চার-পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
প্রকাশের সময় :
০৮:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
৭৮
পড়া হয়েছে
চার-পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবেন প্রধান উপদেষ্টা
ডেস্ক রিপোর্ট : আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)-এর চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার। শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ১৪টি রাজনৈতিক দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই তথ্য জানান। মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন তিনি আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের সময় ও তারিখ ঘোষণা করবেন। এর চেয়ে আনন্দের বার্তা আর কিছু হতে পারে না। তিনি আরো বলেন, নৈরাজ্যের সমাধান করবে নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে এবং অনেক সমস্যার সমাধান হবে। এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দুই দফায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। শনিবার বিকেলে আরও ১৪টি রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি ও একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আয়োজন।
ডেস্ক রিপোর্ট :
আগামী চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর)-এর চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার।
শনিবার (২৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ১৪টি রাজনৈতিক দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন তিনি আগামী চার-পাঁচ দিনের মধ্যে নির্বাচনের সময় ও তারিখ ঘোষণা করবেন। এর চেয়ে আনন্দের বার্তা আর কিছু হতে পারে না।
তিনি আরো বলেন, নৈরাজ্যের সমাধান করবে নির্বাচন। নির্বাচনের মাধ্যমেই দেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরবে এবং অনেক সমস্যার সমাধান হবে।
এর আগে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস দুই দফায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। শনিবার বিকেলে আরও ১৪টি রাজনৈতিক দল ও জোটের নেতাদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, এসব বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় ঐকমত্য সৃষ্টি ও একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের আয়োজন।