প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশনের মানবিক ছোঁয়ায় আলো ছড়াচ্ছে পাহাড়পুর মানবতার স্পর্শে বদলে যাচ্ছে অবহেলিত জীবনের গল্প
প্রকাশের সময় :
১০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
৩০
পড়া হয়েছে
প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশনের মানবিক ছোঁয়ায় আলো ছড়াচ্ছে পাহাড়পুর মানবতার স্পর্শে বদলে যাচ্ছে অবহেলিত জীবনের গল্প
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া এলাকার প্রবাসীদের উদ্যোগে গঠিত “প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশন”, একদল স্বপ্নবান ও হৃদয়বান প্রবাসীর ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সেবার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠন। ১ মে ২০২৫ সালে যাদের পদযাত্রা শুরু—তাদের লক্ষ্য একটাই: সহযোগিতা, সেবা ও উন্নয়নের পথে একসাথে এগিয়ে চলা। মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে সংগঠনটি প্রমাণ করেছে, আন্তরিকতা থাকলে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে মানবতার আলো ছড়ানো যায়। তাদের ৩৪ জন প্রবাসী সদস্যের নিরলস প্রচেষ্টায় সম্প্রতি এক হৃদয়ছোঁয়া উদ্যোগের সাক্ষী হয়েছে পাহাড়পুর বাধাগ্রস্থ শিশু বিদ্যালয়। অবহেলিত ও অধিকারবঞ্চিত প্রায় ৩৬৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য একবেলার খাবারের আয়োজন করে তারা যেন এক টুকরো আনন্দ ও ভালোবাসা পৌঁছে দিয়েছেন শিশুদের মুখে। খাবারের আয়োজনের সেই মুহূর্তে ছিল হাসির ঝিলিক, ছিল আনন্দের উচ্ছ্বাস, আর ছিল এক অদৃশ্য মানবিক বন্ধনের ছোঁয়া। বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ শিউলী খাতুন, তাঁর সহযোগী শিক্ষকদের সঙ্গে শত প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে। প্রতিদিন এই শিশুরা শেখে শিক্ষা, আদর্শ, ভালোবাসা ও সামাজিকতার পাঠ। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে হচ্ছে নানা অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে। এমন সময়ে প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশন-এর মানবিক সহায়তা যেন এক আশীর্বাদ হয়ে এসেছে এই বিদ্যালয়ের জন্য। তাদের এই উদ্যোগ কেবল একবেলার খাবার নয়, বরং প্রতিবন্ধী শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আজকের এই উদ্যোগ যেন আরও অনুপ্রেরণা জোগায় সমাজের অন্যান্য সক্ষম মানুষদের—যারা একটু ভালোবাসা, একটু সহমর্মিতা দিয়ে অগণিত অসহায় মুখে হাসি ফোটাতে পারেন। প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশন প্রমাণ করেছে, মানবতার কোনো সীমানা নেই—যেখানে আছে মমতা, সেখানেই আছে উন্নয়নের পথচলা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষিকার এখন একটাই দাবি দেশের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে এই প্রতিবন্ধী শিশুরাও হতে পারে দেশের সম্পদ।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার চিথলিয়া এলাকার প্রবাসীদের উদ্যোগে গঠিত “প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশন”, একদল স্বপ্নবান ও হৃদয়বান প্রবাসীর ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সেবার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠিত একটি সংগঠন। ১ মে ২০২৫ সালে যাদের পদযাত্রা শুরু—তাদের লক্ষ্য একটাই: সহযোগিতা, সেবা ও উন্নয়নের পথে একসাথে এগিয়ে চলা।
মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে সংগঠনটি প্রমাণ করেছে, আন্তরিকতা থাকলে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে মানবতার আলো ছড়ানো যায়। তাদের ৩৪ জন প্রবাসী সদস্যের নিরলস প্রচেষ্টায় সম্প্রতি এক হৃদয়ছোঁয়া উদ্যোগের সাক্ষী হয়েছে পাহাড়পুর বাধাগ্রস্থ শিশু বিদ্যালয়।
অবহেলিত ও অধিকারবঞ্চিত প্রায় ৩৬৫ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য একবেলার খাবারের আয়োজন করে তারা যেন এক টুকরো আনন্দ ও ভালোবাসা পৌঁছে দিয়েছেন শিশুদের মুখে। খাবারের আয়োজনের সেই মুহূর্তে ছিল হাসির ঝিলিক, ছিল আনন্দের উচ্ছ্বাস, আর ছিল এক অদৃশ্য মানবিক বন্ধনের ছোঁয়া।
বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ শিউলী খাতুন, তাঁর সহযোগী শিক্ষকদের সঙ্গে শত প্রতিকূলতার মাঝেও প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন নিঃস্বার্থভাবে। প্রতিদিন এই শিশুরা শেখে শিক্ষা, আদর্শ, ভালোবাসা ও সামাজিকতার পাঠ। কিন্তু প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনা করতে হচ্ছে নানা অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে।
এমন সময়ে প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশন-এর মানবিক সহায়তা যেন এক আশীর্বাদ হয়ে এসেছে এই বিদ্যালয়ের জন্য। তাদের এই উদ্যোগ কেবল একবেলার খাবার নয়, বরং প্রতিবন্ধী শিশুদের মুখে হাসি ফোটানোর এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
আজকের এই উদ্যোগ যেন আরও অনুপ্রেরণা জোগায় সমাজের অন্যান্য সক্ষম মানুষদের—যারা একটু ভালোবাসা, একটু সহমর্মিতা দিয়ে অগণিত অসহায় মুখে হাসি ফোটাতে পারেন।
প্রবাসী বন্ধু ফাউন্ডেশন প্রমাণ করেছে, মানবতার কোনো সীমানা নেই—যেখানে আছে মমতা, সেখানেই আছে উন্নয়নের পথচলা।
প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষিকার এখন একটাই দাবি দেশের বিত্তবানরা এগিয়ে আসলে এই প্রতিবন্ধী শিশুরাও হতে পারে দেশের সম্পদ।