, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব, অপপ্রচারের প্রতিবাদে মিট দ্য প্রেস কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৭ হাজার ৫০০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ মিরপুরে গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ লংমার্চ অযথা জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে কুষ্টিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের মিরপুর সার্কেল ও থানা বার্ষিক পরিদর্শন কুষ্টিয়ায় ১২ টন খোলা চিনি জব্দ, আটক ৪ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন, ক্লাস শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বরেও কঠিন গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো মিরপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে নবাগত উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরুর মতবিনিময়

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার সর্বোচ্চ রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • ১২২ পড়া হয়েছে

 

রকি হাসান, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইট একাউন্টে ৫ লাখ টাকা রক্ষিত আছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে এক এক করে ৩২টি বস্তায় টাকাগুলো ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানেই চলছে গণনা। এবার আশা করা হচ্ছে টাকার পরিমাণ গত রেকর্ডটিকেও ছাড়িয়ে যাবে।
এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, এই মসজিদের দানবাক্সগুলো ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে। আগে গত, ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায় এছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।

মসজিদের টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়। পরবর্তীতে টাকাগুলো মসজিদের এতিমখানার ১৩০ জন এতিম শিক্ষার্থী ভরনপোষণ ও মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সদস্যের বেতন ও গরীব রোগীর চিকিৎসাখাতে ব্যয় করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, সিন্দুক খোলার শুরু থেকে টাকা গণনা এবং ব্যাংকে জমা পর্যন্ত আমরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি।
রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, এখানে টাকা গণনার কাজে ১০০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার ২২০ জন, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ১১৮ জন শিক্ষার্থী, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফসহ মোট ৪৮৩ জন টাকা গণনার কাজ করছেন।

দিনভর  টাকা গণনা শেষে আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে জানা যাবে এবারের দানের পরিমাণ।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব, অপপ্রচারের প্রতিবাদে মিট দ্য প্রেস

পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার সর্বোচ্চ রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা

প্রকাশের সময় : ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

 

রকি হাসান, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইট একাউন্টে ৫ লাখ টাকা রক্ষিত আছে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে এক এক করে ৩২টি বস্তায় টাকাগুলো ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানেই চলছে গণনা। এবার আশা করা হচ্ছে টাকার পরিমাণ গত রেকর্ডটিকেও ছাড়িয়ে যাবে।
এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, এই মসজিদের দানবাক্সগুলো ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে। আগে গত, ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায় এছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।

মসজিদের টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়। পরবর্তীতে টাকাগুলো মসজিদের এতিমখানার ১৩০ জন এতিম শিক্ষার্থী ভরনপোষণ ও মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সদস্যের বেতন ও গরীব রোগীর চিকিৎসাখাতে ব্যয় করা হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, সিন্দুক খোলার শুরু থেকে টাকা গণনা এবং ব্যাংকে জমা পর্যন্ত আমরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি।
রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, এখানে টাকা গণনার কাজে ১০০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার ২২০ জন, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ১১৮ জন শিক্ষার্থী, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফসহ মোট ৪৮৩ জন টাকা গণনার কাজ করছেন।

দিনভর  টাকা গণনা শেষে আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে জানা যাবে এবারের দানের পরিমাণ।