মুরাদনগরে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় মামলা
প্রকাশের সময় :
১২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
৪৮
পড়া হয়েছে
মুরাদনগরে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় মামলা
শাহ আলম জাহাঙ্গীর, কুমিল্লা প্রতিনিধি কুমিল্লার মুরাদনগরে সংবাদ সংগ্রহকালে সন্ত্রাসীদের হামলার নির্মম শিকার হন জেলা থেকে আসা বেশ ক'জন সাংবাদিক। এ সন্ত্রাসী হামলা ঘটনায় দৈনিক খোলা কাগজ কুমিল্লা প্রতিনিধি শাহ ইমরান বাদী হয়েগত শুক্রবার(১ আগস্ট) মুরাদনগর থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেন । এতে ৪জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়। জানা যায়, গত ৩০ জুলাই বুধবার মুরাদনগর উপজেলা চত্বরে স্থানীয় সরকার ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ সমাবেশে হামলা চালায় অপর পক্ষের সমর্থকরা। হামলাকারীরা সাবেক এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের অনুসারী বলে অভিযোগ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ছাত্র আন্দোলনের মুরাদনগর আহ্বায়ক এডভোকেট ওবায়দুল সিদ্দিকী। হামলায় ৭ জন সাংবাদিক সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়। গত বৃহস্পতিবার কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। প্রতিবাদ সমাবেশে প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত পুলিশের সকল ইতিবাচক সংবাদ বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার সকালে হামলায় আহত দৈনিক খোলা কাগজের কুমিল্লা প্রতিনিধি শাহ ইমরান বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন। আসামিরা হলেন রহিমপুর গ্রামের মজিদ মিয়ার ছেলে শুকুর আলী (৩৫), খামার গ্রাম গ্রামের তাজুল মেম্বারের ছেলে আশিকুল ইসলাম সিদ্দিকী (২১), সিদ্ধেশ্বরী গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাঈম (২৪) ও গুঞ্জর গ্রামের সামাদ মিয়ার ছেলে কামাল হোসেন (২৫)। এছাড়াও আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাতকে আসামিনকরা হয়। মামলার বাদী শাহ ইমরান জানান, গত ৩০ জুলাই বুধবার মুরাদনগরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে একটি বিশেষ মহলের ইন্দনে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করা হয়। হামলায় আমি সহ আরো ৬ জন সাংবাদিক আহত হয়। যা অত্যন্ত নেক্কারজনক এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। আমরা কুমিল্লা কর্মরত সকল সাংবাদিকদের সিদ্ধান্তক্রমে উপযুক্ত বিচারের আশায় মামলাটি দায়ের করেছি। হামলাকারীদের যতক্ষণ গ্রেফতার করা না হবে আমরা সাংবাদিকরা পুলিশের সকল ইতিবাচক সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-উপরিদর্শক মুসলেম উদ্দিন এর নেতৃত্বে একটি টিম আসামিদের গ্রেফতারের কাজ করে যাচ্ছে।
শাহ আলম জাহাঙ্গীর, কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লার মুরাদনগরে সংবাদ সংগ্রহকালে সন্ত্রাসীদের হামলার নির্মম শিকার হন জেলা থেকে আসা বেশ ক’জন সাংবাদিক। এ সন্ত্রাসী হামলা ঘটনায় দৈনিক খোলা কাগজ কুমিল্লা প্রতিনিধি শাহ ইমরান বাদী হয়েগত শুক্রবার(১ আগস্ট) মুরাদনগর থানায় একটি মামলাটি দায়ের করেন । এতে ৪জনের নাম উল্লেখসহ আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়।
জানা যায়, গত ৩০ জুলাই বুধবার মুরাদনগর উপজেলা চত্বরে স্থানীয় সরকার ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ সমাবেশে হামলা চালায় অপর পক্ষের সমর্থকরা। হামলাকারীরা সাবেক এমপি কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের অনুসারী বলে অভিযোগ করেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র ছাত্র আন্দোলনের মুরাদনগর আহ্বায়ক এডভোকেট ওবায়দুল সিদ্দিকী।
হামলায় ৭ জন সাংবাদিক সহ অন্তত ২০ জন আহত হয়।
গত বৃহস্পতিবার কুমিল্লা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। প্রতিবাদ সমাবেশে প্রেস ক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও হামলাকারীদের গ্রেফতারের আগ পর্যন্ত পুলিশের সকল ইতিবাচক সংবাদ বর্জনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
এরই অংশ হিসেবে শুক্রবার সকালে হামলায় আহত দৈনিক খোলা কাগজের কুমিল্লা প্রতিনিধি শাহ ইমরান বাদী হয়ে মুরাদনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন রহিমপুর গ্রামের মজিদ মিয়ার ছেলে শুকুর আলী (৩৫), খামার গ্রাম গ্রামের তাজুল মেম্বারের ছেলে আশিকুল ইসলাম সিদ্দিকী (২১), সিদ্ধেশ্বরী গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে নাহিদুল ইসলাম নাঈম (২৪) ও গুঞ্জর গ্রামের সামাদ মিয়ার ছেলে কামাল হোসেন (২৫)।
এছাড়াও আরো ১০-১২ জন অজ্ঞাতকে আসামিনকরা হয়।
মামলার বাদী শাহ ইমরান জানান, গত ৩০ জুলাই বুধবার মুরাদনগরে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে একটি বিশেষ মহলের ইন্দনে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করা হয়। হামলায় আমি সহ আরো ৬ জন সাংবাদিক আহত হয়। যা অত্যন্ত নেক্কারজনক এবং স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। আমরা কুমিল্লা কর্মরত সকল সাংবাদিকদের সিদ্ধান্তক্রমে উপযুক্ত বিচারের আশায় মামলাটি দায়ের করেছি। হামলাকারীদের যতক্ষণ গ্রেফতার করা না হবে আমরা সাংবাদিকরা পুলিশের সকল ইতিবাচক সংবাদ বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুর রহমান বলেন, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-উপরিদর্শক মুসলেম উদ্দিন এর নেতৃত্বে একটি টিম আসামিদের গ্রেফতারের কাজ করে যাচ্ছে।