প্রকাশের সময় :
০৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
৭৯
পড়া হয়েছে
শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও সামাজিক দায়িত্ব বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত
ডেস্ক রিপোর্ট : শনিবার, ২৬ জুলাই: “শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও সামাজিক দায়িত্ব: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হালসা আদর্শ ডিগ্রী কলেজ অডিটোরিয়াম রুমে। শনিবার সকালে আয়োজিত এই সেমিনারে স্থানীয় পর্যায়ের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং সামাজিক নেতৃত্বধারীরা অংশগ্রহণ করেন। সেমিনারের প্রথমেই জুলাই আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা এবং মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে আহত ও নিহতের জন্য দোয়া করা হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হালসা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক সাহেব আলী। সেমিনারে শিক্ষকরা ৯ টি সুপারিশ তুলে ধরেন। সুপারিশ সমূহ: ১. শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা। ২. একই ধারার বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করা। ৩. শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা বৈষম্য দূর করা। ৪. শিক্ষাকার্যক্রমে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহনের মাধ্যমে সচ্ছতা জবাব দিহিতা নিশ্চিত করা। ৫. প্রাথমিক মাধ্যমিক স্তরে মেধাবি ও উচ্চতর ডিগ্রীধারি শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা। ৬. শিক্ষা খাতে ব্যয় নয়, বিনিয়োগ হিসেবে এ খাতে বাজেট বৃদ্ধি করা। ৭. ইউনেস্কো ও ডাকার ঘোষণা অনুযায়ী জিডিপির ৬% শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা। ৮. শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন কমিশন গঠন করা। এ ছাড়াও তুলে ধরা হয় শিক্ষক ও শিক্ষার বাস্তবতা, বলা হয় শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা না থাকলেও এক সময় সন্মান ছিল যা বিভিন্ন অসংগতির কারনে হারিয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার কৃতি সন্তান ও কুষ্টিয়া ২ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মৃত আব্দুর রউফ চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান বিশিষ্ট আইনজীবি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী। তিনি বলেন শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকের যেমন গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ রাজনীতি ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মানেই একটি আয়ের উৎস মনে করেন সবাই। যার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না। নওদাআজমপুর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ সরোয়ার হোসেন বলেন আমাদের শিক্ষার মান কেন এখন উন্নয়ন করতে হবে শিক্ষার মান কেন আগে উন্নয়ন করা হয়নি। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্হাকে ধংস করেছে কারা আপনারা সবাই জানেন। আমরা যারা শিক্ষক তাদের বলা হতো কোন ছাত্র যেন ফেল না করে যে কোন ভাবে তাদের পাস করাতে হবে। তাই আমরা সব ছাত্রদের পাস করিয়ে দিতাম। এতে করে শিক্ষার মান নষ্ট হয়েছে। আমাদের শিক্ষকেরা শুধু শ্রেণিকক্ষে নয়, সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষকদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধকে আরও জোরালো করতে হবে।” সেমিনারের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সভাপতিত্ব করেন হালসা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন। যিনি অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ আরও গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ডেস্ক রিপোর্ট :
শনিবার, ২৬ জুলাই: “শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক ও সামাজিক দায়িত্ব: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার হালসা আদর্শ ডিগ্রী কলেজ অডিটোরিয়াম রুমে। শনিবার সকালে আয়োজিত এই সেমিনারে স্থানীয় পর্যায়ের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, কলেজের অধ্যক্ষবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, অভিভাবক এবং সামাজিক নেতৃত্বধারীরা অংশগ্রহণ করেন।
সেমিনারের প্রথমেই জুলাই আন্দোলনে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা এবং মাইলস্টোন স্কুল এন্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তে আহত ও নিহতের জন্য দোয়া করা হয়।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন হালসা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের ইংরেজী বিভাগের প্রভাষক সাহেব আলী। সেমিনারে শিক্ষকরা ৯ টি সুপারিশ তুলে ধরেন।
সুপারিশ সমূহ:
১. শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করণ করা।
২. একই ধারার বিজ্ঞান ভিত্তিক শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করা।
৩. শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের সুযোগ সুবিধা বৈষম্য দূর করা।
৪. শিক্ষাকার্যক্রমে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহনের মাধ্যমে সচ্ছতা জবাব দিহিতা নিশ্চিত করা।
৫. প্রাথমিক মাধ্যমিক স্তরে মেধাবি ও উচ্চতর ডিগ্রীধারি শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা করা।
৬. শিক্ষা খাতে ব্যয় নয়, বিনিয়োগ হিসেবে এ খাতে বাজেট বৃদ্ধি করা।
৭. ইউনেস্কো ও ডাকার ঘোষণা অনুযায়ী জিডিপির ৬% শিক্ষাখাতে পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা।
৮. শিক্ষকদের জন্য পৃথক বেতন কমিশন গঠন করা।
এ ছাড়াও তুলে ধরা হয় শিক্ষক ও শিক্ষার বাস্তবতা, বলা হয় শিক্ষকদের আর্থিক সুবিধা না থাকলেও এক সময় সন্মান ছিল যা বিভিন্ন অসংগতির কারনে হারিয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার কৃতি সন্তান ও কুষ্টিয়া ২ আসনের তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য মৃত আব্দুর রউফ চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান বিশিষ্ট আইনজীবি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী। তিনি বলেন শিক্ষার মান উন্নয়নে অভিভাবকের যেমন গুরুত্ব রয়েছে ঠিক তেমনি ভাবে শিক্ষকদেরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। উভয়ের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব। সেই সঙ্গে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সম্পূর্ণ রাজনীতি ও দুর্নীতিমুক্ত রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মানেই একটি আয়ের উৎস মনে করেন সবাই। যার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা সম্ভব হয় না।
নওদাআজমপুর টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজের অধ্যক্ষ সরোয়ার হোসেন বলেন আমাদের শিক্ষার মান কেন এখন উন্নয়ন করতে হবে শিক্ষার মান কেন আগে উন্নয়ন করা হয়নি। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্হাকে ধংস করেছে কারা আপনারা সবাই জানেন। আমরা যারা শিক্ষক তাদের বলা হতো কোন ছাত্র যেন ফেল না করে যে কোন ভাবে তাদের পাস করাতে হবে। তাই আমরা সব ছাত্রদের পাস করিয়ে দিতাম। এতে করে শিক্ষার মান নষ্ট হয়েছে।
আমাদের শিক্ষকেরা শুধু শ্রেণিকক্ষে নয়, সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। সমাজ ও রাষ্ট্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে হলে শিক্ষকদের সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি ও মূল্যবোধকে আরও জোরালো করতে হবে।”
সেমিনারের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সভাপতিত্ব করেন হালসা আদর্শ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন। যিনি অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে এমন উদ্যোগ আরও গ্রহণের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।