, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ কুষ্টিয়ায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব, অপপ্রচারের প্রতিবাদে মিট দ্য প্রেস কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৭ হাজার ৫০০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ মিরপুরে গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ লংমার্চ অযথা জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে কুষ্টিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের মিরপুর সার্কেল ও থানা বার্ষিক পরিদর্শন কুষ্টিয়ায় ১২ টন খোলা চিনি জব্দ, আটক ৪ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন, ক্লাস শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর

বিএনপির জন্য অগ্নিপরীক্ষা কুষ্টিয়া–২ আসন। মনোনয়ন তুললেন সাবেক এমপি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, তৃণমূলে উদ্বেগ ও উত্তেজনা

  • প্রকাশের সময় : ০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮১ পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া


 

কুষ্টিয়া–২ (মিরপুর–ভেড়ামারা) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এ আসনে বিএনপির সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দলের নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

 

রোববার দুপুরে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন। এতে করে এলাকাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে।

 

উল্লেখ্য, এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীকে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হয়। তবে সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই মিরপুর ও ভেড়ামারা উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ অধ্যাপক শহীদুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও ধারাবাহিক গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

 

তৃণমূল নেতাদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার কারণে অধ্যাপক শহীদুল ইসলামই এই আসনে বিএনপির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী। তাঁদের মতে, তাঁকে মনোনয়ন না দিলে আসনটি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

 

নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, যদি এই আসনে অধ্যাপক শহীদুল ইসলামকে মনোনয়ন না দেওয়া হয়, তাহলে রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই আসনটি দখলে নিতে পারে। মাঠপর্যায়ে জামায়াতের সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ছে বলেও তারা দাবি করছেন।

 

এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয়ভাবে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা আসেনি। ফলে কুষ্টিয়া–২ আসনে বিএনপির ভেতরের এই অচলাবস্থা কত দ্রুত কাটে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ

বিএনপির জন্য অগ্নিপরীক্ষা কুষ্টিয়া–২ আসন। মনোনয়ন তুললেন সাবেক এমপি অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম, তৃণমূলে উদ্বেগ ও উত্তেজনা

প্রকাশের সময় : ০৭:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫

কুষ্টিয়া


 

কুষ্টিয়া–২ (মিরপুর–ভেড়ামারা) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়নকে কেন্দ্র করে ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি। এ আসনে বিএনপির সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও দলের নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।

 

রোববার দুপুরে ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় থেকে তাঁর পক্ষে দলীয় নেতাকর্মীরা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন ফরম উত্তোলন করেন। এতে করে এলাকাজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা ও উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে।

 

উল্লেখ্য, এর আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরীকে এই আসনে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রীয়ভাবে জানানো হয়। তবে সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই মিরপুর ও ভেড়ামারা উপজেলার তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। নেতাকর্মীদের একটি বড় অংশ অধ্যাপক শহীদুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন ও ধারাবাহিক গণসংযোগ কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

 

তৃণমূল নেতাদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার কারণে অধ্যাপক শহীদুল ইসলামই এই আসনে বিএনপির জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী। তাঁদের মতে, তাঁকে মনোনয়ন না দিলে আসনটি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

 

নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, যদি এই আসনে অধ্যাপক শহীদুল ইসলামকে মনোনয়ন না দেওয়া হয়, তাহলে রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এই আসনটি দখলে নিতে পারে। মাঠপর্যায়ে জামায়াতের সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ছে বলেও তারা দাবি করছেন।

 

এখনো পর্যন্ত কেন্দ্রীয়ভাবে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা আসেনি। ফলে কুষ্টিয়া–২ আসনে বিএনপির ভেতরের এই অচলাবস্থা কত দ্রুত কাটে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা।