নিজস্ব প্রতিবেদক লালন সঙ্গীতের অমর সাধক, বরেণ্য শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই। বাংলা লোকসঙ্গীতের আকাশ থেকে নিভে গেল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। আজ সন্ধ্যার পর কুষ্টিয়ার মাটিতে, বাবা-মায়ের কবরের পাশে, তাকে শায়িত করা হবে চিরশান্তির ঘুমে। বাংলা গানের জগতে তিনি শুধু একজন শিল্পী ছিলেন না, ছিলেন এক সেতুবন্ধন—যিনি লালনের গানকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন হৃদয়ের ভাষায়। এজন্যই দেশবাসী তাকে স্নেহভরে “লালন কন্যা” বলে সম্বোধন করত। তার কণ্ঠে লালনের গান মানে ছিল গভীর ধ্যান, বাউল দর্শনের এক অনবদ্য ব্যাখ্যা। আজ সেই কণ্ঠ থেমে গেছে, অথচ তার সুর অমর হয়ে থাকবে কাল থেকে কালে। কুষ্টিয়ার আকাশে আজ শোকের ছায়া। ভক্ত, অনুরাগী, সংস্কৃতিকর্মী সবাই শোকাভিভূত। জানাজা শেষে প্রিয় শিল্পীকে যখন তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত করা হবে, তখন কুষ্টিয়ার মাটি বুকে তুলে নেবে তার আজীবনের সাধনা ও অবদান। ফরিদা পারভীনের চলে যাওয়া শুধু সংগীতাঙ্গনের ক্ষতি নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অপূরণীয় শূন্যতা। তবে তার গাওয়া গান, তার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জাগ্রত করবে ভক্তি, মানবতা আর জীবনের প্রকৃত দর্শন।
নিজস্ব প্রতিবেদক
লালন সঙ্গীতের অমর সাধক, বরেণ্য শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নেই। বাংলা লোকসঙ্গীতের আকাশ থেকে নিভে গেল এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। আজ সন্ধ্যার পর কুষ্টিয়ার মাটিতে, বাবা-মায়ের কবরের পাশে, তাকে শায়িত করা হবে চিরশান্তির ঘুমে।
বাংলা গানের জগতে তিনি শুধু একজন শিল্পী ছিলেন না, ছিলেন এক সেতুবন্ধন—যিনি লালনের গানকে ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলেন হৃদয়ের ভাষায়। এজন্যই দেশবাসী তাকে স্নেহভরে “লালন কন্যা” বলে সম্বোধন করত।
তার কণ্ঠে লালনের গান মানে ছিল গভীর ধ্যান, বাউল দর্শনের এক অনবদ্য ব্যাখ্যা। আজ সেই কণ্ঠ থেমে গেছে, অথচ তার সুর অমর হয়ে থাকবে কাল থেকে কালে।
কুষ্টিয়ার আকাশে আজ শোকের ছায়া। ভক্ত, অনুরাগী, সংস্কৃতিকর্মী সবাই শোকাভিভূত। জানাজা শেষে প্রিয় শিল্পীকে যখন তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে শায়িত করা হবে, তখন কুষ্টিয়ার মাটি বুকে তুলে নেবে তার আজীবনের সাধনা ও অবদান।
ফরিদা পারভীনের চলে যাওয়া শুধু সংগীতাঙ্গনের ক্ষতি নয়, এটি বাঙালি সংস্কৃতির এক অপূরণীয় শূন্যতা। তবে তার গাওয়া গান, তার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকার প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জাগ্রত করবে ভক্তি, মানবতা আর জীবনের প্রকৃত দর্শন।