, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ কুষ্টিয়ার মিরপুরে পারিবারিক কলহে স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগে স্বামী প্রথম স্ত্রী সহ গ্রেফতার-৩ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলা পরিষদের তিন দপ্তরে চুরির চেষ্টা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর এক গরু ব্যবসায়ীর গরু ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ  কুষ্টিয়ার মিরপুরে আন্তজার্তিক নারী দিবস পালিত পানছড়িতে ৩ বিজিবি লোগাং জোনের উদ্যোগে দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আমলা-সদরপুর ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে এমপি আব্দুল গফুরের সঙ্গে কর্মকর্তাদের মতবিনিময় ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত।  কুষ্টিয়ার মিরপুরে জামায়াতের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুরে জিকে ক্যানেল থেকে নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার

হৃদরোগ বিভাগের সহানুভূতিশীল চিকিৎসক ফুলবাড়িয়ার শফিকুর রহমান

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
  • ১২৪ পড়া হয়েছে

 

মোঃ হাবিব, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:


 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সহানুভূতিশীল চিকিৎসক ডক্টর এসোসিয়েশন অব ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান।
তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বাক্তা ইউনিয়ন কৃতি সন্তান প্রতিদিনের ন্যায় ম মে ক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সরকারি নিয়ম অনুয়ায়ী রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
তার ব্যবহারে রোগীরা সত্যিকারের ভালোবাসা ও সততা হতে হয়।একজন চিকিৎসকের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে রোগীকে সম্মান করা। কোনোরূপ তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করা। বন্ধুসুলভ আচরণ করা।প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার(৩১ জুলাই) সকালে ফুলবাড়ীয়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলাল উদ্দিনকে প্রতিদিন তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নিচ্ছে।

 

 

 

আরও জানা যায়, হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সকল মানুষকে তো সে চিনে না। রাউন্ডের সময় ভর্তি কাগজ দেখে সে খোঁজ পায় বাড়ী তার ফুলবাড়ীয়া সাথে সাথে তার যাবতীয় সকল চিকিৎসা ব্যবস্তা করেন এই সহানুভূতিশীল চিকিৎসক।শুধু তাই নয় তার ইউনিটের সকল রোগীর প্রতি সমান চোখে দেখেন।
গত কয়েকদিন আগে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইব্রাহিম খলিল সানি হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়। ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।সানীর বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন পরিবারবর্গ সবাই চীর কৃতজ্ঞ।

 

 

সাংবাদিক এসএম গোলাম ফারুক আকন্দ বলেন,ভালো মানুষ ও ভালো ডাক্তার যাকে বলে সে হলো আমাদের প্রিয় শফিক ভাই।পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব
আলাল উদ্দিনের পুত্র আসিফ আহমেদ বলেন, ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান স্যার প্রতিদিন আমার পিতার খোঁজ খবর নেয়।সঠিক চিকিৎসা সেবা দিয়েছে।আমি ডাঃ শফিকুর রহমান স্যারের প্রতি চীর কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তায়ালা যেন স্যার এর মনে আশা পুরন করে আমিন।
রোগীর লোক ও সিনিয়র ষ্টাফ নার্স আক্ষেপ করে বলেন,ডাঃ শফিকুর রহমান সে ভালো মানুষ ভালো ডাক্তার তার মনে কোন রাগ গোসা নেই।যত্ন সহকারে হৃদরোগ বিভাগের রোগী দেখেন আমার রোগী তার ইউনিটে না তার পরেও সে কালার ইকো কার্ডিওগ্রাম করে দিল।

 

 

বাক্তা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান আতিক খান বলেন,ডাঃ শফিক আমার এলাকার সন্তান আমি যে কোন সময় হৃদরোগ বিভাগে গিয়েছি সর্বোচ্চ সেবা পেয়েছি।

ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন,প্রতিদিন সকালে আসি সকল রোগী দেখে তার পর কর্মস্থল ত্যাগ করি।আমি চেষ্টা করি সকল রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। সেবা নিন-সুস্থ থাকুন।

জামালগঞ্জে অসহায় ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ

হৃদরোগ বিভাগের সহানুভূতিশীল চিকিৎসক ফুলবাড়িয়ার শফিকুর রহমান

প্রকাশের সময় : ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫

 

মোঃ হাবিব, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:


 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সহানুভূতিশীল চিকিৎসক ডক্টর এসোসিয়েশন অব ড্যাবের কোষাধ্যক্ষ ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান।
তিনি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বাক্তা ইউনিয়ন কৃতি সন্তান প্রতিদিনের ন্যায় ম মে ক হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগের সরকারি নিয়ম অনুয়ায়ী রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।
তার ব্যবহারে রোগীরা সত্যিকারের ভালোবাসা ও সততা হতে হয়।একজন চিকিৎসকের অন্যতম দায়িত্ব হচ্ছে রোগীকে সম্মান করা। কোনোরূপ তুচ্ছতাচ্ছিল্য না করা। বন্ধুসুলভ আচরণ করা।প্রতিদিনের ন্যায় বৃহস্পতিবার(৩১ জুলাই) সকালে ফুলবাড়ীয়া পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলাল উদ্দিনকে প্রতিদিন তার চিকিৎসার খোঁজ খবর নিচ্ছে।

 

 

 

আরও জানা যায়, হৃদরোগ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান ফুলবাড়ীয়া উপজেলার সকল মানুষকে তো সে চিনে না। রাউন্ডের সময় ভর্তি কাগজ দেখে সে খোঁজ পায় বাড়ী তার ফুলবাড়ীয়া সাথে সাথে তার যাবতীয় সকল চিকিৎসা ব্যবস্তা করেন এই সহানুভূতিশীল চিকিৎসক।শুধু তাই নয় তার ইউনিটের সকল রোগীর প্রতি সমান চোখে দেখেন।
গত কয়েকদিন আগে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইব্রাহিম খলিল সানি হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হয়। ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।সানীর বন্ধুবান্ধব আত্মীয়-স্বজন পরিবারবর্গ সবাই চীর কৃতজ্ঞ।

 

 

সাংবাদিক এসএম গোলাম ফারুক আকন্দ বলেন,ভালো মানুষ ও ভালো ডাক্তার যাকে বলে সে হলো আমাদের প্রিয় শফিক ভাই।পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব
আলাল উদ্দিনের পুত্র আসিফ আহমেদ বলেন, ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান স্যার প্রতিদিন আমার পিতার খোঁজ খবর নেয়।সঠিক চিকিৎসা সেবা দিয়েছে।আমি ডাঃ শফিকুর রহমান স্যারের প্রতি চীর কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তায়ালা যেন স্যার এর মনে আশা পুরন করে আমিন।
রোগীর লোক ও সিনিয়র ষ্টাফ নার্স আক্ষেপ করে বলেন,ডাঃ শফিকুর রহমান সে ভালো মানুষ ভালো ডাক্তার তার মনে কোন রাগ গোসা নেই।যত্ন সহকারে হৃদরোগ বিভাগের রোগী দেখেন আমার রোগী তার ইউনিটে না তার পরেও সে কালার ইকো কার্ডিওগ্রাম করে দিল।

 

 

বাক্তা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান আতিক খান বলেন,ডাঃ শফিক আমার এলাকার সন্তান আমি যে কোন সময় হৃদরোগ বিভাগে গিয়েছি সর্বোচ্চ সেবা পেয়েছি।

ডাঃ মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেন,প্রতিদিন সকালে আসি সকল রোগী দেখে তার পর কর্মস্থল ত্যাগ করি।আমি চেষ্টা করি সকল রোগীকে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য। সেবা নিন-সুস্থ থাকুন।