শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অনার্স ফর্ম ভেরিফিকেশনে অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
প্রকাশের সময় :
০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
৫১
পড়া হয়েছে
শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে অনার্স ফর্ম ভেরিফিকেশনে অনিয়মের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষ (২০২৩–২০২৪ সেশন) পরীক্ষার ফর্ম ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানান, নির্ধারিত সময়ে ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়ার পরও বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিস সহকারী আতিক সময়মতো ভেরিফিকেশন করেননি। এমনকি সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিষয়টি অন্যের মাধ্যমে জানানো হয়। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কিছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণের জন্য টাকা নিয়ে দ্রুত ভেরিফিকেশন করেছেন। কিন্তু যারা বাইরে থেকে ফর্ম পূরণ করেছেন, তাদের প্রতি অবহেলা ও অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে। ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী তারেক হাসান বলেন, “আমাদের ফর্ম ফিলাপের লাস্ট ডেট ছিল ১১ তারিখ পর্যন্ত। আর কলেজ ভেরিফিকেশনের শেষ তারিখ ছিল ১৩ তারিখ। আমি ৯ তারিখেই ফর্ম পূরণ করি, কিন্তু জমা দিতে পারিনি। ১১ তারিখ বিকেলে বিভাগের অফিস সহকারী সোহাগ ভাইয়ের মাধ্যমে আমি আতিক ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাই, কিন্তু তিনি ভেরিফিকেশন করেননি। অন্য এক শিক্ষার্থীও সাড়ে তিনটার মধ্যে ফর্ম ভেরিফিকেশনের কথা বললেও তিনি অস্বীকৃতি জানান।” জানা গেছে, আতিক শুধু ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগই নয়, বরং বাংলা বিভাগসহ আরও দুইটি বিভাগের কম্পিউটার-সংক্রান্ত কাজও একাই দেখেন। ফলে একাধিক বিভাগের ভেরিফিকেশন ও অনলাইন কার্যক্রম এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকায় অনিয়মের অভিযোগ আরও বাড়ছে। অভিযোগের বিষয়ে অফিস সহকারী আতিক দাবি করেন, “এগুলো ভিত্তিহীন অভিযোগ। যে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছে তাকে আমিই সাহায্য করেছি। শুক্রবার আমার কাছে একটি পিডিএফ আসে, আমি বলি এভাবে হবে না, ম্যাডামের সিগনেচার লাগবে। পরে রবিবার দেখি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার বন্ধ। তখনই আমি তাদের ফোন দিয়ে জানাই—কাজটি করতে হলে আবেদনপত্র দিতে হবে। পরে সার্ভার চালু হলে আমি তাদের কাজ করে দিই।” তিনি আরও বলেন, “টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণ করার অভিযোগও সত্য নয়। ২০২১ সালে যখন আমার কোচিং ছিল তখন অনেক শিক্ষার্থী ফর্ম পূরণে সমস্যায় পড়লে আমি সাহায্য করেছি। এখনও যারা পাসওয়ার্ড ভুলে যায় বা সমস্যায় পড়ে, আমি শুধু সহযোগিতা করি।” তবে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এ ধরনের অনিয়ম পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কলেজ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে অনার্স প্রথম বর্ষ (২০২৩–২০২৪ সেশন) পরীক্ষার ফর্ম ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দায়িত্বহীনতার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
শিক্ষার্থীরা জানান, নির্ধারিত সময়ে ফর্ম পূরণ ও জমা দেওয়ার পরও বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিস সহকারী আতিক সময়মতো ভেরিফিকেশন করেননি। এমনকি সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিষয়টি অন্যের মাধ্যমে জানানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে, তিনি কিছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ফরম পূরণের জন্য টাকা নিয়ে দ্রুত ভেরিফিকেশন করেছেন। কিন্তু যারা বাইরে থেকে ফর্ম পূরণ করেছেন, তাদের প্রতি অবহেলা ও অপমানজনক আচরণ করা হয়েছে।
ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী তারেক হাসান বলেন, “আমাদের ফর্ম ফিলাপের লাস্ট ডেট ছিল ১১ তারিখ পর্যন্ত। আর কলেজ ভেরিফিকেশনের শেষ তারিখ ছিল ১৩ তারিখ। আমি ৯ তারিখেই ফর্ম পূরণ করি, কিন্তু জমা দিতে পারিনি। ১১ তারিখ বিকেলে বিভাগের অফিস সহকারী সোহাগ ভাইয়ের মাধ্যমে আমি আতিক ভাইকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাই, কিন্তু তিনি ভেরিফিকেশন করেননি। অন্য এক শিক্ষার্থীও সাড়ে তিনটার মধ্যে ফর্ম ভেরিফিকেশনের কথা বললেও তিনি অস্বীকৃতি জানান।”
জানা গেছে, আতিক শুধু ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগই নয়, বরং বাংলা বিভাগসহ আরও দুইটি বিভাগের কম্পিউটার-সংক্রান্ত কাজও একাই দেখেন। ফলে একাধিক বিভাগের ভেরিফিকেশন ও অনলাইন কার্যক্রম এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত থাকায় অনিয়মের অভিযোগ আরও বাড়ছে।
অভিযোগের বিষয়ে অফিস সহকারী আতিক দাবি করেন, “এগুলো ভিত্তিহীন অভিযোগ। যে শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছে তাকে আমিই সাহায্য করেছি। শুক্রবার আমার কাছে একটি পিডিএফ আসে, আমি বলি এভাবে হবে না, ম্যাডামের সিগনেচার লাগবে। পরে রবিবার দেখি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্ভার বন্ধ। তখনই আমি তাদের ফোন দিয়ে জানাই—কাজটি করতে হলে আবেদনপত্র দিতে হবে। পরে সার্ভার চালু হলে আমি তাদের কাজ করে দিই।”
তিনি আরও বলেন, “টাকার বিনিময়ে ফরম পূরণ করার অভিযোগও সত্য নয়। ২০২১ সালে যখন আমার কোচিং ছিল তখন অনেক শিক্ষার্থী ফর্ম পূরণে সমস্যায় পড়লে আমি সাহায্য করেছি। এখনও যারা পাসওয়ার্ড ভুলে যায় বা সমস্যায় পড়ে, আমি শুধু সহযোগিতা করি।”
তবে শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এ ধরনের অনিয়ম পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে কলেজ প্রশাসনের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।