প্রকাশের সময় :
১০:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
৬৩
পড়া হয়েছে
অধ্যাদেশের দাবীতে সাইন্সল্যাব অবরোধ করে বিক্ষোভ সাত কলেজের
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি: রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা কলেজের শহিদ মিনার থেকে মিছিলটি সাইন্সল্যাবে পৌঁছে। সেখান থেকে পুনরায় নিউমার্কেট, আজিমপুর হয়ে ইডেন কলেজের হয়ে পুনরায় সাইন্সল্যাব এসে সড়ক অবরোধ করে। এবং সংবাদ সম্মেলন করা হয়। বিক্ষোভ চলাকালে সাইন্সল্যাব মোড়ের চারপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারী ও যাত্রীরা। শিক্ষার্থীদের এ সময় নানা ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ‘দালালি না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা;শিক্ষা সিন্ডিকেট নিপাত যাক, ডিসিইউ মুক্তি পাক; অধ্যাদেশ জারি করো, ঢাকেবি চূড়ান্ত করো; সিন্ডিকেটের গদিতে,আগুন জালো একসাথে; তালবাহানা বন্ধ করো, অধ্যাদেশ জারি করো; সিন্ডিকেটের গদিতে,আগুন জালো একসাথে’ ইত্যাদি একটানা স্লোগান দিতে থাকে। বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী সাবরিনা সুলতানা বলেন,"ইউজিসিতে আমরা যখন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা বা প্রতিনিধিরা গিয়ে মিটিং করি ,সেখানে আমরা প্রস্তাবটি বলেছি যে, ৫ই অগাস্ট এর মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করার জন্য কিন্তু এখন পর্যন্ত আপনারা দেখেছেন যে কার্যক্রম রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা চাপ সৃষ্টি না করা পর্যন্ত এই কার্যক্রম গতিশীল হচ্ছে না। মূলত এ কারণে আমরা বার বার তাদের উদ্দেশ্যে বলে আসছি, যে তারা যেই ধীর গতিতে এগোচ্ছে, এভাবে কোন শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না"। প্রসঙ্গত, ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের অগ্রগতি তুলে ধরা হলেও অধ্যাদেশ প্রকাশের সময়সীমা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা বারবার আল্টিমেটাম দিলেও কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করতে ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ ইউজিসি ৫ আগস্টের মধ্যে অধ্যাদেশ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে সেপ্টেম্বরে জারির কথা জানায়, যা শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ করেছে। প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধ্যাদেশ দ্রুত জারির করার দাবী তুলে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী আবদুর রহমান আজকের সংবাদ সম্মেলনে বলেন,"এক বছর যাবৎ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে আমার দৃশ্যমান অনেক পদক্ষেপ দেখতে পেলেও চূড়ান্ত সমাধান পাইনি। আপনারা জানেন গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রেস ব্রিফিং এ নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ সনদ ও লোগোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অপ্রকাশিত রয়েছে, কবে নাগাদ হবে তা সুস্পষ্ট ছিল না। যার ফলশ্রুতিতে সর্বোচ্চ কৃতজ্ঞতা জানানোর পরেও আমরা প্রেস ব্রিফিং বা বিক্ষোভের মাধ্যমে জানাতে বাধ্য হচ্ছে যে, অধ্যাদেশ অবশ্যই আগামী ২৬ শে আগস্ট এর মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে। অধ্যাদেশ জারি করা সাথে সাথেই ভিসি, প্রক্টর নিয়োগ সহ যাবতীয় কর্মকর্তা নিয়োগ করে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত করতে হবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বৈষম্য , শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে সেখান থেকে মুক্তির জন্য অবশ্যই শিক্ষার্থীদের কে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই তিনটি মূল দাবি মানতে হবে"। তিনি আরো জানিয়েছেন যে,"আপনারা জেনে খুশি হবেন যে ইতিমধ্যে শিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয় যোগাযোগ করেছেন, তার সাথে আমরা প্রতিনিধি টিম গিয়ে দেখা করব এবং আজকে দাবিগুলোর চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিবে বলে আমরা আশা করছি। সর্বশেষে বলতে চাই অধ্যাদেশ কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে "ডেডিকেটেড টিম" আজকের পর থেকে নির্ধারণ করতে হবে এবং কলেজের অধ্যাদেশ নিয়ে যদি তৃতীয় পক্ষ কোন টালবাহানা করে তাহলে শিক্ষার্থীরা আবার রাজপথে নেমে আসবে।"
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি:
রাজধানীর সাইন্সল্যাব মোড়ে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধ্যাদেশ দ্রুত জারির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। আজ বুধবার (৬ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা কলেজের শহিদ মিনার থেকে মিছিলটি সাইন্সল্যাবে পৌঁছে। সেখান থেকে পুনরায় নিউমার্কেট, আজিমপুর হয়ে ইডেন কলেজের হয়ে পুনরায় সাইন্সল্যাব এসে সড়ক অবরোধ করে। এবং সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
বিক্ষোভ চলাকালে সাইন্সল্যাব মোড়ের চারপাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারী ও যাত্রীরা।
শিক্ষার্থীদের এ সময় নানা ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়। বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা ‘দালালি না শিক্ষা, শিক্ষা শিক্ষা;শিক্ষা সিন্ডিকেট নিপাত যাক, ডিসিইউ মুক্তি পাক; অধ্যাদেশ জারি করো, ঢাকেবি চূড়ান্ত করো; সিন্ডিকেটের গদিতে,আগুন জালো একসাথে; তালবাহানা বন্ধ করো, অধ্যাদেশ জারি করো; সিন্ডিকেটের গদিতে,আগুন জালো একসাথে’ ইত্যাদি একটানা স্লোগান দিতে থাকে।
বিক্ষোভ চলাকালীন সময়ে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের শিক্ষার্থী সাবরিনা সুলতানা বলেন,”ইউজিসিতে আমরা যখন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা বা প্রতিনিধিরা গিয়ে মিটিং করি ,সেখানে আমরা প্রস্তাবটি বলেছি যে, ৫ই অগাস্ট এর মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করার জন্য কিন্তু এখন পর্যন্ত আপনারা দেখেছেন যে কার্যক্রম রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীরা চাপ সৃষ্টি না করা পর্যন্ত এই কার্যক্রম গতিশীল হচ্ছে না। মূলত এ কারণে আমরা বার বার তাদের উদ্দেশ্যে বলে আসছি, যে তারা যেই ধীর গতিতে এগোচ্ছে, এভাবে কোন শিক্ষা ব্যবস্থা চলতে পারে না”।
প্রসঙ্গত, ৩ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নতুন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি গঠনের অগ্রগতি তুলে ধরা হলেও অধ্যাদেশ প্রকাশের সময়সীমা নিয়ে কোনো সুস্পষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি। ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা বারবার আল্টিমেটাম দিলেও কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি করতে ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ ইউজিসি ৫ আগস্টের মধ্যে অধ্যাদেশ প্রকাশের প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে সেপ্টেম্বরে জারির কথা জানায়, যা শিক্ষার্থীদের ক্ষুব্ধ করেছে।
প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) অধ্যাদেশ দ্রুত জারির করার দাবী তুলে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী আবদুর রহমান আজকের সংবাদ সম্মেলনে বলেন,”এক বছর যাবৎ আন্দোলন ও সংগ্রামের পর ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) কার্যক্রম এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে আমার দৃশ্যমান অনেক পদক্ষেপ দেখতে পেলেও চূড়ান্ত সমাধান পাইনি। আপনারা জানেন গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রেস ব্রিফিং এ নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ সনদ ও লোগোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অপ্রকাশিত রয়েছে, কবে নাগাদ হবে তা সুস্পষ্ট ছিল না।
যার ফলশ্রুতিতে সর্বোচ্চ কৃতজ্ঞতা জানানোর পরেও আমরা প্রেস ব্রিফিং বা বিক্ষোভের মাধ্যমে জানাতে বাধ্য হচ্ছে যে, অধ্যাদেশ অবশ্যই আগামী ২৬ শে আগস্ট এর মধ্যে চূড়ান্ত করতে হবে। অধ্যাদেশ জারি করা সাথে সাথেই ভিসি, প্রক্টর নিয়োগ সহ যাবতীয় কর্মকর্তা নিয়োগ করে ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত করতে হবে। বর্তমানে শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বৈষম্য , শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে সেখান থেকে মুক্তির জন্য অবশ্যই শিক্ষার্থীদের কে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এই তিনটি মূল দাবি মানতে হবে”।
তিনি আরো জানিয়েছেন যে,”আপনারা জেনে খুশি হবেন যে ইতিমধ্যে শিক্ষা উপদেষ্টা মহোদয় যোগাযোগ করেছেন, তার সাথে আমরা প্রতিনিধি টিম গিয়ে দেখা করব এবং আজকে দাবিগুলোর চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিবে বলে আমরা আশা করছি। সর্বশেষে বলতে চাই অধ্যাদেশ কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনা করতে “ডেডিকেটেড টিম” আজকের পর থেকে নির্ধারণ করতে হবে এবং কলেজের অধ্যাদেশ নিয়ে যদি তৃতীয় পক্ষ কোন টালবাহানা করে তাহলে শিক্ষার্থীরা আবার রাজপথে নেমে আসবে।”