চলন্ত ট্রেনে সন্তান জন্ম: ময়মনসিংহে আবেগঘন এক মানবিক গল্প
প্রকাশের সময় :
০৭:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
৯৫
পড়া হয়েছে
চলন্ত ট্রেনে সন্তান জন্ম: ময়মনসিংহে আবেগঘন এক মানবিক গল্প
নিউজ ডেক্স : ময়মনসিংহে চলন্ত ট্রেনেই শারমীন আক্তার (২৪) নামের এক ভাসমান নারী সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় পৌনে ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে এই ঘটনা ঘটে। ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাতেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। ট্রেনটি ময়মনসিংহ স্টেশনে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগেই প্রসূতি ওই নারী একটি সুস্থ ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। পরে ট্রেন থামার পর দুই নারী যাত্রীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মা ও নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সে করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন। স্টেশন সূত্রে জানা যায়, ওই নারী কমলাপুর স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন এবং তাঁর সঙ্গে চার বছর বয়সী একটি সন্তান ছিল। ট্রেনটি গফরগাঁও স্টেশন অতিক্রম করার পর হঠাৎ তার তীব্র প্রসব বেদনা শুরু হয়। এ সময় ট্রেনে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা সোলায়মান হোসাইন রবি এগিয়ে আসেন। তিনি জানান, বগিতে ওই নারীকে কাতরাতে দেখে তিনি অন্য নারী যাত্রীদের সহায়তায় প্রসবের ব্যবস্থা করেন। দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা তীব্র ব্যথার পর ট্রেন স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই ফুটফুটে এক ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। পুরো ঘটনায় ট্রেনজুড়ে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। আরও জানা যায়, ঘটনাক্রমে একই ট্রেনে উপস্থিত ছিলেন নবজাতকের বাবা সাগর, যিনি পেশায় হকার। প্রায় সাত মাস আগে স্ত্রীকে ছেড়ে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না। ট্রেনে নিজের চার বছরের মেয়েকে দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং পরে স্ত্রী-সন্তানের পাশে থাকেন। ওই নারীর বাড়ির ঠিকানা নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। তিনি নিজে জানিয়েছেন, তাঁর বাড়ি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এবং ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় মামাশ্বশুরের বাড়িতে যাওয়ার কথা। তবে হাসপাতালের ভর্তির স্লিপে ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলা। ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের লিডার সাইফুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সসহ স্টেশনে পৌঁছানো হয়। তবে ট্রেনেই প্রসব সম্পন্ন হওয়ায় পরে মা ও নবজাতককে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মানবিক সহায়তা আর সময়োপযোগী উদ্যোগের কারণে একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় স্বস্তি আর আনন্দের মুহূর্তে।
নিউজ ডেক্স :
ময়মনসিংহে চলন্ত ট্রেনেই শারমীন আক্তার (২৪) নামের এক ভাসমান নারী সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় পৌনে ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী হাওর এক্সপ্রেস ট্রেনে এই ঘটনা ঘটে।
ময়মনসিংহ রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাতেই জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ থেকে কল পেয়ে দ্রুত প্রস্তুতি নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়।
ট্রেনটি ময়মনসিংহ স্টেশনে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগেই প্রসূতি ওই নারী একটি সুস্থ ছেলেসন্তানের জন্ম দেন। পরে ট্রেন থামার পর দুই নারী যাত্রীর সহায়তায় ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মা ও নবজাতককে অ্যাম্বুলেন্সে করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মা ও নবজাতক দুজনই সুস্থ আছেন।
স্টেশন সূত্রে জানা যায়, ওই নারী কমলাপুর স্টেশন থেকে ট্রেনে ওঠেন এবং তাঁর সঙ্গে চার বছর বয়সী একটি সন্তান ছিল। ট্রেনটি গফরগাঁও স্টেশন অতিক্রম করার পর হঠাৎ তার তীব্র প্রসব বেদনা শুরু হয়। এ সময় ট্রেনে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা সোলায়মান হোসাইন রবি এগিয়ে আসেন।
তিনি জানান, বগিতে ওই নারীকে কাতরাতে দেখে তিনি অন্য নারী যাত্রীদের সহায়তায় প্রসবের ব্যবস্থা করেন। দীর্ঘ দেড় ঘণ্টা তীব্র ব্যথার পর ট্রেন স্টেশনে পৌঁছানোর আগেই ফুটফুটে এক ছেলেসন্তানের জন্ম হয়। পুরো ঘটনায় ট্রেনজুড়ে এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।
আরও জানা যায়, ঘটনাক্রমে একই ট্রেনে উপস্থিত ছিলেন নবজাতকের বাবা সাগর, যিনি পেশায় হকার। প্রায় সাত মাস আগে স্ত্রীকে ছেড়ে যাওয়ার পর তাদের মধ্যে কোনো যোগাযোগ ছিল না। ট্রেনে নিজের চার বছরের মেয়েকে দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন এবং পরে স্ত্রী-সন্তানের পাশে থাকেন।
ওই নারীর বাড়ির ঠিকানা নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। তিনি নিজে জানিয়েছেন, তাঁর বাড়ি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এবং ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় মামাশ্বশুরের বাড়িতে যাওয়ার কথা। তবে হাসপাতালের ভর্তির স্লিপে ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলা।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের লিডার সাইফুল ইসলাম জানান, ৯৯৯-এ কল পেয়ে দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সসহ স্টেশনে পৌঁছানো হয়। তবে ট্রেনেই প্রসব সম্পন্ন হওয়ায় পরে মা ও নবজাতককে হাসপাতালে পৌঁছে দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মানবিক সহায়তা আর সময়োপযোগী উদ্যোগের কারণে একটি ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় স্বস্তি আর আনন্দের মুহূর্তে।