, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব, অপপ্রচারের প্রতিবাদে মিট দ্য প্রেস কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৭ হাজার ৫০০ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ আটক ১ মিরপুরে গ্রীস্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণ লংমার্চ অযথা জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করবে কুষ্টিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপারের মিরপুর সার্কেল ও থানা বার্ষিক পরিদর্শন কুষ্টিয়ায় ১২ টন খোলা চিনি জব্দ, আটক ৪ একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন, ক্লাস শুরু ২৩ সেপ্টেম্বর সেপ্টেম্বরেও কঠিন গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো

নিদ্রার চর: নীরবতায় মোড়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লুকানো ঠিকানা

  • প্রকাশের সময় : ০৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৫৩ পড়া হয়েছে

লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি

 

 

বরগুনা জেলা, তালতলী উপজেলার অন্তর্গত সোনাকাটা ইউনিয়ন এলাকায় গড়ে উঠেছে নতুন সম্ভাব্য পর্যটন কেন্দ্র “নিদ্রার চর”। এটি আবার” নিদ্রা সমুদ্র সৈকত” নামেও পরিচিত।

“নিদ্রার চর ” মূলত একটি উপকূলীয় চর, যা সাগরের কাছাকাছি নদী ও পলিমাটি জমে তৈরি হয়েছে। “নিদ্রার চর” একটি খোলা ও সমতল বালুকাময় এলাকা, যেখানে সামনে সাগর ও পাশে নদী দেখা যায়।জোয়ার-ভাটার সময় চরটির কিছু অংশ পানিতে ডুবে যায়। চরটিতে ঝাউ ও কেওড়া গাছ বেশি দেখা যায়। এখানে মাটির ধরন নরম ও বালুময় এবং কিছু জায়গায় লবণাক্ত।

প্রকৃতির যেন অপরূপ সৌন্দর্য এই নিদ্রার চর।”নিদ্রার চর” নামকরণ মূলত স্থানীয়দের দ্বারা প্রদত্ত, জানা যায় নামটির পিছনের মূল কারণ এই স্থানের নীরব ও শান্ত পরিবেশ। যার ফলে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে জায়গাটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

নিদ্রার চরে স্থায়ী কোনো বড় জনবসতি নেই। আশপাশে কিছু জেলে ও স্থানীয় মানুষ বসবাস করেন, যারা মূলত মাছ ধরা ও বিভিন্ন কাজকর্মের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই এলাকায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসা মতো নানান অসুবিধা দেখা যায়।

শহরের কোলাহল ও ব্যস্ত জীবনে ক্লান্তি দূর করতে মানুষ বেছে নিচ্ছে “নিদ্রার চর” কে। চারিপাশের সবুজ গাছপালা, স্নিগ্ধ বাতাসের ঘ্রাণের সাথে,শ্রুতিতে প্রশান্তি বয়ে আনে শান্ত ঢেউয়ের শব্দ, সকালের সূর্যোদয় ও বিকেলের সূর্যাস্ত যেন চোখে বন্দি করতে চাওয়া এক অপরূপ ছবি।

প্রকৃতির টানে মানুষ ছুটে আসলেও “নিদ্রার চর” এখনো হয়ে উঠে নি পর্যটন কেন্দ্র। এর পিছনের কারণ হচ্ছে পর্যাপ্ত তদারকির অভাব ।এই স্থানে যাতায়াতের পথে পর্যটকদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।এখানে নেই পর্যটকদের জন্য কোনো হোটেল, রিসোর্ট বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা ।

তবে সরকার যদি পরিকল্পিতভাবে উদ্যোগ নেয়, তাহলে “নিদ্রার চর” একটি সুন্দর ও নিরাপদ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এতে এলাকার মানুষের জীবনমানও হবে উন্নত।

“নিদ্রার চর” প্রকৃতির লুকানো এক নীরব ও সুন্দর উপহার। যেখানে শান্তি আর নীল সাগরের মিলনে মন জুড়ে যায়।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

নিদ্রার চর: নীরবতায় মোড়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লুকানো ঠিকানা

প্রকাশের সময় : ০৯:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি

 

 

বরগুনা জেলা, তালতলী উপজেলার অন্তর্গত সোনাকাটা ইউনিয়ন এলাকায় গড়ে উঠেছে নতুন সম্ভাব্য পর্যটন কেন্দ্র “নিদ্রার চর”। এটি আবার” নিদ্রা সমুদ্র সৈকত” নামেও পরিচিত।

“নিদ্রার চর ” মূলত একটি উপকূলীয় চর, যা সাগরের কাছাকাছি নদী ও পলিমাটি জমে তৈরি হয়েছে। “নিদ্রার চর” একটি খোলা ও সমতল বালুকাময় এলাকা, যেখানে সামনে সাগর ও পাশে নদী দেখা যায়।জোয়ার-ভাটার সময় চরটির কিছু অংশ পানিতে ডুবে যায়। চরটিতে ঝাউ ও কেওড়া গাছ বেশি দেখা যায়। এখানে মাটির ধরন নরম ও বালুময় এবং কিছু জায়গায় লবণাক্ত।

প্রকৃতির যেন অপরূপ সৌন্দর্য এই নিদ্রার চর।”নিদ্রার চর” নামকরণ মূলত স্থানীয়দের দ্বারা প্রদত্ত, জানা যায় নামটির পিছনের মূল কারণ এই স্থানের নীরব ও শান্ত পরিবেশ। যার ফলে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে জায়গাটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠছে।

নিদ্রার চরে স্থায়ী কোনো বড় জনবসতি নেই। আশপাশে কিছু জেলে ও স্থানীয় মানুষ বসবাস করেন, যারা মূলত মাছ ধরা ও বিভিন্ন কাজকর্মের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। এই এলাকায় পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ, বিশুদ্ধ পানি এবং চিকিৎসা মতো নানান অসুবিধা দেখা যায়।

শহরের কোলাহল ও ব্যস্ত জীবনে ক্লান্তি দূর করতে মানুষ বেছে নিচ্ছে “নিদ্রার চর” কে। চারিপাশের সবুজ গাছপালা, স্নিগ্ধ বাতাসের ঘ্রাণের সাথে,শ্রুতিতে প্রশান্তি বয়ে আনে শান্ত ঢেউয়ের শব্দ, সকালের সূর্যোদয় ও বিকেলের সূর্যাস্ত যেন চোখে বন্দি করতে চাওয়া এক অপরূপ ছবি।

প্রকৃতির টানে মানুষ ছুটে আসলেও “নিদ্রার চর” এখনো হয়ে উঠে নি পর্যটন কেন্দ্র। এর পিছনের কারণ হচ্ছে পর্যাপ্ত তদারকির অভাব ।এই স্থানে যাতায়াতের পথে পর্যটকদের পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।এখানে নেই পর্যটকদের জন্য কোনো হোটেল, রিসোর্ট বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা ।

তবে সরকার যদি পরিকল্পিতভাবে উদ্যোগ নেয়, তাহলে “নিদ্রার চর” একটি সুন্দর ও নিরাপদ পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। এতে এলাকার মানুষের জীবনমানও হবে উন্নত।

“নিদ্রার চর” প্রকৃতির লুকানো এক নীরব ও সুন্দর উপহার। যেখানে শান্তি আর নীল সাগরের মিলনে মন জুড়ে যায়।