, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

যশোর -১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি:একজন মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক নেতা।

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৩২ পড়া হয়েছে

 

যশোর জেলা প্রতিনিধি- মানিক হোসেন


 

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে তরুণদের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্থান অনেকেই দেখেছেন, কিন্তু হাতে গোনা কিছু নেতাই দেশের বৃহত্তর রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ঠিক এমনই একজন নেতা হলেন শার্শার গণমানুষের আস্থাভাজন, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাহসী মুখ, জনাব মফিকুল হাসান তৃপ্তি। তাঁর সংগ্রামী রাজনৈতিক যাত্রার সূচনা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর থেকে, যার প্রভাব আজ ছড়িয়ে পড়েছে জাতীয়
রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত।

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী এস.এম. হল শাখা ছাত্রদল-এর একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন তৃপ্তি। খুব অল্প সময়েই সততা, নেতৃত্বগুণ ও সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এস.এম. হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন দক্ষ সংগঠক ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে।

তাঁর প্রতিভা ও ত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক এবং পরে সহ-সভাপতির দায়িত্বে আসীন হন। এ সময় তিনি দেশজুড়ে বিএনপির ছাত্র আন্দোলনকে শক্তিশালী ও কার্যকর রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

যশোর -১ আসনে শার্শা উপজেলা নিয়ে গঠিত আগামী- নির্বাচনে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

 

৫ই আগস্ট ২০২৪ এর ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে সাবেক সংসদ সদস্য যশোর ৮৫/১ আসনে মফিকুল হাসান তৃপ্তি তার শার্শা উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার সময় মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তিনি তাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ স্থাপন করে এলাকায় একজন মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

 

 

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তিনি দলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। ২০০৯ সালের নির্বাচনের পর থেকে তিনি ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপির ডাকা প্রথম অবরোধে তিনি অংশ গ্রহণ করেন। সর্বশেষ ছাত্রি জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন।

 

গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলনে তিনি বহুবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। কোনো রক্তচক্ষু তাকে তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন থেকে থামাতে পারেনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে তিনি বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের রাজনীতিতে জড়িত থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল বুলেটের চেয়েও শক্তিশালী।

 

জনগণের সেবক হওয়ার স্বপ্নঃ-
যশোর -১আসনে বিএনপি থেকে সাবেক এমপি. মফিকুল হাসান তৃপ্তি. সহ নিজ দল ও অন্য দলের প্রায় অর্ধ ডজন প্রার্থী রয়েছেন। তবে মফিকুল হাসান তৃপ্তি। তার মানবিক কাজের মাধ্যমে শার্শা উপজেলা বাসীর মন জয় করে একজন জনপ্রিয় মানুষ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন-

ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রেমে পড়েছি, তাই জীবনের শৈশব, কৈশোর সবকিছু দলের জন্য বিলীন করেছি। স্বপ্ন দেখেছি মানুষের সেবা করার।” তিনি আরও বলেন, “আমার নেতা তারুণ্যের রাজনৈতিক অভিভাবক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের কল্যাণে আমাকে যেখানে কাজে লাগাবেন, আমি সেই কাজ করার মানসিকতা রাখি। আমার নেতাই সিদ্ধান্ত নেবেন কে প্রার্থী হবেন! তবে আমরা সবাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি।

 

 

আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ায় সরাসরি প্রশ্নের জবাবে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন- এই অঞ্চলের মানুষ কী চায়, তার ওপর নির্ভর করবে সবকিছু। তারা যদি শাসক চায় তাহলে আমি সেটা হতে পারবো না। আমি এই অঞ্চলের কাদা লেপ্টে বড় হয়েছি। আমার গায়ে এই জনপদের মাটির ঘ্রাণ লেগে আছে। আমি তাদের সেবক হতে চাই। যদি তারা চায়, আর আমার দল সেইটা অনুভব করে! আমি কখনোই নেতা নই, একজন রাজনৈতিক কর্মী মাত্র।

শার্শা উপজেলা মাটি ও মানুষের ভালোবাসার.সাবেক এমপি. মফিকুল হাসান তৃপ্তি. মনোনয়ন পেলে এই এলাকার বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে একটি মানবিক সমাজ গড়বেন।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

যশোর -১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সাবেক এমপি মফিকুল হাসান তৃপ্তি:একজন মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক নেতা।

প্রকাশের সময় : ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ অগাস্ট ২০২৫

 

যশোর জেলা প্রতিনিধি- মানিক হোসেন


 

স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশে তরুণদের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্থান অনেকেই দেখেছেন, কিন্তু হাতে গোনা কিছু নেতাই দেশের বৃহত্তর রাজনীতির ইতিহাসে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ঠিক এমনই একজন নেতা হলেন শার্শার গণমানুষের আস্থাভাজন, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাহসী মুখ, জনাব মফিকুল হাসান তৃপ্তি। তাঁর সংগ্রামী রাজনৈতিক যাত্রার সূচনা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর থেকে, যার প্রভাব আজ ছড়িয়ে পড়েছে জাতীয়
রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু পর্যন্ত।

 

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্যবাহী এস.এম. হল শাখা ছাত্রদল-এর একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে পদার্পণ করেন তৃপ্তি। খুব অল্প সময়েই সততা, নেতৃত্বগুণ ও সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এস.এম. হল শাখার সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন একজন দক্ষ সংগঠক ও ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে।

তাঁর প্রতিভা ও ত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক এবং পরে সহ-সভাপতির দায়িত্বে আসীন হন। এ সময় তিনি দেশজুড়ে বিএনপির ছাত্র আন্দোলনকে শক্তিশালী ও কার্যকর রূপ দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

যশোর -১ আসনে শার্শা উপজেলা নিয়ে গঠিত আগামী- নির্বাচনে রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য মফিকুল হাসান তৃপ্তি।

 

৫ই আগস্ট ২০২৪ এর ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে সাবেক সংসদ সদস্য যশোর ৮৫/১ আসনে মফিকুল হাসান তৃপ্তি তার শার্শা উপজেলায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দুর্গাপূজার সময় মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। তিনি তাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ স্থাপন করে এলাকায় একজন মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক মানুষ হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

 

 

২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারির পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে তিনি দলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। ২০০৯ সালের নির্বাচনের পর থেকে তিনি ধারাবাহিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। বিএনপির ডাকা প্রথম অবরোধে তিনি অংশ গ্রহণ করেন। সর্বশেষ ছাত্রি জনতার গণঅভ্যুত্থানে তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন।

 

গত ১৭ বছর ধরে আন্দোলনে তিনি বহুবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। কোনো রক্তচক্ষু তাকে তার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন থেকে থামাতে পারেনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে তিনি বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদের রাজনীতিতে জড়িত থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে তার লেখনী ছিল বুলেটের চেয়েও শক্তিশালী।

 

জনগণের সেবক হওয়ার স্বপ্নঃ-
যশোর -১আসনে বিএনপি থেকে সাবেক এমপি. মফিকুল হাসান তৃপ্তি. সহ নিজ দল ও অন্য দলের প্রায় অর্ধ ডজন প্রার্থী রয়েছেন। তবে মফিকুল হাসান তৃপ্তি। তার মানবিক কাজের মাধ্যমে শার্শা উপজেলা বাসীর মন জয় করে একজন জনপ্রিয় মানুষ হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন-

ছোটবেলা থেকেই রাজনীতির প্রেমে পড়েছি, তাই জীবনের শৈশব, কৈশোর সবকিছু দলের জন্য বিলীন করেছি। স্বপ্ন দেখেছি মানুষের সেবা করার।” তিনি আরও বলেন, “আমার নেতা তারুণ্যের রাজনৈতিক অভিভাবক, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের কল্যাণে আমাকে যেখানে কাজে লাগাবেন, আমি সেই কাজ করার মানসিকতা রাখি। আমার নেতাই সিদ্ধান্ত নেবেন কে প্রার্থী হবেন! তবে আমরা সবাই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি।

 

 

আগামী নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ায় সরাসরি প্রশ্নের জবাবে মফিকুল হাসান তৃপ্তি বলেন- এই অঞ্চলের মানুষ কী চায়, তার ওপর নির্ভর করবে সবকিছু। তারা যদি শাসক চায় তাহলে আমি সেটা হতে পারবো না। আমি এই অঞ্চলের কাদা লেপ্টে বড় হয়েছি। আমার গায়ে এই জনপদের মাটির ঘ্রাণ লেগে আছে। আমি তাদের সেবক হতে চাই। যদি তারা চায়, আর আমার দল সেইটা অনুভব করে! আমি কখনোই নেতা নই, একজন রাজনৈতিক কর্মী মাত্র।

শার্শা উপজেলা মাটি ও মানুষের ভালোবাসার.সাবেক এমপি. মফিকুল হাসান তৃপ্তি. মনোনয়ন পেলে এই এলাকার বঞ্চিত মানুষদের নিয়ে একটি মানবিক সমাজ গড়বেন।