কুষ্টিয়া মিরপুরে শশুর বাড়ির উঠান থেকে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশের সময় :
০৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
৯৯
পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়া মিরপুরে শশুর বাড়ির উঠান থেকে জামাইয়ের মরদেহ উদ্ধার
কুষ্টিয়া কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় শ্বশুরবাড়ির উঠান থেকে রানা আহম্মেদ (৩৫) নামে এক রাজমিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরদিন বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহত রানা আহম্মেদ চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা এবং ওই এলাকার আব্দুল্লাহ মালিথার ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়াদ্দার পাড়া গ্রামের আসান আলীর জামাই। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন বলে জানা গেছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়রা শ্বশুরবাড়ির উঠানে রানা আহম্মেদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে মিরপুর থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল আজিজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের বাম চোখে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। এদিকে স্থানীয় ও গোপন সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির পারিবারিক জীবনে পরকীয়ার কোন জটিলতা থাকতে পারে এবং এ সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কুষ্টিয়া
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় শ্বশুরবাড়ির উঠান থেকে রানা আহম্মেদ (৩৫) নামে এক রাজমিস্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরদিন বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত রানা আহম্মেদ চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা এবং ওই এলাকার আব্দুল্লাহ মালিথার ছেলে। তিনি কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার মালিহাদ ইউনিয়নের জোয়াদ্দার পাড়া গ্রামের আসান আলীর জামাই। দীর্ঘদিন ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে স্থানীয়রা শ্বশুরবাড়ির উঠানে রানা আহম্মেদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে মিরপুর থানায় খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল আজিজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের বাম চোখে রক্তের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
এদিকে স্থানীয় ও গোপন সূত্রে জানা গেছে, নিহত ব্যক্তির পারিবারিক জীবনে পরকীয়ার কোন জটিলতা থাকতে পারে এবং এ সংক্রান্ত বিরোধ থেকেই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।