কুষ্টিয়ার নির্বাচনী মাঠে ৩৩ প্রার্থী, দুই আসনে বিদ্রোহ
প্রকাশের সময় :
১০:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
১১৩
পড়া হয়েছে
কুষ্টিয়ার নির্বাচনী মাঠে ৩৩ প্রার্থী, দুই আসনে বিদ্রোহ
কুষ্টিয়া আসন্ন ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া–১ ও কুষ্টিয়া–৪ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন। কুষ্টিয়া–১ (দৌলতপুর) আসনে মোট ৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এখানে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা এবং জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। কুষ্টিয়া–২ (মিরপুর–ভেড়ামারা) আসনে জমা পড়েছে ৮টি মনোনয়নপত্র। বিএনপির পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী এবং জামায়াতের পক্ষে মনোনয়ন দিয়েছেন দলের নায়েবে আমির আবদুল গফুর। এই আসনে বিএনপি বা জামায়াতের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় নির্বাচনী চিত্র তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার। কুষ্টিয়া–৩ (সদর) আসনে মোট ৭টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে জেলা জামায়াতের ইউনিট সদস্য আমির হামজা মনোনয়নপত্র জমা দেন। এখানেও জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন জমা পড়েছে কুষ্টিয়া–৪ (কুমারখালী–খোকসা) আসনে। এই আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি এবং জামায়াতের প্রার্থী কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আফজাল হোসেনের পাশাপাশি বিএনপির দুই নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন— কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী এবং কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক। এই দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর অংশগ্রহণে কুষ্টিয়া–৪ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে মন্তব্য করা হচ্ছে।
কুষ্টিয়া
আসন্ন ২৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে কুষ্টিয়া–১ ও কুষ্টিয়া–৪ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠে নেমেছেন।
কুষ্টিয়া–১ (দৌলতপুর) আসনে মোট ৮টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এখানে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লা এবং জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তবে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
কুষ্টিয়া–২ (মিরপুর–ভেড়ামারা) আসনে জমা পড়েছে ৮টি মনোনয়নপত্র। বিএনপির পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী এবং জামায়াতের পক্ষে মনোনয়ন দিয়েছেন দলের নায়েবে আমির আবদুল গফুর। এই আসনে বিএনপি বা জামায়াতের কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় নির্বাচনী চিত্র তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার।
কুষ্টিয়া–৩ (সদর) আসনে মোট ৭টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার এবং জামায়াতের পক্ষ থেকে জেলা জামায়াতের ইউনিট সদস্য আমির হামজা মনোনয়নপত্র জমা দেন। এখানেও জোটভুক্ত দলগুলোর মধ্যে কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই।
সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন জমা পড়েছে কুষ্টিয়া–৪ (কুমারখালী–খোকসা) আসনে। এই আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি এবং জামায়াতের প্রার্থী কুমারখালী উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আফজাল হোসেনের পাশাপাশি বিএনপির দুই নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে নেমেছেন। তারা হলেন— কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ সাদী এবং কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র নুরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক।
এই দুই বিদ্রোহী প্রার্থীর অংশগ্রহণে কুষ্টিয়া–৪ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে মন্তব্য করা হচ্ছে।