, রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেলাই প্রশিক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উদ্বোধন করলেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী দাদার বাড়ি এসে নিখোঁজ, ১৭ ঘণ্টা পর পুকুরে মিলল শিশুর মরদেহ মন্ত্রিসভায় বড় রদবদল, নতুন দায়িত্বে মঈন খান-পার্থসহ পাঁচজন মিরপুর প্রেসক্লাবের উদ্যোগে নৌকা ভ্রমণ জানারুল ইসলাম সভাপতি, কামাল হোসেন সাধারণ সম্পাদক ১০ বছর পর আমলা সদরপুর মাইক্রো স্ট্যান্ডে নতুন কমিটি কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে অবৈধ সিগারেট কারখানায় অভিযান, জব্দ সাড়ে ২৫ লাখ শলাকা নকল সিগারেট কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিএনপি’র উদ্যোগে বৃক্ষরোপন মিরপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় ব্যারিষ্টার রাগিব রউফ চৌধুরী টেকসই উন্নয়নে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা-দৌলতপুর সড়কের আল্লারদর্গা অংশে ড্রেনসহ রিজিড পেভমেন্ট নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন স্মৃতি হারানোর আড়ালে লুকিয়ে থাকা মানসিক ক্ষত: ডিসোসিয়েটিভ অ্যামনেশিয়া

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই দেওয়া হবে টাইফয়েড টিকা

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ১৮১ পড়া হয়েছে

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ


ডেঙ্গু ও করোনাসহ নানা জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়ে চলেছে, চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসাকর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ মাস বয়স থেকে ১৫ বছর বয়স বা নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া সব শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে দেশের সকল অঞ্চলে।

 

 

 

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবুল ফজল মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন খান প্রতিদিনের খবর কে জানান, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই দেশব্যাপী এই টিকা প্রদান শুরু হবে। তিনি বলেন, টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা দিলে শিশুদের এই জ্বর থেকে সহজেই রক্ষা করা সম্ভব।

 

 

 

 

টিকা নিতে হলে প্রত্যেক শিশুর ১৭ সংখ্যার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সনদ ছাড়া কেউ টিকা পাবে না। তাই অভিভাবকদের এখনই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ, যা সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রতি বছর বাংলাদেশে বহু শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং জটিলতায় ভোগে। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

 

 

 

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই টিকা সংরক্ষণ, বিতরণ, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ এবং টিকাদান কেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে।

 

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে টাইফয়েড প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপও অনেকটা কমবে।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ার মিরপুরে সেলাই প্রশিক্ষণ, বৃক্ষরোপণ ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ উদ্বোধন করলেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই দেওয়া হবে টাইফয়েড টিকা

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ


ডেঙ্গু ও করোনাসহ নানা জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়ে চলেছে, চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসাকর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ মাস বয়স থেকে ১৫ বছর বয়স বা নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া সব শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে দেশের সকল অঞ্চলে।

 

 

 

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবুল ফজল মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন খান প্রতিদিনের খবর কে জানান, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই দেশব্যাপী এই টিকা প্রদান শুরু হবে। তিনি বলেন, টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা দিলে শিশুদের এই জ্বর থেকে সহজেই রক্ষা করা সম্ভব।

 

 

 

 

টিকা নিতে হলে প্রত্যেক শিশুর ১৭ সংখ্যার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সনদ ছাড়া কেউ টিকা পাবে না। তাই অভিভাবকদের এখনই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ, যা সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রতি বছর বাংলাদেশে বহু শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং জটিলতায় ভোগে। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

 

 

 

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই টিকা সংরক্ষণ, বিতরণ, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ এবং টিকাদান কেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে।

 

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে টাইফয়েড প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপও অনেকটা কমবে।