, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মচারী সরোয়ারের পাহাড়সম সম্পদ নিয়ে তোলপাড়

  • প্রকাশের সময় : ১০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
  • ৮০ পড়া হয়েছে

 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:


 

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে কর্মরত এক সরকারি কর্মচারীর কোটি কোটি টাকার সম্পদের উৎস নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযুক্ত ওই কর্মচারীর নাম মো. সরোয়ার আলম। তিনি নাজির কাম ক্যাশিয়ার (সিএ টু ডিডিএলজি) পদে কর্মরত এবং ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা।

 

 

 

 

সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌরসভার কোদালিয়া এলাকার বাসিন্দা আলম মিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সরোয়ার আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ডিসি অফিসে দায়িত্ব পালনকালে জন্মসনদ প্রদান, চাকরি প্রদান, লাইসেন্স ইস্যু ও ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে তিনি কমিশন বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সরোয়ার আলমের জীবনযাত্রার মান ও বিপুল সম্পদ তার সরকারি বেতনের সাথে সাংঘর্ষিক। শহরের অভিজাত এলাকা সাবালিয়ায় বিলাসবহুল বাসা, বিলঘারিন্দা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, হাজরাঘাট এলাকায় একাধিক জমি, এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ রয়েছে তার।

 

অভিযোগ রয়েছে, তিনি এসটিএলএস নামের একটি অনলাইন জুয়া কোম্পানির টাঙ্গাইল অঞ্চলের মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছেন। এ কোম্পানি গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, যার প্রমাণ তার বিকাশ ও নগদ লেনদেনের তথ্য পরীক্ষা করলেই মিলবে।

 

 

 

 

পৌরসভার একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করে জানান, সাবেক মেয়র সিরাজুল হক আলমগীরের আমলে সরোয়ার পৌরসভার এক অসাধু কর্মচারীর সাথে যোগসাজশ করে একই ব্যক্তির নামে একাধিক জন্মসনদ ও সংশোধনী তৈরি করে বিপুল অর্থ আদায় করেছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পৌর প্রশাসক আইডি-পাসওয়ার্ড নিজের কাছে নিয়ে নেন।

 

তারা আরও বলেন, স্বল্প বেতনের একজন সরকারি কর্মচারীর পক্ষে এত বিপুল সম্পদ অর্জন সম্ভব নয়। তারা সরোয়ারের দুর্নীতির তদন্ত ও সম্পদের উৎস উদ্ঘাটনে দুদকের জরুরি অনুসন্ধান দাবি করেছেন।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরোয়ার আলম সাংবাদিকদের সাথে অসদাচরণ করেন এবং মন্তব্য করেন, “আমি কোনো তথ্য দিতে বাধ্য নই।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

টাঙ্গাইলে সরকারি কর্মচারী সরোয়ারের পাহাড়সম সম্পদ নিয়ে তোলপাড়

প্রকাশের সময় : ১০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫

 

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি:


 

টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয়ে কর্মরত এক সরকারি কর্মচারীর কোটি কোটি টাকার সম্পদের উৎস নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অভিযুক্ত ওই কর্মচারীর নাম মো. সরোয়ার আলম। তিনি নাজির কাম ক্যাশিয়ার (সিএ টু ডিডিএলজি) পদে কর্মরত এবং ঘাটাইল উপজেলার বাসিন্দা।

 

 

 

 

সম্প্রতি টাঙ্গাইল পৌরসভার কোদালিয়া এলাকার বাসিন্দা আলম মিয়া দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) সরোয়ার আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিন ডিসি অফিসে দায়িত্ব পালনকালে জন্মসনদ প্রদান, চাকরি প্রদান, লাইসেন্স ইস্যু ও ফাইল অনুমোদনের ক্ষেত্রে তিনি কমিশন বাণিজ্যের সাথে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সরোয়ার আলমের জীবনযাত্রার মান ও বিপুল সম্পদ তার সরকারি বেতনের সাথে সাংঘর্ষিক। শহরের অভিজাত এলাকা সাবালিয়ায় বিলাসবহুল বাসা, বিলঘারিন্দা এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট, হাজরাঘাট এলাকায় একাধিক জমি, এমনকি বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগ রয়েছে তার।

 

অভিযোগ রয়েছে, তিনি এসটিএলএস নামের একটি অনলাইন জুয়া কোম্পানির টাঙ্গাইল অঞ্চলের মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছেন। এ কোম্পানি গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে, যার প্রমাণ তার বিকাশ ও নগদ লেনদেনের তথ্য পরীক্ষা করলেই মিলবে।

 

 

 

 

পৌরসভার একাধিক কর্মচারী অভিযোগ করে জানান, সাবেক মেয়র সিরাজুল হক আলমগীরের আমলে সরোয়ার পৌরসভার এক অসাধু কর্মচারীর সাথে যোগসাজশ করে একই ব্যক্তির নামে একাধিক জন্মসনদ ও সংশোধনী তৈরি করে বিপুল অর্থ আদায় করেছিল। বিষয়টি টের পেয়ে পৌর প্রশাসক আইডি-পাসওয়ার্ড নিজের কাছে নিয়ে নেন।

 

তারা আরও বলেন, স্বল্প বেতনের একজন সরকারি কর্মচারীর পক্ষে এত বিপুল সম্পদ অর্জন সম্ভব নয়। তারা সরোয়ারের দুর্নীতির তদন্ত ও সম্পদের উৎস উদ্ঘাটনে দুদকের জরুরি অনুসন্ধান দাবি করেছেন।

 

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরোয়ার আলম সাংবাদিকদের সাথে অসদাচরণ করেন এবং মন্তব্য করেন, “আমি কোনো তথ্য দিতে বাধ্য নই।