, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

“শিক্ষকরা কখনো শিক্ষার্থীদের শত্রু হতে পারে না” — কর্মবিরতিতে অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬২ পড়া হয়েছে

 

লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি

 

শিক্ষকরা তো কখনো শিক্ষার্থীদের শত্রু হতে পারে না, কখনোই হতে পারে না।বলে মন্তব্য করেছেন সরকারি শহীদ  সোহরাওয়ার্দী  কলেজের অধ্যক্ষ ড.কাকলী মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও তিনি জানান, আমি তো শিক্ষক ছাত্র ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না, যে ছাত্র আমার অস্তিত্ব,যে ছাত্রের জন্য আমি শিক্ষক। সেই ছাত্র কেন আমার বিরুদ্ধে। এই বিরোধিতার অবসান হোক।আজ বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে দিনব্যাপী সর্বাত্মক কর্মবিরতি ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

 

 

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে কলেজের শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ রেখে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তারা কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে কালো ব্যাজ ধারণ করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ঘোষিত দাবিগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

 

এ সময় পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক নিজাম স্যার জানান, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের পেছনে একটি গোষ্ঠী কাজ করছে। যে গোষ্ঠী ছাত্রদেরকে উস্কায় দিয়েছে। তাদের সামনে বড় একটি বিষয় নিয়ে এসেছে। আমি যদি একটি বিশ্ববিদ্যালয় চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি রূপরেখা আছে। আমার কেন এসব কলেজ গায়েব করে দিতে হবে। আমি একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় চাই, আমি ডিসিইউ এর পক্ষে শতভাগ। কিন্তু কেন আমার অবকাঠামো বিলুপ্ত করতে হবে। এখানে একটি এক্সিস্ট্যান্ট কাঠামো আছে সেই কাঠামোতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ আছে। সেখানে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে সাত কলেজের স্বাতন্ত্রতা রক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা প্রণয়নের কথা বলা আছে। তাহলে ছাত্ররা কিসের পিছনে দৌড়াচ্ছে বুঝিনা। এমনকি ছাত্ররা আমাদের কাছেও আসে না, তারা রাস্তায় আন্দোলন করছে। তাদের যখন আমরা বলছি বস, তারা আমাদের উপর চড়াও হচ্ছে। এটাতো সুখকর, কাম্য কোন কিছু না। আমার একটা কথা রাউড এন্ড ক্লিয়ার ডিসিইউ  হোক, সাথে আছি কিন্তু সেটি অন্যত্র।  ক্যাম্পাসের কোথাও ডিসিওর কিছু থাকতে পারবে না।

 

 

এ বিষয়ে সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় জানায়,অবরোধের বিপক্ষে আমার সন্তানরা  লাল কার্ড দেখিয়েছে।এটাকে আমি স্বাগত জানাই কারণ তারা চায় আমরা ক্লাসে যাই। আমাদের যোগ্যতা সম্পর্কে তারা সন্ধিহান নয়। তারা কষ্ট পেয়েছে ক্লাসে যাব না কেন, আমরা কর্মবিরতি করছি। এই লাল কার্ড কে আমরা সারা জীবন স্বাগত জানাতে চাই। এমন কিছু যদি না হয়, আমরা কোন বিরতিতে যাই। আমাদের এই কর্মবিরতির বিপক্ষে তোমাদের লাল কার্ড কে আমি স্বাগত জানাই। আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি কেন সবাই জানে। গতকাল ঢাকা কলেজে একটা ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটেছে। শুধু শিক্ষক নয়, শিক্ষার্থীর উপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমি এই উভয় ঘটনা তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমাদের শিক্ষাঙ্গনে অভিভাবক রয়েছে, সাত কলেজ নিয়ে যে অদ্ভুত পরিস্থিতি এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। খসড়া নিয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি সেটা পর্যালোচনা করা হবে  আমি মনে করি আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের পক্ষে মতামত দেওয়া সম্ভব না। পরিকল্পনাকারী আছেন, শিক্ষাবিদ আছে, রাষ্ট্রের যারা পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণ করে তারা আছেন। আমি আশা করি যারা আমাদেরকে নিয়োগ করেছে, আমাদের যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করেছে তারা আছেন।এখন আমাদের পথ কলেজে হবে নাকি সাত কলেজের বাহিরে হবে এটা পর্যালোচনা করার জন্য অনেক বড় মাপের মানুষ আছেন। কিন্তু আমি তো শিক্ষক ছাত্র ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না, যে ছাত্র আমার অস্তিত্ব,যে ছাত্রের জন্য আমি শিক্ষক। সেই ছাত্র কেন আমার বিরুদ্ধে। এই বিরোধিতার অবসান হোক। আসো সামনা সামনি আমরা আলোচনা করি। তোমরা আমাদের প্রশ্ন কর, আমরা তোমাদের প্রশ্ন করি। উত্তর পাল্টা উত্তর হোক। একটি সুষ্ঠু সমাধান হোক।  শিক্ষা ক্ষেত্রে এই অনিশ্চয়তা ঠিক না। অনেক শিক্ষার্থী জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে  ইয়ার লস হচ্ছে, এটা তো আমরা চাই না। শিক্ষকরা তো কখনো শিক্ষার্থীদের শত্রু হতে পারে না, কখনোই হতে পারে না। তোমাদের জন্যেই আজ আমি শিক্ষক। তোমরা আছো বলেই শিক্ষকতা। তোমরা যদি না থাকো তাহলে আমার শিক্ষকতার কি প্রয়োজন। আমি অন্যত্র চলে যাব।

 

 

উল্লেখ্য,ঢাকা কলেজের শিক্ষক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, টিসার্স লাউঞ্জে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং একই সঙ্গে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে প্রশাসনিক থেকে একাডেমিক সর্বস্তরে শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য অবস্থান নিশ্চিত ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর স্বার্থ সংরক্ষণের দাবিতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যরা আজ কালো ব্যাজ ধারণপূর্বক দিনব্যাপী কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

“শিক্ষকরা কখনো শিক্ষার্থীদের শত্রু হতে পারে না” — কর্মবিরতিতে অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

 

লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি

 

শিক্ষকরা তো কখনো শিক্ষার্থীদের শত্রু হতে পারে না, কখনোই হতে পারে না।বলে মন্তব্য করেছেন সরকারি শহীদ  সোহরাওয়ার্দী  কলেজের অধ্যক্ষ ড.কাকলী মুখোপাধ্যায়। এছাড়াও তিনি জানান, আমি তো শিক্ষক ছাত্র ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না, যে ছাত্র আমার অস্তিত্ব,যে ছাত্রের জন্য আমি শিক্ষক। সেই ছাত্র কেন আমার বিরুদ্ধে। এই বিরোধিতার অবসান হোক।আজ বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে দিনব্যাপী সর্বাত্মক কর্মবিরতি ও কালো ব্যাজ ধারণ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

 

 

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সকাল থেকে কলেজের শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে পাঠদান ও পরীক্ষা বন্ধ রেখে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত তারা কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থান নিয়ে কালো ব্যাজ ধারণ করে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ঘোষিত দাবিগুলোর প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।

 

এ সময় পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক নিজাম স্যার জানান, আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের পেছনে একটি গোষ্ঠী কাজ করছে। যে গোষ্ঠী ছাত্রদেরকে উস্কায় দিয়েছে। তাদের সামনে বড় একটি বিষয় নিয়ে এসেছে। আমি যদি একটি বিশ্ববিদ্যালয় চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি রূপরেখা আছে। আমার কেন এসব কলেজ গায়েব করে দিতে হবে। আমি একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় চাই, আমি ডিসিইউ এর পক্ষে শতভাগ। কিন্তু কেন আমার অবকাঠামো বিলুপ্ত করতে হবে। এখানে একটি এক্সিস্ট্যান্ট কাঠামো আছে সেই কাঠামোতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ আছে। সেখানে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে সাত কলেজের স্বাতন্ত্রতা রক্ষা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রূপরেখা প্রণয়নের কথা বলা আছে। তাহলে ছাত্ররা কিসের পিছনে দৌড়াচ্ছে বুঝিনা। এমনকি ছাত্ররা আমাদের কাছেও আসে না, তারা রাস্তায় আন্দোলন করছে। তাদের যখন আমরা বলছি বস, তারা আমাদের উপর চড়াও হচ্ছে। এটাতো সুখকর, কাম্য কোন কিছু না। আমার একটা কথা রাউড এন্ড ক্লিয়ার ডিসিইউ  হোক, সাথে আছি কিন্তু সেটি অন্যত্র।  ক্যাম্পাসের কোথাও ডিসিওর কিছু থাকতে পারবে না।

 

 

এ বিষয়ে সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় জানায়,অবরোধের বিপক্ষে আমার সন্তানরা  লাল কার্ড দেখিয়েছে।এটাকে আমি স্বাগত জানাই কারণ তারা চায় আমরা ক্লাসে যাই। আমাদের যোগ্যতা সম্পর্কে তারা সন্ধিহান নয়। তারা কষ্ট পেয়েছে ক্লাসে যাব না কেন, আমরা কর্মবিরতি করছি। এই লাল কার্ড কে আমরা সারা জীবন স্বাগত জানাতে চাই। এমন কিছু যদি না হয়, আমরা কোন বিরতিতে যাই। আমাদের এই কর্মবিরতির বিপক্ষে তোমাদের লাল কার্ড কে আমি স্বাগত জানাই। আমরা এখানে দাঁড়িয়েছি কেন সবাই জানে। গতকাল ঢাকা কলেজে একটা ন্যাক্কার জনক ঘটনা ঘটেছে। শুধু শিক্ষক নয়, শিক্ষার্থীর উপরও হামলার ঘটনা ঘটেছে। আমি এই উভয় ঘটনা তীব্র প্রতিবাদ জানাই। আমাদের শিক্ষাঙ্গনে অভিভাবক রয়েছে, সাত কলেজ নিয়ে যে অদ্ভুত পরিস্থিতি এ বিষয়ে আলাপ আলোচনা চলছে। খসড়া নিয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়েছি সেটা পর্যালোচনা করা হবে  আমি মনে করি আমার মত ক্ষুদ্র মানুষের পক্ষে মতামত দেওয়া সম্ভব না। পরিকল্পনাকারী আছেন, শিক্ষাবিদ আছে, রাষ্ট্রের যারা পরিকল্পনা নিয়ন্ত্রণ করে তারা আছেন। আমি আশা করি যারা আমাদেরকে নিয়োগ করেছে, আমাদের যোগ্যতা যাচাই-বাছাই করেছে তারা আছেন।এখন আমাদের পথ কলেজে হবে নাকি সাত কলেজের বাহিরে হবে এটা পর্যালোচনা করার জন্য অনেক বড় মাপের মানুষ আছেন। কিন্তু আমি তো শিক্ষক ছাত্র ছাড়া কিছু ভাবতে পারি না, যে ছাত্র আমার অস্তিত্ব,যে ছাত্রের জন্য আমি শিক্ষক। সেই ছাত্র কেন আমার বিরুদ্ধে। এই বিরোধিতার অবসান হোক। আসো সামনা সামনি আমরা আলোচনা করি। তোমরা আমাদের প্রশ্ন কর, আমরা তোমাদের প্রশ্ন করি। উত্তর পাল্টা উত্তর হোক। একটি সুষ্ঠু সমাধান হোক।  শিক্ষা ক্ষেত্রে এই অনিশ্চয়তা ঠিক না। অনেক শিক্ষার্থী জীবন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে  ইয়ার লস হচ্ছে, এটা তো আমরা চাই না। শিক্ষকরা তো কখনো শিক্ষার্থীদের শত্রু হতে পারে না, কখনোই হতে পারে না। তোমাদের জন্যেই আজ আমি শিক্ষক। তোমরা আছো বলেই শিক্ষকতা। তোমরা যদি না থাকো তাহলে আমার শিক্ষকতার কি প্রয়োজন। আমি অন্যত্র চলে যাব।

 

 

উল্লেখ্য,ঢাকা কলেজের শিক্ষক ও উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, টিসার্স লাউঞ্জে ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং একই সঙ্গে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশে প্রশাসনিক থেকে একাডেমিক সর্বস্তরে শিক্ষা ক্যাডারের ন্যায্য অবস্থান নিশ্চিত ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীর স্বার্থ সংরক্ষণের দাবিতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সদস্যরা আজ কালো ব্যাজ ধারণপূর্বক দিনব্যাপী কলেজ ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে।