মাগুরার শ্রীপুরে সেনা অভিযানে হুজি সদস্য গ্রেফতার, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
প্রকাশের সময় :
১০:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
২৬
পড়া হয়েছে
মাগুরার শ্রীপুরে সেনা অভিযানে হুজি সদস্য গ্রেফতার, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার
মাগুরা জেলা প্রতিবেদনঃ মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামে আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ভোর রাতে একটি চৌকস সেনা অভিযানে হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামি (হুজি)-এর সক্রিয় সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৫), পিতা শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ বিদেশি রিভলভার ও বেশ কিছু এ্যামুনিশন (গুলি) উদ্ধার করা হয়। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। সফলভাবে রফিকুল ইসলামকে আটক করে সেনাবাহিনী পরবর্তীতে তাকে শ্রীপুর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে। স্থানীয় এলাকাবাসী ও সমাজপতিরা প্রতিদিনের খবর কে জানান, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিল। তার মতো জঙ্গি সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের গ্রেফতার করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একজন গ্রামবাসী বলেন, “এদের কারণে আমরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিলাম না। আমরা চাই, আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।” সেনাবাহিনীর এমন কার্যক্রমে সাধারণ মানুষ আশার আলো দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ ও অস্ত্র-সন্ত্রাস দূর করতে এমন অভিযান আরও জোরদার করা দরকার। এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, “গ্রেফতারকৃত রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাকে আদালতে তোলা হবে।” সেনাবাহিনীর এই অভিযান ও পুলিশের কার্যকর ভূমিকা সমাজে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
মাগুরা জেলা প্রতিবেদনঃ
মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার আমতৈল গ্রামে আজ বুধবার (২০ আগস্ট) ভোর রাতে একটি চৌকস সেনা অভিযানে হরকাতুল জিহাদ আল-ইসলামি (হুজি)-এর সক্রিয় সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম (৩৫), পিতা শহিদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযানের সময় তার কাছ থেকে একটি অবৈধ বিদেশি রিভলভার ও বেশ কিছু এ্যামুনিশন (গুলি) উদ্ধার করা হয়।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ভোর ৩টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে। সফলভাবে রফিকুল ইসলামকে আটক করে সেনাবাহিনী পরবর্তীতে তাকে শ্রীপুর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।
স্থানীয় এলাকাবাসী ও সমাজপতিরা প্রতিদিনের খবর কে জানান, রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছিল। তার মতো জঙ্গি সংশ্লিষ্ট অপরাধীদের গ্রেফতার করায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। একজন গ্রামবাসী বলেন, “এদের কারণে আমরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছিলাম না। আমরা চাই, আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।”
সেনাবাহিনীর এমন কার্যক্রমে সাধারণ মানুষ আশার আলো দেখছেন। অনেকেই মনে করছেন, সমাজ থেকে জঙ্গিবাদ ও অস্ত্র-সন্ত্রাস দূর করতে এমন অভিযান আরও জোরদার করা দরকার।
এ বিষয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, “গ্রেফতারকৃত রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাকে আদালতে তোলা হবে।”
সেনাবাহিনীর এই অভিযান ও পুলিশের কার্যকর ভূমিকা সমাজে নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।