপুস্তকে তোমরা যা পড়ছো তা যেমন তোমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করবে ও উন্নত করবে এবং এই যে তোমরা বিতর্ক শিখছো এটিও তোমাদের জীবনকেও সমৃদ্ধ ও উন্নত করতে সহায়ক হবে কাজেই”।
তিনি আরো বলেন” বিতর্কে কোন হার জিত নেই, বিতর্ক মানেই নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করা”।

দুপুর ১.৪৪ মিনিটে, খাবারের বিরতি দেওয়া হয় এবং ডিবেটিং ক্লাবের পক্ষ থেকে খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে দুপুরে খাবারের বিরতির পর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ,রম্য বিতর্ক এবং কুইজ খেলার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সফলভাবে সমাপ্তি ঘটে ।