প্রকাশের সময় :
০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
৫৩
পড়া হয়েছে
শেষ হলো লালন উৎসব, বাড়ি ফিরছেন ভক্তরা
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী আধ্যাত্মিক মিলনমেলা লালন উৎসব শেষ হয়েছে আজ শনিবার বিকেলে। উৎসব শেষে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা লালনভক্ত, সাধক ও দর্শনার্থীরা ফিরছেন নিজ নিজ গন্তব্যে। লালন একাডেমি প্রাঙ্গণসহ গোটা ছেঁউড়িয়া এলাকাজুড়ে গত তিন দিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। আখড়াবাড়িতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভক্তদের একতারা, খোল, ঢোল ও করতালের তালে মুখর ছিল লালনের বাণীমুখর গান— “মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি রে”। উৎসব উপলক্ষে লালনভক্তদের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ ও জাত-পাতের বিভেদ ভুলে এক মানবতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ভক্তিসঙ্গীত, ভাবগান, আলাপচারিতা ও ধ্যানে অংশ নেন। বিদেশ থেকেও বহু গবেষক ও দর্শনার্থী অংশ নেন এ আধ্যাত্মিক সমাবেশে। আজ সকাল থেকেই ভক্তরা ফিরতে শুরু করেন কাঁধে একতারা আর মুখে লালনের গান নিয়ে। কেউ ট্রাকে, কেউ বাসে, কেউবা হেঁটে ছুটছেন ঘরে ফেরার পথে। বিদায়বেলায় অনেকেই জানালেন আবেগঘন অনুভূতি— “লালনের গান শুনে মন ভরে যায়, কিন্তু ফিরে যেতে কষ্ট হয়।” লালন একাডেমির কর্মকর্তারা জানান, এবারের উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উৎসব শেষ হলেও ভক্তদের মনে থেকে গেছে লালনের চিরন্তন বাণী— “সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে, লালন বলে জাতের কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।”
কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী আধ্যাত্মিক মিলনমেলা লালন উৎসব শেষ হয়েছে আজ শনিবার বিকেলে। উৎসব শেষে দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা লালনভক্ত, সাধক ও দর্শনার্থীরা ফিরছেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
লালন একাডেমি প্রাঙ্গণসহ গোটা ছেঁউড়িয়া এলাকাজুড়ে গত তিন দিন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছিল। আখড়াবাড়িতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভক্তদের একতারা, খোল, ঢোল ও করতালের তালে মুখর ছিল লালনের বাণীমুখর গান—
“মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি রে”।
উৎসব উপলক্ষে লালনভক্তদের মধ্যে ধর্ম, বর্ণ ও জাত-পাতের বিভেদ ভুলে এক মানবতার বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই ভক্তিসঙ্গীত, ভাবগান, আলাপচারিতা ও ধ্যানে অংশ নেন। বিদেশ থেকেও বহু গবেষক ও দর্শনার্থী অংশ নেন এ আধ্যাত্মিক সমাবেশে।
আজ সকাল থেকেই ভক্তরা ফিরতে শুরু করেন কাঁধে একতারা আর মুখে লালনের গান নিয়ে। কেউ ট্রাকে, কেউ বাসে, কেউবা হেঁটে ছুটছেন ঘরে ফেরার পথে। বিদায়বেলায় অনেকেই জানালেন আবেগঘন অনুভূতি—
“লালনের গান শুনে মন ভরে যায়, কিন্তু ফিরে যেতে কষ্ট হয়।”
লালন একাডেমির কর্মকর্তারা জানান, এবারের উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল অত্যন্ত সন্তোষজনক। কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
উৎসব শেষ হলেও ভক্তদের মনে থেকে গেছে লালনের চিরন্তন বাণী—
“সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে, লালন বলে জাতের কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।”