“দেশমাতার জন্ম সার্থক” — বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে বাঙালীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা
প্রকাশের সময় :
০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
৯৫
পড়া হয়েছে
“দেশমাতার জন্ম সার্থক” — বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে বাঙালীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা
মোঃ মতিউর রহমান-বিশেষ প্রতিনিধি, আজ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক অনন্য প্রতীক ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে দৃঢ় পদচারণা রেখেছেন, তা কেবল একজন রাজনীতিবিদের নয়—একজন সংগ্রামী নারীর ইতিহাস। স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অকাল মৃত্যু যেন তাকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দাঁড় করায়। সেদিন থেকে শুরু হয় এক নারীর অবিচল সংগ্রামের পথচলা। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি প্রমাণ করেছিলেন—নারীরা কেবল ঘর নয়, রাষ্ট্রও সামলাতে পারে দৃঢ় হাতে। তার শাসনামলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলো আজও মানুষের স্মৃতিতে অমলিন। কিন্তু তার রাজনৈতিক জীবন ছিল না সহজ। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, মামলা, কারাবাস—সবকিছু সহ্য করেও দেশের প্রতি তার ভালোবাসা এক বিন্দুও কমেনি। অসুস্থতা ও শারীরিক কষ্ট নিয়েও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি অনড় থেকেছেন। তার এই অবিচল মনোভাব লাখো কর্মী ও সমর্থকের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে। আজ তার জন্মদিনে সারা দেশের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ফুল, কেক, দোয়া মাহফিল ও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণ করা হচ্ছে তার ত্যাগ ও অবদান। অনেকের মুখে একটাই কথা— “এই জন্ম সার্থক, কারণ তিনি আছেন বলেই আমরা আশা করি বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরবে।” বাঙালীর কাছে বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন—তিনি এক দৃঢ়চিত্ত মা, এক দেশপ্রেমিক নেত্রী, যিনি তার জীবন উৎসর্গ করেছেন স্বাধীন বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার রক্ষায় সাক্ষ্য হিসেবে থাকবে।
মোঃ মতিউর রহমান-বিশেষ প্রতিনিধি,
আজ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, জাতীয়তাবাদী রাজনীতির এক অনন্য প্রতীক ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে যে দৃঢ় পদচারণা রেখেছেন, তা কেবল একজন রাজনীতিবিদের নয়—একজন সংগ্রামী নারীর ইতিহাস।
স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অকাল মৃত্যু যেন তাকে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে এনে দাঁড় করায়। সেদিন থেকে শুরু হয় এক নারীর অবিচল সংগ্রামের পথচলা। ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি প্রমাণ করেছিলেন—নারীরা কেবল ঘর নয়, রাষ্ট্রও সামলাতে পারে দৃঢ় হাতে। তার শাসনামলে দেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার প্রসার, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গৃহীত পদক্ষেপগুলো আজও মানুষের স্মৃতিতে অমলিন।
কিন্তু তার রাজনৈতিক জীবন ছিল না সহজ। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, মামলা, কারাবাস—সবকিছু সহ্য করেও দেশের প্রতি তার ভালোবাসা এক বিন্দুও কমেনি। অসুস্থতা ও শারীরিক কষ্ট নিয়েও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে তিনি অনড় থেকেছেন। তার এই অবিচল মনোভাব লাখো কর্মী ও সমর্থকের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আজ তার জন্মদিনে সারা দেশের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। ফুল, কেক, দোয়া মাহফিল ও বিভিন্ন আয়োজনের মাধ্যমে স্মরণ করা হচ্ছে তার ত্যাগ ও অবদান। অনেকের মুখে একটাই কথা—
“এই জন্ম সার্থক, কারণ তিনি আছেন বলেই আমরা আশা করি বাংলাদেশ আবার গণতন্ত্রের পথে ফিরবে।”
বাঙালীর কাছে বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন—তিনি এক দৃঢ়চিত্ত মা, এক দেশপ্রেমিক নেত্রী, যিনি তার জীবন উৎসর্গ করেছেন স্বাধীন বাংলাদেশের গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব ও মানুষের অধিকার রক্ষায় সাক্ষ্য হিসেবে থাকবে।