প্রকাশের সময় :
০২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৬৭
পড়া হয়েছে
ফুটপাতের গল্প: নিউ মার্কেটে জীবনের রঙ
সানজিদা আক্তার সিজা নিউ মার্কেট—শহরের ব্যস্ততম হৃদয়গুলোর একটিতে প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে ফুটপাতের ছোট ছোট জীবনের চিত্র। এখানকার রঙিন ঝোলার মাঝখানে ভিড়, পথচারীর অদৃশ্য ধাপ, আর রিকশার চাকা ঘোরার ধ্বনি এক মিলিত সুর তৈরি করে। সকাল থেকে বিকেল—ফুটপাতের এই জীবন্ত চিত্র কখনো শান্ত, কখনো হুলস্থূলে পরিণত হয়। সকালবেলা ফুটপাতটা কিছুটা নীরব থাকে। ছোট ছোট দোকানের মালিকরা নতুন পণ্য সাজাচ্ছেন, চায়ের দোকানগুলোতে কফির গন্ধ ভেসে আসে, আর পথচারীরা সতর্ক পদক্ষেপে হাঁটছেন। কেউ ব্যাগ হাতে কাজের পথে, কেউ স্কুল-কলেজের ইউনিফর্ম পরে ব্যস্ত। কেউ আবার বিক্রেতাদের সঙ্গে হালকা খুনসুটিতে মেতে উঠছে—ছোট্ট হাসি আর কথাবার্তা এই নীরবতায় প্রাণ সঞ্চার করে। দুপুরের দিকে ফুটপাতটি প্রাণ ফিরে পায়। রিকশা, সাইকেল, এবং হেঁটে আসা মানুষের ভিড় ফুটপাতকে যেন এক জীবন্ত নদীর মতো ঢেলে দেয়। ছোট দোকানগুলোর সামনে বিক্রেতারা হাওয়ার সাথে গলা মেলিয়ে দাম কমাচ্ছেন, কেউ কার্ট ঠেলছে, কেউ আবার ঝোলার খোঁজে ঘুরছে। বাচ্চারা দোকানের পাশে খেলে বেড়াচ্ছে, কখনো ধাক্কা খাচ্ছে, কখনো আবার হাসছে—শহরের ব্যস্ততার মাঝেও এই ছোট আনন্দ ফুটপাতকে প্রাণবন্ত রাখে। সন্ধ্যার আলো ফুটপাতকে অন্যরকম রূপে সাজায়। দোকানের ঝলমল আলো, বিক্রেতাদের গুঞ্জন এবং পথচারীর ছায়া এক অদ্ভুত উষ্ণতা তৈরি করে। কেউ এক কাপ চা নিয়ে বসে গল্প করছে, কেউ বন্ধুর সঙ্গে আড্ডায়—আর এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো শহরের দীর্ঘদিনের গল্প হিসেবে ফুটে থাকে। ফুটপাতের গল্প শুধু রাস্তাঘাট নয়; এটি শহরের ছোট ছোট জীবন, মানুষের হাসি, একাকীত্ব আর নীরবতা সবকিছুর মিলনস্থল। এখানে প্রতিটি ধাপ, প্রতিটি চোখের ঝলক, প্রতিটি ছোট্ট আড্ডা একে একে গল্প বলে—যা শহরের ভিড়ের মাঝে এক অদৃশ্য সুর সৃষ্টি করে।
সানজিদা আক্তার সিজা
নিউ মার্কেট—শহরের ব্যস্ততম হৃদয়গুলোর একটিতে প্রবেশ করলে প্রথমেই চোখে পড়ে ফুটপাতের ছোট ছোট জীবনের চিত্র। এখানকার রঙিন ঝোলার মাঝখানে ভিড়, পথচারীর অদৃশ্য ধাপ, আর রিকশার চাকা ঘোরার ধ্বনি এক মিলিত সুর তৈরি করে। সকাল থেকে বিকেল—ফুটপাতের এই জীবন্ত চিত্র কখনো শান্ত, কখনো হুলস্থূলে পরিণত হয়।
সকালবেলা ফুটপাতটা কিছুটা নীরব থাকে। ছোট ছোট দোকানের মালিকরা নতুন পণ্য সাজাচ্ছেন, চায়ের দোকানগুলোতে কফির গন্ধ ভেসে আসে, আর পথচারীরা সতর্ক পদক্ষেপে হাঁটছেন। কেউ ব্যাগ হাতে কাজের পথে, কেউ স্কুল-কলেজের ইউনিফর্ম পরে ব্যস্ত। কেউ আবার বিক্রেতাদের সঙ্গে হালকা খুনসুটিতে মেতে উঠছে—ছোট্ট হাসি আর কথাবার্তা এই নীরবতায় প্রাণ সঞ্চার করে।
দুপুরের দিকে ফুটপাতটি প্রাণ ফিরে পায়। রিকশা, সাইকেল, এবং হেঁটে আসা মানুষের ভিড় ফুটপাতকে যেন এক জীবন্ত নদীর মতো ঢেলে দেয়। ছোট দোকানগুলোর সামনে বিক্রেতারা হাওয়ার সাথে গলা মেলিয়ে দাম কমাচ্ছেন, কেউ কার্ট ঠেলছে, কেউ আবার ঝোলার খোঁজে ঘুরছে। বাচ্চারা দোকানের পাশে খেলে বেড়াচ্ছে, কখনো ধাক্কা খাচ্ছে, কখনো আবার হাসছে—শহরের ব্যস্ততার মাঝেও এই ছোট আনন্দ ফুটপাতকে প্রাণবন্ত রাখে।
সন্ধ্যার আলো ফুটপাতকে অন্যরকম রূপে সাজায়। দোকানের ঝলমল আলো, বিক্রেতাদের গুঞ্জন এবং পথচারীর ছায়া এক অদ্ভুত উষ্ণতা তৈরি করে। কেউ এক কাপ চা নিয়ে বসে গল্প করছে, কেউ বন্ধুর সঙ্গে আড্ডায়—আর এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলো শহরের দীর্ঘদিনের গল্প হিসেবে ফুটে থাকে।
ফুটপাতের গল্প শুধু রাস্তাঘাট নয়; এটি শহরের ছোট ছোট জীবন, মানুষের হাসি, একাকীত্ব আর নীরবতা সবকিছুর মিলনস্থল। এখানে প্রতিটি ধাপ, প্রতিটি চোখের ঝলক, প্রতিটি ছোট্ট আড্ডা একে একে গল্প বলে—যা শহরের ভিড়ের মাঝে এক অদৃশ্য সুর সৃষ্টি করে।