, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

“মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল: অধিকার নয়, কেবল বঞ্চনার গল্প!”

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫৪ পড়া হয়েছে

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ;স্টাফ রিপোর্টার

মাগুরা জেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা ‘মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল’ আজ প্রশ্নবিদ্ধ। প্রতিনিয়ত রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি, ন্যূনতম চিকিৎসাসেবার অভাব, নষ্ট লিফট, অনিয়মিত বিদ্যুৎ—সব মিলিয়ে হাসপাতালটি যেন রুগ্ণ এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

 

 

একাধিকবার গণমাধ্যমে এসব সমস্যা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন নেই। কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল নেই। অথচ রোগীদের অভিযোগ—যেসব ডাক্তার আছেন, তারাও দায়িত্বশীল নন। রোগীরা সেবা না পেয়ে হয়রান হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

 

আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) সকার ৯.৩০ ঘটিকায় একজন রোগীর স্বজন প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “আমার মাকে চার তলা থেকে নিচে নামাতে হয়েছে সিঁড়ি বেয়ে, কারণ লিফট নষ্ট। বিদ্যুৎ চলে গেলে আইসিইউর রোগীদের কী হয়, সেটা কেউ দেখে না।”

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা সরকারি ওষুধ রোগীরা হাতে পাচ্ছেন না। বেশিরভাগ ওষুধ বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে—সরবরাহকৃত ওষুধ কোথায় যাচ্ছে?

 

চিকিৎসক সংকট, যন্ত্রপাতির অকার্যকারিতা এবং অব্যবস্থাপনায় এই হাসপাতাল যেন আর চিকিৎসাকেন্দ্র নয়, বরং দুর্ভোগের আরেক নাম। উচ্চপদস্থদের চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে দেশের বাইরেও, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য কী আছে?

 

মাগুরার এক প্রবীণ নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “হাসপাতালটা আমাদের দাবির জায়গা নয়, আমাদের অধিকার। আমরা চিকিৎসা চাই—দয়া নয়।”

 

জনগণের টাকায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে সেটি এক ধরনের অবিচার। এখন সময় হয়েছে কথার খেলা বন্ধ করে বাস্তবিক পরিবর্তন আনার। প্রয়োজন:

 

স্থায়ীভাবে লিফট ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান
জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও নার্সের পর্যাপ্ত উপস্থিতি

সরকারি ওষুধের সুষ্ঠু বণ্টন
নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা

 

স্বাস্থ্যসেবা কোনও অনুগ্রহ নয়, এটি সংবিধানস্বীকৃত নাগরিক অধিকার। মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালকে সেই অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

“মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল: অধিকার নয়, কেবল বঞ্চনার গল্প!”

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ;স্টাফ রিপোর্টার

মাগুরা জেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র ভরসা ‘মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতাল’ আজ প্রশ্নবিদ্ধ। প্রতিনিয়ত রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি, ন্যূনতম চিকিৎসাসেবার অভাব, নষ্ট লিফট, অনিয়মিত বিদ্যুৎ—সব মিলিয়ে হাসপাতালটি যেন রুগ্ণ এক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

 

 

একাধিকবার গণমাধ্যমে এসব সমস্যা নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হলেও দৃশ্যমান কোনো পরিবর্তন নেই। কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও জনবল নেই। অথচ রোগীদের অভিযোগ—যেসব ডাক্তার আছেন, তারাও দায়িত্বশীল নন। রোগীরা সেবা না পেয়ে হয়রান হচ্ছেন প্রতিনিয়ত।

 

আজ সোমবার (২৫ আগস্ট) সকার ৯.৩০ ঘটিকায় একজন রোগীর স্বজন প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “আমার মাকে চার তলা থেকে নিচে নামাতে হয়েছে সিঁড়ি বেয়ে, কারণ লিফট নষ্ট। বিদ্যুৎ চলে গেলে আইসিইউর রোগীদের কী হয়, সেটা কেউ দেখে না।”

 

অপরদিকে, হাসপাতালে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা সরকারি ওষুধ রোগীরা হাতে পাচ্ছেন না। বেশিরভাগ ওষুধ বাইরের ফার্মেসি থেকে কিনতে হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে—সরবরাহকৃত ওষুধ কোথায় যাচ্ছে?

 

চিকিৎসক সংকট, যন্ত্রপাতির অকার্যকারিতা এবং অব্যবস্থাপনায় এই হাসপাতাল যেন আর চিকিৎসাকেন্দ্র নয়, বরং দুর্ভোগের আরেক নাম। উচ্চপদস্থদের চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে দেশের বাইরেও, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য কী আছে?

 

মাগুরার এক প্রবীণ নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “হাসপাতালটা আমাদের দাবির জায়গা নয়, আমাদের অধিকার। আমরা চিকিৎসা চাই—দয়া নয়।”

 

জনগণের টাকায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে সেটি এক ধরনের অবিচার। এখন সময় হয়েছে কথার খেলা বন্ধ করে বাস্তবিক পরিবর্তন আনার। প্রয়োজন:

 

স্থায়ীভাবে লিফট ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান
জরুরি বিভাগে চিকিৎসক ও নার্সের পর্যাপ্ত উপস্থিতি

সরকারি ওষুধের সুষ্ঠু বণ্টন
নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতা

 

স্বাস্থ্যসেবা কোনও অনুগ্রহ নয়, এটি সংবিধানস্বীকৃত নাগরিক অধিকার। মাগুরা ২৫০ শয্যা হাসপাতালকে সেই অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।