তিস্তার পানি বৃদ্ধি, লালমনিরহাটে পানিবন্দি ১৫ হাজার পরিবার
প্রকাশের সময় :
০৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫
৪৭
পড়া হয়েছে
তিস্তার পানি বৃদ্ধি, লালমনিরহাটে পানিবন্দি ১৫ হাজার পরিবার
মোঃ আনিছুল ইসলাম রাজিব লালমনিরহাট প্রতিনিধি লালমনিরহাট জেলায় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় জেলার বাম তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোতে নতুন করে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বুধবার সকাল নাগাদ ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। স্থানীয়রা জানান, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিস্তার বাম তীরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও নিম্নভূমি প্লাবিত হয়েছে। আবাদি জমি, পুকুর, রাস্তা-ঘাট ও বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। চরাঞ্চলের বহু গ্রাম এখন সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা। বন্যার পানি প্রবেশ করেছে সদর, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে। এর মধ্যে পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গীমারী, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈলমারী, নোহালী, আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, বাহাদুরপাড়া এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, মোগলহাট, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের বহু এলাকা তলিয়ে গেছে। সরজমিনে স্থানীয়রা জানায় “নদীর পানি বাড়লেই আমরা চরবাসীরা বিপদে পড়ি। চারপাশে শুধু পানি, মাচাংয়ে রাত কাটাচ্ছি। ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই আতঙ্কে রয়েছে।রাত থেকেই পানি বাড়ছে। জমি, রাস্তা, পুকুর সব পানির নিচে। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি যেতে এখন নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।রাস্তা-ঘাট তলিয়ে গেছে, পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছি। এখনও কারো কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাইনি।” ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান বলেন, “পানি বিপৎসীমা পেরুলেই আমার ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের দেড় হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে।” হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম মিঞা জানান, পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, “ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার সকাল ৬টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
মোঃ আনিছুল ইসলাম রাজিব লালমনিরহাট প্রতিনিধি
লালমনিরহাট জেলায় তিস্তার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় জেলার বাম তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলোতে নতুন করে বন্যার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। এতে অন্তত ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে।
গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে পানির স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। বুধবার সকাল নাগাদ ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
স্থানীয়রা জানান, পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে তিস্তার বাম তীরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও নিম্নভূমি প্লাবিত হয়েছে। আবাদি জমি, পুকুর, রাস্তা-ঘাট ও বসতবাড়ি তলিয়ে গেছে। চরাঞ্চলের বহু গ্রাম এখন সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, যোগাযোগ ব্যবস্থায় দেখা দিয়েছে স্থবিরতা।
বন্যার পানি প্রবেশ করেছে সদর, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও পাটগ্রাম উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে। এর মধ্যে পাটগ্রামের দহগ্রাম, হাতীবান্ধার গড্ডিমারী, দোয়ানী, ছয়আনী, সানিয়াজান, সিঙ্গীমারী, সিন্দুর্না, হলদিবাড়ী, ডাউয়াবাড়ী, কালীগঞ্জের ভোটমারী, শৈলমারী, নোহালী, আদিতমারীর মহিষখোচা, গোবর্ধন, বাহাদুরপাড়া এবং সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, মোগলহাট, রাজপুর ও গোকুন্ডা ইউনিয়নের বহু এলাকা তলিয়ে গেছে।
সরজমিনে স্থানীয়রা জানায় “নদীর পানি বাড়লেই আমরা চরবাসীরা বিপদে পড়ি। চারপাশে শুধু পানি, মাচাংয়ে রাত কাটাচ্ছি। ছোট শিশু থেকে বয়স্ক সবাই আতঙ্কে রয়েছে।রাত থেকেই পানি বাড়ছে। জমি, রাস্তা, পুকুর সব পানির নিচে। এক বাড়ি থেকে অন্য বাড়ি যেতে এখন নৌকার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।রাস্তা-ঘাট তলিয়ে গেছে, পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েছি। এখনও কারো কাছ থেকে কোনো সহায়তা পাইনি।”
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান বলেন, “পানি বিপৎসীমা পেরুলেই আমার ইউনিয়নের নয়টি ওয়ার্ডের দেড় হাজারের বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে।”
হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীম মিঞা জানান, পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) লালমনিরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, “ডালিয়া পয়েন্টে বুধবার সকাল ৬টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধগুলো সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে এবং স্থানীয়দের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।