কুষ্টিয়ার মিরপুরে বাড়ি ভাং-চু-র ও আবাদি জমি দ-খ-ল সহ উ-চ্ছে-দে-র অ-ভি-যো-গ
প্রকাশের সময় :
০১:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
৯৫
পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়ার মিরপুরে বাড়ি ভাং-চু-র ও আবাদি জমি দ-খ-ল সহ উ-চ্ছে-দে-র অ-ভি-যো-গ
নিজস্ব প্রতিবেদক কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের ঝুটিয়াডাঙ্গা মাঠপাড়া গ্রামে রেজাউল হকের বাড়ি ভাঙচুর ও আবাদি সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি দখল সহ বাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও দখলের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, মিল্টন, পিতা ছলেমান মন্ডল, আব্দুল কুদ্দুস, মিলন ও বুলবুলি, পিতা মৃত তৈয়ব আলী। রেজাউল হকের ছেলের অভিযোগ, উপরের সবাই দখলদারির সঙ্গে জড়িত এবং বিভিন্ন সময় ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছে। এদিকে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের শুরু আগে থেকে। জানা যায়,বুলবুলি ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে মামা রেজাউল হক কে সাথে নিয়ে এক দালালের কাছে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেছিলেন। তবে ইতালির পথে ভয় পেয়ে বুলবুলি দেশে ফিরে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিরোধ। বিদেশযাত্রা ব্যর্থ হওয়ার পরে বুলবুলি দালালের কাছে না গিয়ে সরাসরি মামা রেজাউল হকের কাছে টাকা ফেরত চান। কিন্তু তার মামার দাবি। সে বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর দালালরা টাকা দেবে এটা অসম্ভব। আর আমি কেন টাকা দেব? আমি তো আর টাকা নেইনি। এই অর্থনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছে। এলাকাবাসীর দাবি, এ বিরোধের জের ধরেই রেজাউল হকের বাড়িতে ভাঙচুর আবাদি জমি দখল সহ বাড়িতে থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করেছে। রেজাউল হকের ছেলে রোকনুজ্জামান বাদী হয়ে এ বিষয়ে মিরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের ঝুটিয়াডাঙ্গা মাঠপাড়া গ্রামে রেজাউল হকের বাড়ি ভাঙচুর ও আবাদি সাড়ে পাঁচ বিঘা জমি দখল সহ বাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গেলে স্থানীয়রা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। এ সময় অভিযুক্ত ব্যক্তিরাও দখলের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন, মিল্টন, পিতা ছলেমান মন্ডল, আব্দুল কুদ্দুস, মিলন ও বুলবুলি, পিতা মৃত তৈয়ব আলী। রেজাউল হকের ছেলের অভিযোগ, উপরের সবাই দখলদারির সঙ্গে জড়িত এবং বিভিন্ন সময় ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে আসছে।
এদিকে জমি দখলকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের শুরু আগে থেকে। জানা যায়,বুলবুলি ইতালি যাওয়ার উদ্দেশ্যে মামা রেজাউল হক কে সাথে নিয়ে এক দালালের কাছে ১২ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেছিলেন। তবে ইতালির পথে ভয় পেয়ে বুলবুলি দেশে ফিরে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিরোধ।
বিদেশযাত্রা ব্যর্থ হওয়ার পরে বুলবুলি দালালের কাছে না গিয়ে সরাসরি মামা রেজাউল হকের কাছে টাকা ফেরত চান। কিন্তু তার মামার দাবি। সে বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর দালালরা টাকা দেবে এটা অসম্ভব। আর আমি কেন টাকা দেব? আমি তো আর টাকা নেইনি।
এই অর্থনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছে। এলাকাবাসীর দাবি, এ বিরোধের জের ধরেই রেজাউল হকের বাড়িতে ভাঙচুর আবাদি জমি দখল সহ বাড়িতে থেকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করেছে।
রেজাউল হকের ছেলে রোকনুজ্জামান বাদী হয়ে এ বিষয়ে মিরপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।