শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় জুড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
প্রকাশের সময় :
০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ অগাস্ট ২০২৫
৪৩
পড়া হয়েছে
শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় জুড়ীতে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার
জসিম উদ্দিন জুড়ী প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জুড়ী শহরে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম শেলুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুড়ী থানায় নিয়ে আসেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন। বিকেলে তাঁর গ্রেফতারের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলার বাদী মো. তারেক মিয়া ও সাক্ষী আফজাল হোসেন জানান, চেয়ারম্যান শেলু এই ঘটনায় জড়িত নন। তাঁরা গ্রেফতারের বিরোধিতা করেন এবং মামলায় তাঁর নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। কিন্তু এএসপি অনড় থাকায় দুপক্ষের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়। শেলুর গ্রেফতারে ক্ষোভ জানিয়ে তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী থানায় জড়ো হন। তাঁকে মৌলভীবাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন। বাদী তারেক মিয়ার অভিযোগ, "হামলার মূল হোতারা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে, অথচ নির্দোষদের ফাঁসানো হচ্ছে। পুলিশ এই মামলাকে বানিজ্যের হাতিয়ার বানিয়েছে।" অন্যদিকে এএসপি আজমল হোসেন বলেন, "তদন্তে শেলুর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে, তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারো আপত্তি থাকলে তা আদালতে বলা উচিত।
জসিম উদ্দিন জুড়ী প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় জুড়ী শহরে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফুলতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম শেলুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় থেকে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জুড়ী থানায় নিয়ে আসেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজমল হোসেন। বিকেলে তাঁর গ্রেফতারের ঘোষণা দেওয়া হয়।
তবে থানায় উপস্থিত হয়ে মামলার বাদী মো. তারেক মিয়া ও সাক্ষী আফজাল হোসেন জানান, চেয়ারম্যান শেলু এই ঘটনায় জড়িত নন। তাঁরা গ্রেফতারের বিরোধিতা করেন এবং মামলায় তাঁর নাম প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। কিন্তু এএসপি অনড় থাকায় দুপক্ষের মাঝে বাকবিতণ্ডা হয়।
শেলুর গ্রেফতারে ক্ষোভ জানিয়ে তাঁর আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী থানায় জড়ো হন। তাঁকে মৌলভীবাজারে নিয়ে যাওয়ার সময় কয়েকজন গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েন।
বাদী তারেক মিয়ার অভিযোগ, “হামলার মূল হোতারা রয়ে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে, অথচ নির্দোষদের ফাঁসানো হচ্ছে। পুলিশ এই মামলাকে বানিজ্যের হাতিয়ার বানিয়েছে।”
অন্যদিকে এএসপি আজমল হোসেন বলেন, “তদন্তে শেলুর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে, তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কারো আপত্তি থাকলে তা আদালতে বলা উচিত।