জেলার মানুষের নিত্যসঙ্গী ভোগান্তি, স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে লালমনিরহাট হাসপাতালে
প্রকাশের সময় :
০৯:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
৩১
পড়া হয়েছে
জেলার মানুষের নিত্যসঙ্গী ভোগান্তি, স্বাস্থ্যসেবা ভেঙে পড়েছে লালমনিরহাট হাসপাতালে
আনিছুল ইসলাম রাজিব লালমনিরহাট প্রতিনিধি লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল— জেলার আঠারো লাখ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল। কিন্তু এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার বদলে ভোগান্তিই যেন নিত্যসঙ্গী রোগীদের। ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে চিকিৎসকের সংকটের পাশাপাশি চরম অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় কার্যত ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা সরজমিনে দেখা যায়, চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও বহিরাগতরা রোগী দেখছেন, এমনকি প্রেসক্রিপশনও দিচ্ছেন। এই বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী বলেন— “ডাক্তাররা ঠিকমতো কথা শোনেন না, আগেই বানানো ওষুধের লিস্ট দিয়ে দেন।” অন্য এক রোগীর অভিযোগ— “প্যাথলজিতে নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে।” অভিযোগ আছে, অনেক ডাক্তার অফিস সময় ফাঁকি দিয়ে বাইরে রোগী দেখেন, ফলে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থাহীনতা বাড়ছে। তবে এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আব্দুল মোকাদ্দেস বলেন— “১০০ শয্যার জনবল দিয়েই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চলছে। বর্তমানে মাত্র সাতজন চিকিৎসক আছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ফলে জেলার মানুষের জন্য ভরসাস্থল হাসপাতালটি পরিণত হয়েছে ভোগান্তির আরেক নামে।
আনিছুল ইসলাম রাজিব লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল— জেলার আঠারো লাখ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল। কিন্তু এই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার বদলে ভোগান্তিই যেন নিত্যসঙ্গী রোগীদের।
২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে চিকিৎসকের সংকটের পাশাপাশি চরম অনিয়ম-অব্যবস্থাপনায় কার্যত ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যসেবা
সরজমিনে দেখা যায়, চিকিৎসকের অনুপস্থিতিতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও বহিরাগতরা রোগী দেখছেন, এমনকি প্রেসক্রিপশনও দিচ্ছেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রোগী বলেন—
“ডাক্তাররা ঠিকমতো কথা শোনেন না, আগেই বানানো ওষুধের লিস্ট দিয়ে দেন।”
অন্য এক রোগীর অভিযোগ—
“প্যাথলজিতে নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও বাড়তি টাকা দিতে হয়েছে।”
অভিযোগ আছে, অনেক ডাক্তার অফিস সময় ফাঁকি দিয়ে বাইরে রোগী দেখেন, ফলে সরকারি চিকিৎসা ব্যবস্থায় আস্থাহীনতা বাড়ছে।
তবে এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আব্দুল মোকাদ্দেস বলেন—
“১০০ শয্যার জনবল দিয়েই ২৫০ শয্যার হাসপাতাল চলছে। বর্তমানে মাত্র সাতজন চিকিৎসক আছেন। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ফলে জেলার মানুষের জন্য ভরসাস্থল হাসপাতালটি পরিণত হয়েছে ভোগান্তির আরেক নামে।