প্রেমিকার বিয়ের দিন প্রেমিকের লাশ: দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা?
প্রকাশের সময় :
০১:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
৪০
পড়া হয়েছে
প্রেমিকার বিয়ের দিন প্রেমিকের লাশ: দুর্ঘটনা না পরিকল্পিত হত্যা?
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ;স্টাফ রিপোর্টারঃ নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রেমিকার বিয়ের দিন সৈয়দ মাসুম বিল্লাহ (২০) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার দাবি করেছে, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মাসুমের মরদেহ উদ্ধার করা হয় গোপালগঞ্জ ও নড়াইল সীমান্তবর্তী কাশিয়ানী এলাকার মধুমতি সেতুর কাছ থেকে। পরে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। নিহত মাসুম বিল্লাহ লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল (মধ্যপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত সৈয়দ রকিবুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের এক কিশোরীর সঙ্গে মাসুমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারিকভাবে সেই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় দূরত্ব তৈরি হয়। এর মধ্যেই প্রেমিকার বিয়ের খবর পেয়ে মাসুম গত ১ আগস্ট ভোরে ঢাকা থেকে লোহাগড়ায় চলে আসেন। উদ্দেশ্য ছিল প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করা ও সম্ভব হলে বিয়ে থামানো। পরিবারের সদস্যরা জানান, সকাল ৯টার দিকে মাসুম তার চাচাতো ভাই তরিকুলকে ফোন করে জানায় সে লোহাগড়ায় আছে। তরিকুল তাকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করেন। এরপর থেকেই মাসুমের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। পরে জানা যায়, একজন অটোরিকশাচালক সুজন তাকে মধুমতি সেতুর কাছ থেকে সন্ধ্যায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান। সুজনের ভাষ্যমতে, ঘটনাস্থলে কোনো দুর্ঘটনার চিহ্ন ছিল না। আশপাশের মানুষও কিছু জানেননি। তার ধারণা, মাসুমকে কেউ মারধর করে ফেলে রেখে গেছে। মাসুমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বাম হাতের একটি আঙুলের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছিল, যা দেখে পরিবারের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। মাসুমের চাচা শরিফুল ইসলাম বলেন, “প্রেমিকার বাবার তরফ থেকে গ্রামের এক ব্যক্তি ফোন পেয়ে জানিয়েছিলেন মাসুম ঝামেলা করছে, আর তার ছেলেরা যদি মাসুমকে পায় তাহলে অবস্থা খারাপ হবে।” পরিবারের দাবি, মাসুম প্রেমিকার সঙ্গে মানিকগঞ্জ বাজারের একটি পার্লারে দেখা করে কথা বলেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে তাদের ধারণা। এদিকে, প্রেমিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম শরিবার (২ আগস্ট) সকাল ১০ টায় প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “আমরা মাসুমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে পাই। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এটি একটি দুর্ঘটনা হতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।” ঘটনার প্রকৃত রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি। এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে—এটি কি দুর্ঘটনা, না কি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড? সব উত্তর এখন নির্ভর করছে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ওপর।
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ;স্টাফ রিপোর্টারঃ
নড়াইলের লোহাগড়ায় প্রেমিকার বিয়ের দিন সৈয়দ মাসুম বিল্লাহ (২০) নামের এক যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতের পরিবার দাবি করেছে, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে। মাসুমের মরদেহ উদ্ধার করা হয় গোপালগঞ্জ ও নড়াইল সীমান্তবর্তী কাশিয়ানী এলাকার মধুমতি সেতুর কাছ থেকে। পরে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত মাসুম বিল্লাহ লোহাগড়া উপজেলার শালনগর ইউনিয়নের মাকড়াইল (মধ্যপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা এবং মৃত সৈয়দ রকিবুল ইসলামের ছেলে। পরিবারের সদস্যদের দাবি, উপজেলার লাহুড়িয়া ইউনিয়নের এক কিশোরীর সঙ্গে মাসুমের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারিকভাবে সেই সম্পর্ক মেনে না নেওয়ায় দূরত্ব তৈরি হয়। এর মধ্যেই প্রেমিকার বিয়ের খবর পেয়ে মাসুম গত ১ আগস্ট ভোরে ঢাকা থেকে লোহাগড়ায় চলে আসেন। উদ্দেশ্য ছিল প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করা ও সম্ভব হলে বিয়ে থামানো।
পরিবারের সদস্যরা জানান, সকাল ৯টার দিকে মাসুম তার চাচাতো ভাই তরিকুলকে ফোন করে জানায় সে লোহাগড়ায় আছে। তরিকুল তাকে বাড়ি ফেরার অনুরোধ করেন। এরপর থেকেই মাসুমের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায় এবং পরিবারের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। পরে জানা যায়, একজন অটোরিকশাচালক সুজন তাকে মধুমতি সেতুর কাছ থেকে সন্ধ্যায় অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান। সুজনের ভাষ্যমতে, ঘটনাস্থলে কোনো দুর্ঘটনার চিহ্ন ছিল না। আশপাশের মানুষও কিছু জানেননি। তার ধারণা, মাসুমকে কেউ মারধর করে ফেলে রেখে গেছে।
মাসুমের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। বাম হাতের একটি আঙুলের নখ উপড়ে ফেলা হয়েছিল, যা দেখে পরিবারের সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। মাসুমের চাচা শরিফুল ইসলাম বলেন, “প্রেমিকার বাবার তরফ থেকে গ্রামের এক ব্যক্তি ফোন পেয়ে জানিয়েছিলেন মাসুম ঝামেলা করছে, আর তার ছেলেরা যদি মাসুমকে পায় তাহলে অবস্থা খারাপ হবে।” পরিবারের দাবি, মাসুম প্রেমিকার সঙ্গে মানিকগঞ্জ বাজারের একটি পার্লারে দেখা করে কথা বলেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে তাদের ধারণা।
এদিকে, প্রেমিকার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শরিফুল ইসলাম শরিবার (২ আগস্ট) সকাল ১০ টায় প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “আমরা মাসুমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে পাই। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এটি একটি দুর্ঘটনা হতে পারে। তবে নিশ্চিত হতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে বিস্তারিত জানা যাবে।”
ঘটনার প্রকৃত রহস্য এখনো উন্মোচিত হয়নি। এলাকাবাসীর মধ্যে নানা প্রশ্ন আর উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে—এটি কি দুর্ঘটনা, না কি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড? সব উত্তর এখন নির্ভর করছে ময়নাতদন্ত রিপোর্টের ওপর।