, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

তুলার বস্তায় অভিনব কায়দায় ৪৯ কেজি গাঁজা রাখায় গ্রেপ্তার ৩

  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬১ পড়া হয়েছে

 

বিশেষ প্রতিনিধি


যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে একটি মিনি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে তুলার বস্তার ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৪৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব-১৪)। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে র‌্যাব-১৪’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের কমান্ডার কাওসার বাঁধন সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হচ্ছেন- ট্রাক চালক আমিনুল(৩৫), ট্রাকের হেলপার(চালকের সহকারী) বাবু(৩৬) এবং মাদক কারবারী মোজাহিদ (২৫)। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত তিন টার দিকে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

 

 

র‌্যাব-১৪’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের কমান্ডার কাওসার বাঁধন জানান, সোমবার দিনগত রাত সাড়ে তিন টার দিকে হবিগঞ্জ থেকে একটি মিনি ট্রাক গাজীপুর হয়ে তুলার ভেতর গাঁজা নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের মিনি ট্রাকে থাকা তুলার বস্তার ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা প্রায় মূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ৪৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদের কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

খাজনা-খারিজ থাকলেও জমি বিক্রিতে চক্রের হুমকি!
বিশেষ প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে খাজনা-খারিজ সহ সকল কাগজপত্র ও দখল থাকলেও জমি বিক্রি করতে মালিককে বাঁধা দিচ্ছে একটি চক্র। সখীপুর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের কালিয়াপাড়া ঘোনার চালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ওরফে ঘুঘুর মাহমুদের ছেলে আবুল কাশেম টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন।

জানাগেছে, কালিয়াপাড়া ঘোনার চালা গ্রামের আবুল কাশেম ওই মৌজার জেএল নং ২৮৬, বিএস খতিয়ান নং ২৩, ১০২৭, ১০২৬, ৫৫০, ২৯৭৬ এর বিএস দাগ নং ৬১৬৬, ৬৩৩১, ৬১৯২, ৬৩২৫, ৬১৬১ ও ৬১৬৫ মোট ৬টি আলাদা দাগে ২৪০ শতাংশ জমির মালিক। জমির মালিক হিসেবে তিনি যথারীতি নামখারিজ করে হাল সনের পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করেছেন। টাকার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি ওই জমি বিক্রি করার মনস্থ করেন। পরে জনৈক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়ে বায়নাপত্র করেন। কিন্তু আগের বর্গাদার লিয়াকত মাস্টার ও মোজাম্মেল মেলেটারী জমির ক্রেতাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি বিক্রিতে বাঁধার সৃষ্টি করছে। এক পর্যায়ে বর্গাদার লিয়াকত মাস্টার ও মোজাম্মেল মেলেটারী উচ্ছৃঙ্খল-লোভী রাব্বানী, হাছেন আলীগং সহ সংঘবদ্ধ চক্র নিয়ে আবুল কাশেমের পৈত্রিক জমি দখলের চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় স্থানীয় মাতব্বররা উদ্ভুত বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করে। সালিশে আবুল কাশেম উপস্থিত হলেও লিয়াকত মাস্টাররা উপস্থিত হয়নি। তারপরও তারা ক্রেতাকে জমি কিনতে নিষেধ করে এবং বিক্রেতা আবুল কাশেমের কাছে টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে আবুল কাশেম প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেন।

 

 

 

এ বিষয়ে লিয়াকত মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তারা ওই জমির কিয়দংশের বর্গাদার ছিলেন। জমি বিক্রি করতে চাইলে তাদের কাছেই বিক্রি করতে হবে- অন্য কারো কাছে নয়।

জমির মালিক আবুল কাশেম জানান, লিয়াকত মাস্টারগংরা তার কাছে সাড়ে ৭ লাখ টাকা দাবি করেছে- নাহলে জমি বিক্রি করতে দেবেনা। তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্র তৈরি করে ‘মব সন্ত্রাস’ করার ভয় দেখিয়ে জমির ক্রেতাকে হয়রানী করছে এবং তাকে জমি বিক্রিতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

তুলার বস্তায় অভিনব কায়দায় ৪৯ কেজি গাঁজা রাখায় গ্রেপ্তার ৩

প্রকাশের সময় : ০৮:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

 

বিশেষ প্রতিনিধি


যমুনা সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে একটি মিনি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে তুলার বস্তার ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৪৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার ও তিন ব্যক্তিকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র‌্যাব-১৪)। মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে র‌্যাব-১৪’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের কমান্ডার কাওসার বাঁধন সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আটককৃতরা হচ্ছেন- ট্রাক চালক আমিনুল(৩৫), ট্রাকের হেলপার(চালকের সহকারী) বাবু(৩৬) এবং মাদক কারবারী মোজাহিদ (২৫)। সোমবার (১৮ আগস্ট) রাত তিন টার দিকে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

 

 

র‌্যাব-১৪’র সিপিসি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের কমান্ডার কাওসার বাঁধন জানান, সোমবার দিনগত রাত সাড়ে তিন টার দিকে হবিগঞ্জ থেকে একটি মিনি ট্রাক গাজীপুর হয়ে তুলার ভেতর গাঁজা নিয়ে উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের মিনি ট্রাকে থাকা তুলার বস্তার ভেতর অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখা প্রায় মূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা মূল্যের ৪৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদের কালিহাতী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

খাজনা-খারিজ থাকলেও জমি বিক্রিতে চক্রের হুমকি!
বিশেষ প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলে খাজনা-খারিজ সহ সকল কাগজপত্র ও দখল থাকলেও জমি বিক্রি করতে মালিককে বাঁধা দিচ্ছে একটি চক্র। সখীপুর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের কালিয়াপাড়া ঘোনার চালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে ওই গ্রামের মৃত আব্দুর রহমান ওরফে ঘুঘুর মাহমুদের ছেলে আবুল কাশেম টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেছেন।

জানাগেছে, কালিয়াপাড়া ঘোনার চালা গ্রামের আবুল কাশেম ওই মৌজার জেএল নং ২৮৬, বিএস খতিয়ান নং ২৩, ১০২৭, ১০২৬, ৫৫০, ২৯৭৬ এর বিএস দাগ নং ৬১৬৬, ৬৩৩১, ৬১৯২, ৬৩২৫, ৬১৬১ ও ৬১৬৫ মোট ৬টি আলাদা দাগে ২৪০ শতাংশ জমির মালিক। জমির মালিক হিসেবে তিনি যথারীতি নামখারিজ করে হাল সনের পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করেছেন। টাকার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি ওই জমি বিক্রি করার মনস্থ করেন। পরে জনৈক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা নিয়ে বায়নাপত্র করেন। কিন্তু আগের বর্গাদার লিয়াকত মাস্টার ও মোজাম্মেল মেলেটারী জমির ক্রেতাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জমি বিক্রিতে বাঁধার সৃষ্টি করছে। এক পর্যায়ে বর্গাদার লিয়াকত মাস্টার ও মোজাম্মেল মেলেটারী উচ্ছৃঙ্খল-লোভী রাব্বানী, হাছেন আলীগং সহ সংঘবদ্ধ চক্র নিয়ে আবুল কাশেমের পৈত্রিক জমি দখলের চেষ্টা করে। এমতাবস্থায় স্থানীয় মাতব্বররা উদ্ভুত বিষয়টি সমাধানের জন্য উভয়পক্ষকে নিয়ে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করে। সালিশে আবুল কাশেম উপস্থিত হলেও লিয়াকত মাস্টাররা উপস্থিত হয়নি। তারপরও তারা ক্রেতাকে জমি কিনতে নিষেধ করে এবং বিক্রেতা আবুল কাশেমের কাছে টাকা দাবি করে। বাধ্য হয়ে আবুল কাশেম প্রতিকার চেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করেন।

 

 

 

এ বিষয়ে লিয়াকত মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তারা ওই জমির কিয়দংশের বর্গাদার ছিলেন। জমি বিক্রি করতে চাইলে তাদের কাছেই বিক্রি করতে হবে- অন্য কারো কাছে নয়।

জমির মালিক আবুল কাশেম জানান, লিয়াকত মাস্টারগংরা তার কাছে সাড়ে ৭ লাখ টাকা দাবি করেছে- নাহলে জমি বিক্রি করতে দেবেনা। তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্র তৈরি করে ‘মব সন্ত্রাস’ করার ভয় দেখিয়ে জমির ক্রেতাকে হয়রানী করছে এবং তাকে জমি বিক্রিতে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।