প্রকাশের সময় :
০৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
৮৭
পড়া হয়েছে
ভালুকার একজন নিরব সাধকের গল্প
ভালুকা উপজেলা প্রতিনিধি: আলহাজ্ব এম এ হামিদ কারী যাঁর জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ এক নিঃশব্দ বিপ্লব রাজনীতির মঞ্চে অনেক নেতা আসেন যান। কেউ কেউ ইতিহাসে ঠাঁই পান কর্মকাণ্ডে, কেউ শুধুই আলোচনায়। কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন যাঁরা নিরব থেকে সমাজ ও মানুষের জন্য করে যান এমন কাজ, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণ রাখে। আলহাজ্ব এম এ হামিদ কারী তেমনই এক নাম যিনি রাজনীতিকে করেছেন সেবার হাতিয়ার, নেতৃত্বকে করেছেন দায়িত্বের প্রতীক। পরিচয় যাঁর নম্রতায়, নেতৃত্ব যাঁর চরিত্রে তিনি রাজনীতিক কিন্তু রাজনীতির মঞ্চে কখনো গর্জন করেননি অহংকারে। বরং তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে ফুটে উঠেছে নম্রতা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ। তিনি সাবেক ময়মনসিংহ সাবেক দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, ধাইরাপাড়া ওয়াহেদিয়া কওমি মাদ্রাসার সভাপতি ও ভালুকা পাঁচ রাস্তা জামে মসজিদের সভাপতি এবং বর্তমানে ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর আগমন গণমানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন। আল্লাহর জন্য মানুষের কল্যাণে নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ কোটি টাকার জমিতে ভালুকা পাঁচ রাস্তার মোড়ে গড়ে তুলেছেন এক বিশাল জামে মসজিদ, যা এখন হাজারো মানুষকে ইবাদতের সুযোগ করে দিচ্ছে। ধাইরাপাড়ায় ৪ কোটি টাকার জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি মাদ্রাসা, যেখানে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করছে। এসব শুধুই স্থাপনা নয় এসব হল তাঁর আল্লাহভীতি, সমাজপ্রেম ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়িত্ববোধের বাস্তব উদাহরণ। সেবা, শান্তি ও সাহসিকতার স্বপ্ন। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন: “ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে পারলে, আমি প্রতিজ্ঞা করছি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত এক শান্তির ভালুকা গড়ে তুলবো। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিব।” এই প্রতিশ্রুতি শুধু কথায় নয় তিনি ইতোমধ্যে তার প্রমাণ দিয়ে গেছেন কাজে, ত্যাগে ও নীরব প্রচেষ্টায়। একটি প্রশ্ন, একটি চাওয়া আজ ভালুকার মানুষকে একটি প্রশ্ন করতে হয় আমরা কী এমন একজন নেতা চাই, যিনি কথা দেন আর ভুলে যান? নাকী এমন একজন, যিনি কথা না দিয়েও প্রমাণ করে দেন আমার হৃদয়ে আছেন আপনারা? তিনি সেই মানুষ যাঁর মধ্যে আছে প্রকৃত নেতৃত্বের ছাপ, যিনি জানেন কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়, আবার কীভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। তিনি দান করেন কিন্তু প্রচার করেন না। তিনি কাজ করেন কিন্তু আত্মপ্রচারের জন্য নয়, বরং মানুষের দোয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। তিনি কোনোদিন কারও বিরুদ্ধে নয় সবসময় থাকেন সাধারণ মানুষের পাশে। চলুন আমরা তাঁর জন্য দোয়া করি তাঁকে আমাদের ভালোবাসা ও সমর্থন জানাই। ভালুকার আগামী নেতৃত্ব হোউক এমন একজন সৎ, আদর্শিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের হাতে।
ভালুকা উপজেলা প্রতিনিধি:
আলহাজ্ব এম এ হামিদ কারী যাঁর জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপ এক নিঃশব্দ বিপ্লব রাজনীতির মঞ্চে অনেক নেতা আসেন যান। কেউ কেউ ইতিহাসে ঠাঁই পান কর্মকাণ্ডে, কেউ শুধুই আলোচনায়। কিন্তু খুব কম মানুষই আছেন যাঁরা নিরব থেকে সমাজ ও মানুষের জন্য করে যান এমন কাজ, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম স্মরণ রাখে।
আলহাজ্ব এম এ হামিদ কারী তেমনই এক নাম যিনি রাজনীতিকে করেছেন সেবার হাতিয়ার, নেতৃত্বকে করেছেন দায়িত্বের প্রতীক। পরিচয় যাঁর নম্রতায়, নেতৃত্ব যাঁর চরিত্রে তিনি রাজনীতিক কিন্তু রাজনীতির মঞ্চে কখনো গর্জন করেননি অহংকারে। বরং তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপে ফুটে উঠেছে নম্রতা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ।
তিনি সাবেক ময়মনসিংহ সাবেক দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাবেক ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, বর্তমানে ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, ধাইরাপাড়া ওয়াহেদিয়া কওমি মাদ্রাসার সভাপতি ও ভালুকা পাঁচ রাস্তা জামে মসজিদের সভাপতি এবং বর্তমানে ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে তাঁর আগমন গণমানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন।
আল্লাহর জন্য মানুষের কল্যাণে নিজস্ব অর্থায়নে ৩০ কোটি টাকার জমিতে ভালুকা পাঁচ রাস্তার মোড়ে গড়ে তুলেছেন এক বিশাল জামে মসজিদ, যা এখন হাজারো মানুষকে ইবাদতের সুযোগ করে দিচ্ছে।
ধাইরাপাড়ায় ৪ কোটি টাকার জমিতে প্রতিষ্ঠা করেছেন একটি মাদ্রাসা, যেখানে প্রতিদিন শত শত শিক্ষার্থী ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ করছে। এসব শুধুই স্থাপনা নয় এসব হল তাঁর আল্লাহভীতি, সমাজপ্রেম ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়িত্ববোধের বাস্তব উদাহরণ। সেবা, শান্তি ও সাহসিকতার স্বপ্ন।
তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন: “ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে পারলে, আমি প্রতিজ্ঞা করছি সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত এক শান্তির ভালুকা গড়ে তুলবো। দেশ ও দেশের মানুষের জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিব।” এই প্রতিশ্রুতি শুধু কথায় নয় তিনি ইতোমধ্যে তার প্রমাণ দিয়ে গেছেন কাজে, ত্যাগে ও নীরব প্রচেষ্টায়।
একটি প্রশ্ন, একটি চাওয়া আজ ভালুকার মানুষকে একটি প্রশ্ন করতে হয় আমরা কী এমন একজন নেতা চাই, যিনি কথা দেন আর ভুলে যান? নাকী এমন একজন, যিনি কথা না দিয়েও প্রমাণ করে দেন আমার হৃদয়ে আছেন আপনারা? তিনি সেই মানুষ যাঁর মধ্যে আছে প্রকৃত নেতৃত্বের ছাপ, যিনি জানেন কীভাবে নেতৃত্ব দিতে হয়, আবার কীভাবে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াতে হয়। তিনি দান করেন কিন্তু প্রচার করেন না।
তিনি কাজ করেন কিন্তু আত্মপ্রচারের জন্য নয়, বরং মানুষের দোয়া ও আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। তিনি কোনোদিন কারও বিরুদ্ধে নয় সবসময় থাকেন সাধারণ মানুষের পাশে।
চলুন আমরা তাঁর জন্য দোয়া করি তাঁকে আমাদের ভালোবাসা ও সমর্থন জানাই। ভালুকার আগামী নেতৃত্ব হোউক এমন একজন সৎ, আদর্শিক ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষের হাতে।