দেশ ও দশের কথা বলে
পোর্টাল: www.potidinerkhobor.com | প্রিন্টের সময়: ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ০৩:৪৩ এএম
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল জাতির রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের অবসান
ডেক্স রিপোর্ট বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়
ডেক্স রিপোর্ট
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বিএনপি মিডিয়া সেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনিসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত ২৩ নভেম্বর তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তাঁর চিকিৎসা চলছিল। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে বিদেশে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।
বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তিনি ১৯৯১ সাল থেকে তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নেন। একই সঙ্গে তিনি মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকারপ্রধান ছিলেন।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট দিনাজপুর জেলায় তাঁর জন্ম। তাঁর পিতা ইস্কান্দার মজুমদার ও মাতা তৈয়বা মজুমদার। তাঁদের আদি নিবাস ছিল ফেনীতে। তিনি দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও পরে সুরেন্দ্রনাথ কলেজে শিক্ষালাভ করেন। ১৯৬০ সালে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে তিনি ফার্স্ট লেডি হিসেবে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে অংশ নেন এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার, নেদারল্যান্ডসের রানি জুলিয়ানাসসহ বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের পর ১৯৮২ সালের ২ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যোগ দেন। ১৯৮৩ সালে ভাইস চেয়ারম্যান এবং ১৯৮৪ সালে দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন নির্বাচনী রাজনীতিতে অনন্য এক ব্যক্তিত্ব। তিনি কখনো কোনো সংসদীয় নির্বাচনে পরাজিত হননি। ১৯৯১ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পাঁচটি ভিন্ন আসন থেকে জয়লাভ করেন এবং ২০০৮ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা তিনটি আসনেই বিজয়ী হন।
একজন আপসহীন নেত্রী, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামী প্রতীক এবং কোটি মানুষের ভালোবাসায় গড়া এই নেত্রীর প্রয়াণে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
পাঠকদের মতামত 0
শালীন ও গঠনমূলক মন্তব্য কাম্যসোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসির ফলাফলে বড় বিপর্যয়, ফেল ৭২৪
মিরপুরে মাটির চাহিদা বুঝে সার ব্যবহারে প্রশিক্ষণ, কৃষি কর্মকর্তাদের দেওয়া হলো ডিজিটাল সয়েল সেন্সর
এনসিপির মিডিয়া সম্পাদক হলেন ইয়াসির আরাফাত
একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১০টি ইতিবাচক দিক
একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১০টি ইতিবাচক দিক
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল জাতির রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের অবসান
ফটো কার্ড স্টাইল নির্বাচন করুন
সংবাদের ছবি দিয়ে কিভাবে ফটো কার্ডটি ডাউনলোড করতে চান অপশন সিলেক্ট করুন
প্রতিদিনের খবর | দেশ ও দশের কথা বলে
দেশ ও দশের কথা বলে
বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকাল জাতির রাজনীতিতে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের অবসান
ডেক্স রিপোর্ট বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়
প্রতিদিনের খবর | দেশ ও দশের কথা বলে
দেশ ও দশের কথা বলে