প্রকাশের সময় :
০১:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
৬৪
পড়া হয়েছে
ঢাকার কোলাহলে একফালি নিরবতা: ফুলার রোড।
ছবি : সংগৃহীত প্রতিবেদন : সানজিদা আক্তার সিজা ঢাকার বুকেও কিছু রাস্তা আছে, যেগুলো হাঁটার জন্য আদর্শ। শুধু হাঁটার জন্য। ফুলার রোড ঠিক তেমনই। হইচইয়ের শহরে একটা নিঃশব্দ গলি, যেখানে হাঁটলে মনে হয়—সময় একটু ধীর হয়ে গেছে। সায়েন্স ল্যাবের দিক থেকে আসলে নিউমার্কেটের কোলাহল পেরিয়ে হঠাৎ নিঃশব্দ এক গলিতে প্রবেশ করা যায়।। রাস্তার এক পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি গুলো—ইংরেজি, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান। আরেক পাশে কালচে-ধূসর, শীতল দেওয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিটিশ কাউন্সিল—ঢাকা শহরে যেটুকু “ব্রিটিশ ঐতিহ্যের নিঃশ্বাস” এখনও রয়ে গেছে, তার মৃদু ছোঁয়া যেন এ পথেই সবচেয়ে বেশি। ফুলার রোডে হাঁটলে প্রথমেই যে বিষয়টা চোখে পড়ে, তা হলো ছায়া। বিশাল গাছগুলো এমনভাবে ছড়িয়ে আছে, যেন দিনের আলোও নিঃশব্দ হয়ে আসে এখানে। দেয়ালের পাশ ঘেঁষে কেউ কেউ বসে থাকেন একা একা, কেউ বই পড়েন, কেউ খালি তাকিয়ে থাকেন। এখানে দোকান নেই। নেই খাবারের কোলাহল। বরং ছাত্রদের ছোট ছোট দল, মাঝে মাঝে কিছু বিদেশি, যারা হয়তো ব্রিটিশ কাউন্সিলে এসেছে—আর সেই পথেই হয়তো একটু হেঁটে নিচ্ছে একটুখানি ঢাকা। মাটি এখানে শুষ্ক নয়, আর পায়ে পড়ে এমন ধুলো নেই, যা হাঁটাকে ব্যস্ত করে তোলে। বরং হাঁটা মানেই ভাবনা, এক ধরনের নিরবতা, যেটা সচেতনভাবে কেউ কেউ খুঁজে বেড়ায় এই শহরে। ফুলার রোড কোনো পর্যটনকেন্দ্র না, না কোনো বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভ। কিন্তু যারা হাঁটে, তারা জানে—এই রাস্তাটাও একধরনের ইতিহাস। দেয়ালের গায়ে লেগে থাকা পোস্টারগুলো, ঘাসের ওপর বসে থাকা একাকী কেউ, কিংবা দূরে ঝুপ করে পড়ে যাওয়া বিকেলবেলা—সবকিছু মিলে এক ধরনের নিজস্ব সৌন্দর্য। ফুলার রোডে দাঁড়ালে বোঝা যায়, ঢাকা আসলে এখনো পুরোপুরি যান্ত্রিক হয়ে ওঠেনি। এখনো কিছু রাস্তা আছে, যেখানে হেঁটে গেলে মন একটু ঠাণ্ডা হয়।
ছবি : সংগৃহীত
প্রতিবেদন : সানজিদা আক্তার সিজা
ঢাকার বুকেও কিছু রাস্তা আছে, যেগুলো হাঁটার জন্য আদর্শ। শুধু হাঁটার জন্য। ফুলার রোড ঠিক তেমনই। হইচইয়ের শহরে একটা নিঃশব্দ গলি, যেখানে হাঁটলে মনে হয়—সময় একটু ধীর হয়ে গেছে।
সায়েন্স ল্যাবের দিক থেকে আসলে নিউমার্কেটের কোলাহল পেরিয়ে হঠাৎ নিঃশব্দ এক গলিতে প্রবেশ করা যায়।। রাস্তার এক পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি গুলো—ইংরেজি, ইতিহাস, সমাজবিজ্ঞান। আরেক পাশে কালচে-ধূসর, শীতল দেওয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা ব্রিটিশ কাউন্সিল—ঢাকা শহরে যেটুকু “ব্রিটিশ ঐতিহ্যের নিঃশ্বাস” এখনও রয়ে গেছে, তার মৃদু ছোঁয়া যেন এ পথেই সবচেয়ে বেশি।
ফুলার রোডে হাঁটলে প্রথমেই যে বিষয়টা চোখে পড়ে, তা হলো ছায়া। বিশাল গাছগুলো এমনভাবে ছড়িয়ে আছে, যেন দিনের আলোও নিঃশব্দ হয়ে আসে এখানে। দেয়ালের পাশ ঘেঁষে কেউ কেউ বসে থাকেন একা একা, কেউ বই পড়েন, কেউ খালি তাকিয়ে থাকেন।
এখানে দোকান নেই। নেই খাবারের কোলাহল। বরং ছাত্রদের ছোট ছোট দল, মাঝে মাঝে কিছু বিদেশি, যারা হয়তো ব্রিটিশ কাউন্সিলে এসেছে—আর সেই পথেই হয়তো একটু হেঁটে নিচ্ছে একটুখানি ঢাকা। মাটি এখানে শুষ্ক নয়, আর পায়ে পড়ে এমন ধুলো নেই, যা হাঁটাকে ব্যস্ত করে তোলে। বরং হাঁটা মানেই ভাবনা, এক ধরনের নিরবতা, যেটা সচেতনভাবে কেউ কেউ খুঁজে বেড়ায় এই শহরে।
ফুলার রোড কোনো পর্যটনকেন্দ্র না, না কোনো বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভ। কিন্তু যারা হাঁটে, তারা জানে—এই রাস্তাটাও একধরনের ইতিহাস। দেয়ালের গায়ে লেগে থাকা পোস্টারগুলো, ঘাসের ওপর বসে থাকা একাকী কেউ, কিংবা দূরে ঝুপ করে পড়ে যাওয়া বিকেলবেলা—সবকিছু মিলে এক ধরনের নিজস্ব সৌন্দর্য।
ফুলার রোডে দাঁড়ালে বোঝা যায়, ঢাকা আসলে এখনো পুরোপুরি যান্ত্রিক হয়ে ওঠেনি। এখনো কিছু রাস্তা আছে, যেখানে হেঁটে গেলে মন একটু ঠাণ্ডা হয়।