, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

গণঅভ্যুত্থানে নিহতের স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ে সরকারীঅ নুদানের টাকা আত্মসাতের পায়তারা

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৭১ পড়া হয়েছে

 

মোঃ হাবিব, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি


জুলাই -২৪ গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ হাফিজুলের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আঁখি দ্বিতীয় বিয়ে করে সরকারি অনুদানের টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত হাফিজুলের বড় ভাই মোঃ আবদুল হামিদ। নিহত হাফিজুলের বাড়ী ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার নাওগাও ইউনিয়নে।

 

লিখিত আবেদনে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকা শহরে পুলিশের গুলিতে হাফিজুল মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে জুলাই শহীদ হিসেবে সরকারি অনুদানের তালিকাভুক্ত হন। নিহত হাফিজুল সুমাইয়া আক্তার লাবিবা নামে ৫ বছরের একমাত্র মেয়ে রেখে গেছেন। পরবর্তীতে স্ত্রী ও সন্তানের নামে সোনালী ব্যাংক কেশরগঞ্জ বাজার শাখায় একাউন্ট খোলা হয় যার হিসাব নং- ৩৩১২৬০১০১৭৮৬৯।

বর্তমানে হিসাব নাম্বারে সরকারি অনুদান ৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা জমা রয়েছে। চলতি বছরে ২৭ মে জিলা ময়মনসিংহ বিজ্ঞ নোটারী পাবলিক সম্মুক্ষে বিবাহ সংক্রান্ত এফিডেভিট করেন আকলিমা আক্তার। বর্তমানে আকলিমা দ্বিতীয় স্বামীর বাড়ি কৃষ্ণপুর অবস্থান করছেন। লাবিবা তার বাবার বাড়ি  নিহত হাফিজুলের বড় ভাই হামিদ তত্ত্বাবধানে আছে।  তার বাবার নামে নিজস্ব কোন সম্পত্তি নেই। দ্বিতীয় স্বামীর বাড়িতে থেকে সরকারী অনুদানের টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে। এ ব্যাপারে অভিভাবক ও ওয়ারিশান মূলে সরকারি টাকা সঠিক ভাবে বন্টননামা একটি মামলা চলমান আছে। মোকদ্দমা নং-৫৯২০২৫।

এ বিষয়ে শহীদ হাফিজুলের বড় ভাই মোঃ আব্দুল হামিদ বলেন, আমার ভাই হাফিজুলের মৃত্যুর পরবর্তীতে তার স্ত্রী আকলিমা আক্তার বিবাহ সংক্রান্ত এফিডেভিট সম্পন্ন করে। বর্তমানে সে দ্বিতীয় স্বামীর সংসার করছে। এখন হাফিজুলের পরিবারের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। হাফিজুলের একমাত্র কন্যা সুমাইয়া আক্তার লাবিবা (০৫) বর্তমানে আমাদের তত্বাবধানে আছে। তিনি আরো বলেন, শহীদ হাফিজুল ইসলামের পরিবারের উত্তরসূরী হিসেবে তার কন্যা সুমাইয়া আক্তার লাবিবা’র ভবিষ্যৎ সুরক্ষা ও শিক্ষা জীবন নির্বিঘ্ন করতে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও সরকারি সকল সুবিধা বন্ধ করার জন্য লিখিত অভিযোগ করি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সোনালী ব্যাংক কেশরগঞ্জ বাজার শাখার ম্যানেজার বরাবর।

এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক কেশরগঞ্জ বাজার শাখার ম্যানেজার মোঃ মোক্তার হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু নিহতের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আঁখি’র ব্যক্তিগত একাউন্ট। ইচ্ছে করলেই আমি তার একাউন্ট বন্ধ করতে পারি না। তবে স্যারদের পরামর্শে সাময়িক লেনদেন বন্ধ রেখেছি। কোর্টে মামলা হয়েছে,কোর্ট যে সিদ্ধান্ত নিবেন আমরা সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিব।

 

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন,আমাকে জুলাই যুদ্ধা নিহতদের ভাই আব্দুল হামিদ  অভিযোগ দিয়েছে। স্যারদের আমি জানিয়েছি। কোর্টে মামলা হয়েছে। কোর্ট- মন্ত্রনালয় যে সিদ্ধান্ত দিবেন আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

গণঅভ্যুত্থানে নিহতের স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ে সরকারীঅ নুদানের টাকা আত্মসাতের পায়তারা

প্রকাশের সময় : ১০:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

 

মোঃ হাবিব, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি


জুলাই -২৪ গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদ হাফিজুলের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আঁখি দ্বিতীয় বিয়ে করে সরকারি অনুদানের টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহত হাফিজুলের বড় ভাই মোঃ আবদুল হামিদ। নিহত হাফিজুলের বাড়ী ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার নাওগাও ইউনিয়নে।

 

লিখিত আবেদনে জানা যায়, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঢাকা শহরে পুলিশের গুলিতে হাফিজুল মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে জুলাই শহীদ হিসেবে সরকারি অনুদানের তালিকাভুক্ত হন। নিহত হাফিজুল সুমাইয়া আক্তার লাবিবা নামে ৫ বছরের একমাত্র মেয়ে রেখে গেছেন। পরবর্তীতে স্ত্রী ও সন্তানের নামে সোনালী ব্যাংক কেশরগঞ্জ বাজার শাখায় একাউন্ট খোলা হয় যার হিসাব নং- ৩৩১২৬০১০১৭৮৬৯।

বর্তমানে হিসাব নাম্বারে সরকারি অনুদান ৭ লক্ষ ৫২ হাজার টাকা জমা রয়েছে। চলতি বছরে ২৭ মে জিলা ময়মনসিংহ বিজ্ঞ নোটারী পাবলিক সম্মুক্ষে বিবাহ সংক্রান্ত এফিডেভিট করেন আকলিমা আক্তার। বর্তমানে আকলিমা দ্বিতীয় স্বামীর বাড়ি কৃষ্ণপুর অবস্থান করছেন। লাবিবা তার বাবার বাড়ি  নিহত হাফিজুলের বড় ভাই হামিদ তত্ত্বাবধানে আছে।  তার বাবার নামে নিজস্ব কোন সম্পত্তি নেই। দ্বিতীয় স্বামীর বাড়িতে থেকে সরকারী অনুদানের টাকা আত্মসাতের পায়তারা করছে। এ ব্যাপারে অভিভাবক ও ওয়ারিশান মূলে সরকারি টাকা সঠিক ভাবে বন্টননামা একটি মামলা চলমান আছে। মোকদ্দমা নং-৫৯২০২৫।

এ বিষয়ে শহীদ হাফিজুলের বড় ভাই মোঃ আব্দুল হামিদ বলেন, আমার ভাই হাফিজুলের মৃত্যুর পরবর্তীতে তার স্ত্রী আকলিমা আক্তার বিবাহ সংক্রান্ত এফিডেভিট সম্পন্ন করে। বর্তমানে সে দ্বিতীয় স্বামীর সংসার করছে। এখন হাফিজুলের পরিবারের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। হাফিজুলের একমাত্র কন্যা সুমাইয়া আক্তার লাবিবা (০৫) বর্তমানে আমাদের তত্বাবধানে আছে। তিনি আরো বলেন, শহীদ হাফিজুল ইসলামের পরিবারের উত্তরসূরী হিসেবে তার কন্যা সুমাইয়া আক্তার লাবিবা’র ভবিষ্যৎ সুরক্ষা ও শিক্ষা জীবন নির্বিঘ্ন করতে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও সরকারি সকল সুবিধা বন্ধ করার জন্য লিখিত অভিযোগ করি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সোনালী ব্যাংক কেশরগঞ্জ বাজার শাখার ম্যানেজার বরাবর।

এ ব্যাপারে সোনালী ব্যাংক কেশরগঞ্জ বাজার শাখার ম্যানেজার মোঃ মোক্তার হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। কিন্তু নিহতের স্ত্রী আকলিমা আক্তার আঁখি’র ব্যক্তিগত একাউন্ট। ইচ্ছে করলেই আমি তার একাউন্ট বন্ধ করতে পারি না। তবে স্যারদের পরামর্শে সাময়িক লেনদেন বন্ধ রেখেছি। কোর্টে মামলা হয়েছে,কোর্ট যে সিদ্ধান্ত নিবেন আমরা সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিব।

 

 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন,আমাকে জুলাই যুদ্ধা নিহতদের ভাই আব্দুল হামিদ  অভিযোগ দিয়েছে। স্যারদের আমি জানিয়েছি। কোর্টে মামলা হয়েছে। কোর্ট- মন্ত্রনালয় যে সিদ্ধান্ত দিবেন আমরা সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করব।