পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার সর্বোচ্চ রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
প্রকাশের সময় :
১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
২৬
পড়া হয়েছে
পাগলা মসজিদের দানবাক্সে এবার সর্বোচ্চ রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা
রকি হাসান, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইট একাউন্টে ৫ লাখ টাকা রক্ষিত আছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়। মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে এক এক করে ৩২টি বস্তায় টাকাগুলো ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানেই চলছে গণনা। এবার আশা করা হচ্ছে টাকার পরিমাণ গত রেকর্ডটিকেও ছাড়িয়ে যাবে। এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, এই মসজিদের দানবাক্সগুলো ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে। আগে গত, ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায় এছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার। মসজিদের টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়। পরবর্তীতে টাকাগুলো মসজিদের এতিমখানার ১৩০ জন এতিম শিক্ষার্থী ভরনপোষণ ও মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সদস্যের বেতন ও গরীব রোগীর চিকিৎসাখাতে ব্যয় করা হয়। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, সিন্দুক খোলার শুরু থেকে টাকা গণনা এবং ব্যাংকে জমা পর্যন্ত আমরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি। রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, এখানে টাকা গণনার কাজে ১০০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার ২২০ জন, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ১১৮ জন শিক্ষার্থী, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফসহ মোট ৪৮৩ জন টাকা গণনার কাজ করছেন। দিনভর টাকা গণনা শেষে আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে জানা যাবে এবারের দানের পরিমাণ।
15
রকি হাসান, কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক পাগলা মসজিদের ১৩টি লোহার দানবাক্সে রেকর্ড ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া গেছে। এছাড়াও মসজিদ কমপ্লেক্সের ওয়েবসাইট একাউন্টে ৫ লাখ টাকা রক্ষিত আছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টার দিকে কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এর উপস্থিতিতে দানবাক্সগুলো খোলা হয়।
মসজিদের দানবাক্সগুলো খুলে এক এক করে ৩২টি বস্তায় টাকাগুলো ভরে মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয়। সেখানেই চলছে গণনা। এবার আশা করা হচ্ছে টাকার পরিমাণ গত রেকর্ডটিকেও ছাড়িয়ে যাবে।
এ সময় বিপুল সংখ্যক সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
পাগলা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ফৌজিয়া খান জানান, এই মসজিদের দানবাক্সগুলো ৪ মাস ১৮ দিন পর খোলা হয়েছে। আগে গত, ১২ এপ্রিল মসজিদের ১১টি দানবাক্স খুলে ৯ কোটি ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৬৮৭ টাকা পাওয়া যায় এছাড়া দানবাক্সে মিলেছে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণালঙ্কার।
মসজিদের টাকাগুলো রূপালী ব্যাংকে রাখা হয়। পরবর্তীতে টাকাগুলো মসজিদের এতিমখানার ১৩০ জন এতিম শিক্ষার্থী ভরনপোষণ ও মসজিদ পরিচালনা পরিষদের সদস্যের বেতন ও গরীব রোগীর চিকিৎসাখাতে ব্যয় করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী বলেন, সিন্দুক খোলার শুরু থেকে টাকা গণনা এবং ব্যাংকে জমা পর্যন্ত আমরা নিরাপত্তার কাজে নিয়োজিত আছি।
রূপালী ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মোহাম্মদ আলী হারেছী বলেন, এখানে টাকা গণনার কাজে ১০০ জন ব্যাংক কর্মকর্তা, আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার ২২০ জন, পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্সের ১১৮ জন শিক্ষার্থী, পাগলা মসজিদের ৪৫ জন স্টাফসহ মোট ৪৮৩ জন টাকা গণনার কাজ করছেন।
দিনভর টাকা গণনা শেষে আশা করছি সন্ধ্যার মধ্যে জানা যাবে এবারের দানের পরিমাণ।