মোহাম্মদ আরিফ কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি কক্সবাজারের উখিয়ায় চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে এবং অন্তত ১৫ জনকে হেফাজতে নিয়েছে। ঘটনাটি বুধবার সকালে উখিয়া সদরের ফলিয়াপাড়া এলাকায় ঘটে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিভিন্ন এনজিও থেকে চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সড়কের একপাশে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলেন। এ সময় রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয় এবং এনজিও কর্মীদের যানবাহন আটকা পড়ে। পুলিশ সেখানে গেলে লাঠিচার্জ করা হয় এবং এতে কিছু আন্দোলনকারী আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে তাদের সঙ্গে ছাত্র প্রতিনিধি জিনিয়া শারমিনও যান। পরে জিনিয়া শারমিনসহ অন্তত ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়। একজন নারী আন্দোলনকারী বলেন, “যাদেরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা নড়ব না।” কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী জানান, “সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আন্দোলনকারী সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগের দিন চাকরিচ্যুতদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে।” এর আগে সোমবার শিক্ষকরা একই দাবিতে ৯ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেছিলেন, এতে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে কয়েক হাজার যানবাহন আটকা পড়ে এবং ৬ কিলোমিটার এলাকায় জানজট সৃষ্টি হয়। চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা গত তিন মাস ধরে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।
মোহাম্মদ আরিফ কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজারের উখিয়ায় চাকরিচ্যুত শিক্ষকদের বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে এবং অন্তত ১৫ জনকে হেফাজতে নিয়েছে। ঘটনাটি বুধবার সকালে উখিয়া সদরের ফলিয়াপাড়া এলাকায় ঘটে।
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বিভিন্ন এনজিও থেকে চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সড়কের একপাশে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছিলেন। এ সময় রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয় এবং এনজিও কর্মীদের যানবাহন আটকা পড়ে।
পুলিশ সেখানে গেলে লাঠিচার্জ করা হয় এবং এতে কিছু আন্দোলনকারী আহত হন। আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হলে তাদের সঙ্গে ছাত্র প্রতিনিধি জিনিয়া শারমিনও যান। পরে জিনিয়া শারমিনসহ অন্তত ১৫ জনকে হেফাজতে নেওয়া হয়।
একজন নারী আন্দোলনকারী বলেন, “যাদেরকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে, তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা নড়ব না।”
কক্সবাজার জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া কর্মকর্তা) মো. জসিম উদ্দীন চৌধুরী জানান, “সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আন্দোলনকারী সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। হেফাজতে নেওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আগের দিন চাকরিচ্যুতদের সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে।”
এর আগে সোমবার শিক্ষকরা একই দাবিতে ৯ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করেছিলেন, এতে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে কয়েক হাজার যানবাহন আটকা পড়ে এবং ৬ কিলোমিটার এলাকায় জানজট সৃষ্টি হয়।
চাকরিচ্যুত শিক্ষকরা গত তিন মাস ধরে পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।