কৃষক বন্ধু এগ্রো ফিডস লিঃ এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
প্রকাশের সময় :
০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৮৬
পড়া হয়েছে
কৃষক বন্ধু এগ্রো ফিডস লিঃ এর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ
বিশেষ প্রতিনিধি চাঁদপুর সদর উপজেলার ওয়ারলেস মোড়ে কৃষক বন্ধু এগ্রো ফিড লিঃ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কৃষক, খামারি ও ডিলারদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন খামারির কাছ থেকে পণ্য সরবরাহের নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা। ফারুকের অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ী ফারুক জানান, কিছু দিন আগে তিনি পণ্য ক্রয়ের জন্য বিকাশের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটি পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়। তিনি একাধিকবার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাননি। তিনি বলেন, “পণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন টাকা গেছে, পণ্যও পাইনি। ফোন করলেও এমডি কোনো জবাব দেন না।” অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং প্রতিনিধি লুৎফর রহমান জানান, তার কাছ থেকেও নিয়োগের নামে, অর্থ দেওয়া, ও বিভিন্ন খামারী ও ডিলারদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে,প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়,পরে কোন মালামাল পাঠানো তো দূরের কথা,কোন কলই ধরেনি তারা,এতে সে টাকার কোনো হদিস নেই। এ কারণে স্থানীয়ভাবে তাকে নানা লাঞ্ছনা ও মিথ্যা অপবাদের শিকার হতে হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে এভাবে প্রতারণা করছে। সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরও বড় জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যাবে। এতে শুধু আমিই নয়, অসংখ্য ডিলার ও কর্মচারী সমস্যায় আছেন।” প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ঘটনাটি স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অনেকে বলছেন, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ছাড়া ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ভোক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দ্রুত তদন্ত করে প্রতারণার শিকারদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার জন্য।
বিশেষ প্রতিনিধি
চাঁদপুর সদর উপজেলার ওয়ারলেস মোড়ে কৃষক বন্ধু এগ্রো ফিড লিঃ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কৃষক, খামারি ও ডিলারদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন খামারির কাছ থেকে পণ্য সরবরাহের নামে টাকা নিয়ে প্রতারণা করছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীরা।
ফারুকের অভিযোগ
স্থানীয় ব্যবসায়ী ফারুক জানান, কিছু দিন আগে তিনি পণ্য ক্রয়ের জন্য বিকাশের মাধ্যমে অর্থ প্রদান করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও প্রতিষ্ঠানটি পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হয়। তিনি একাধিকবার প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)-এর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাননি।
তিনি বলেন,
“পণ্য দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়েছে। এখন টাকা গেছে, পণ্যও পাইনি। ফোন করলেও এমডি কোনো জবাব দেন না।”
অন্যদিকে, প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং প্রতিনিধি লুৎফর রহমান জানান, তার কাছ থেকেও নিয়োগের নামে, অর্থ দেওয়া, ও বিভিন্ন খামারী ও ডিলারদের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে,প্রতিষ্ঠানে দেওয়া হয়,পরে কোন মালামাল পাঠানো তো দূরের কথা,কোন কলই ধরেনি তারা,এতে সে টাকার কোনো হদিস নেই। এ কারণে স্থানীয়ভাবে তাকে নানা লাঞ্ছনা ও মিথ্যা অপবাদের শিকার হতে হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন,
“প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে এভাবে প্রতারণা করছে। সঠিকভাবে তদন্ত করলে আরও বড় জালিয়াতির প্রমাণ পাওয়া যাবে। এতে শুধু আমিই নয়, অসংখ্য ডিলার ও কর্মচারী সমস্যায় আছেন।”
প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
ঘটনাটি স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অনেকে বলছেন, প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ছাড়া ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। ভোক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দ্রুত তদন্ত করে প্রতারণার শিকারদের অর্থ ফেরত দেওয়ার জন্য এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনার জন্য।