, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

নেই ওষুধ, নেই যন্ত্রপাতি—নাম মাত্রায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেন্টার

 

লামিসা তাসনিম জুহা , সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি :


কোনো প্রতিষ্ঠানে যেকোনো সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বা শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে যেতে পারে । সেই পরিস্থিতিতে তৎক্ষণিক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন মেডিকেল সেন্টার। শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজেও একটি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে তবে সেই মেডিকেল সেন্টারটির বেহাল দশা । মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক হলেন ডাক্তার কানিজ ফাতেমা এবং কর্ম সময় রবিবার , মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ১১ থেকে ১ টা পর্যন্ত কলেজ উপস্থিত থাকনে।

 

 

মেডিকেল এর বেহাল দশার কথা মাথায় রেখে ডঃ কানিজ ফাতেমার সাথে একটি সাক্ষাৎকার করা হয়। সেখানে জানা যায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের যে মেডিক্যাল সেন্টারটি রয়েছে সেখানে ঔষধ এর নামে শুধু নাপা ,পলিজন, সেলাইন রয়েছে আর চিকিৎসার যন্ত্রপাতি বলতে শুধু ব্যান্ডেজ, ড্রেসিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। ক্ষত স্থানে সেলাই করার মতো ব্যবস্থা থাকলেও অপরিষ্কার পরিবেশের কারণে এটি এড়িয়ে চলা চেষ্টা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। আরো জানা যায় যেই অক্সিজেনর সিলিন্ডারটি রয়েছে সেটি মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং রোগীদের ব্যবহারের জন্য যেই বেড ব্যবহার করা হয় সেটির অবস্থাও অত্যন্ত শোচনীয়।

 

 

তিনি আরো বললেন “আমি এখানে কর্মরত অবস্থায় আছি প্রায় এক বছর, মেডিকেল সেন্টারের সমস্যা সম্পর্কে আমি অথোরিটিকে অনেকবার অবগত করেছি। এবং বিভিন্ন রাজনীতি দল এসে মেডিকেলের অবস্থার ভিডিও ছবি নিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্তও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।”

ডাক্তার কানিজ ফাতেমাকে প্রশ্ন করা হয় , “আপনার কাছে শিক্ষার্থীরা তাদের রোগের সমস্যা নিয়ে আসলে আপনি অন্য মেডিকেল রেফারেন্স করেন,তার পিছনের কারণ কী?”।তিনি উত্তরে বলেন “আমার কাছে যে রোগীরা বা শিক্ষার্থীরা আসে তাদের মধ্যে অনেক রোগেরই চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা আমাদের কাছে নেই, সেই ক্ষেত্রে তিনি আশেপাশের মেডিকেল গুলোতে দেখানোর পরামর্শ দেন”, এবং এটি একটি সিস্টেমের মধ্যে পরে বলে তিনি জানান।

 

 

তিনি মেডিকেল সেন্টার এর বিভিন্ন সমস্যা বলতে গিয়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে,মেডিকেল সেন্টার এর কক্ষে কোন ফ্যানের ব্যবস্থা নেই , যার ফলে দেখা যায় যে, গরমের সময় হিটস্টকে ভুক্তভোগী রোগীরা আসলে তাদেরকে একটি শীতল পরিবেশ প্রদান করতে ব্যর্থ হয় এবং পরিছন্নতার কাজে হাত বা জিনিসপত্র ধোয়ার মত কোন বেসিন নেই সেখানে।

ডাক্তার কানিজ ফাতেমা প্রশাসনের কাছে দাবি রাখেন যে প্রশাসন যেনো দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল সেন্টারটির সংস্কার করেন এবং এখানে প্রয়োজনীয় ঔষধের সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি, এবং ফ্যান ও বেসিন এর দ্রুত ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

নেই ওষুধ, নেই যন্ত্রপাতি—নাম মাত্রায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের মেডিকেল সেন্টার

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ জুলাই ২০২৫

 

লামিসা তাসনিম জুহা , সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধি :


কোনো প্রতিষ্ঠানে যেকোনো সময় অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বা শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে যেতে পারে । সেই পরিস্থিতিতে তৎক্ষণিক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজন মেডিকেল সেন্টার। শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজেও একটি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে তবে সেই মেডিকেল সেন্টারটির বেহাল দশা । মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক হলেন ডাক্তার কানিজ ফাতেমা এবং কর্ম সময় রবিবার , মঙ্গলবার, বৃহস্পতিবার ১১ থেকে ১ টা পর্যন্ত কলেজ উপস্থিত থাকনে।

 

 

মেডিকেল এর বেহাল দশার কথা মাথায় রেখে ডঃ কানিজ ফাতেমার সাথে একটি সাক্ষাৎকার করা হয়। সেখানে জানা যায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের যে মেডিক্যাল সেন্টারটি রয়েছে সেখানে ঔষধ এর নামে শুধু নাপা ,পলিজন, সেলাইন রয়েছে আর চিকিৎসার যন্ত্রপাতি বলতে শুধু ব্যান্ডেজ, ড্রেসিং এর ব্যবস্থা রয়েছে। ক্ষত স্থানে সেলাই করার মতো ব্যবস্থা থাকলেও অপরিষ্কার পরিবেশের কারণে এটি এড়িয়ে চলা চেষ্টা করা হয় বলে তিনি জানিয়েছেন। আরো জানা যায় যেই অক্সিজেনর সিলিন্ডারটি রয়েছে সেটি মেয়াদ উত্তীর্ণ এবং রোগীদের ব্যবহারের জন্য যেই বেড ব্যবহার করা হয় সেটির অবস্থাও অত্যন্ত শোচনীয়।

 

 

তিনি আরো বললেন “আমি এখানে কর্মরত অবস্থায় আছি প্রায় এক বছর, মেডিকেল সেন্টারের সমস্যা সম্পর্কে আমি অথোরিটিকে অনেকবার অবগত করেছি। এবং বিভিন্ন রাজনীতি দল এসে মেডিকেলের অবস্থার ভিডিও ছবি নিয়ে গিয়েছে, কিন্তু এখন পর্যন্তও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।”

ডাক্তার কানিজ ফাতেমাকে প্রশ্ন করা হয় , “আপনার কাছে শিক্ষার্থীরা তাদের রোগের সমস্যা নিয়ে আসলে আপনি অন্য মেডিকেল রেফারেন্স করেন,তার পিছনের কারণ কী?”।তিনি উত্তরে বলেন “আমার কাছে যে রোগীরা বা শিক্ষার্থীরা আসে তাদের মধ্যে অনেক রোগেরই চিকিৎসার ব্যবস্থাপনা আমাদের কাছে নেই, সেই ক্ষেত্রে তিনি আশেপাশের মেডিকেল গুলোতে দেখানোর পরামর্শ দেন”, এবং এটি একটি সিস্টেমের মধ্যে পরে বলে তিনি জানান।

 

 

তিনি মেডিকেল সেন্টার এর বিভিন্ন সমস্যা বলতে গিয়ে তিনি আরও উল্লেখ করেন যে,মেডিকেল সেন্টার এর কক্ষে কোন ফ্যানের ব্যবস্থা নেই , যার ফলে দেখা যায় যে, গরমের সময় হিটস্টকে ভুক্তভোগী রোগীরা আসলে তাদেরকে একটি শীতল পরিবেশ প্রদান করতে ব্যর্থ হয় এবং পরিছন্নতার কাজে হাত বা জিনিসপত্র ধোয়ার মত কোন বেসিন নেই সেখানে।

ডাক্তার কানিজ ফাতেমা প্রশাসনের কাছে দাবি রাখেন যে প্রশাসন যেনো দ্রুত সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল সেন্টারটির সংস্কার করেন এবং এখানে প্রয়োজনীয় ঔষধের সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসার জন্য পর্যাপ্ত সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি, এবং ফ্যান ও বেসিন এর দ্রুত ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন।