ডেক্স রিপোর্ট : আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ২৩৭ আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে মাদারীপুরের একটি আসন স্থগিত ঘোষণা করা হলেও বাকি আসনগুলোতে ‘ধানের শীষ’ পাওয়ার পর প্রার্থীরা মাঠঘাট চষে বেড়াচ্ছেন। কোনো কোনো আসনে কোন্দলও দেখা দিয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠ ছাড়েননি। এরই মধ্যে কোন্দলে তিনজন নিহত হয়েছেন। জানা গেছে, নাটোর, ময়মনসিংহ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘোষিত ৪০টির বেশি আসনে টানাপোড়েন চলছে। ফলে সম্ভাব্য একক প্রার্থীদের মাঠের কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে বিএনপি। অনেক জায়গা থেকে খবর পাওয়া গেছে, বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী মাঠেই নামতে পারছেন না। বিশেষ করে নাটোর, টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলার অনেক প্রার্থী দলীয় তোপের মুখে ভোটের মাঠে নামতে সাহস পাচ্ছেন না। এছাড়াও মনোনয়নবঞ্চিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রার্থীরা কেমন আচরণ করছেন, সেই বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। আবার যারা ঐক্য তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছেন, তাদের প্রচেষ্টায় বাধা দিলে দায়ীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। অন্যদিকে ঘোষিত আসনের মধ্যে অন্তত ২৩টিতে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। আরও ২০টির মতো আসনে বিতর্কিত নেতাদের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব আসনে মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বলে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের তদন্তে উঠে এসেছে। তাদের মতে, পুনর্মূল্যায়ন না হলে কয়েকজন বঞ্চিত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামার আশঙ্কা রয়েছে। এদিকে ৬৩ আসনের (ফাঁকা) মধ্যে বেশির ভাগ আসন মিত্রদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এ নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলছে। চলতি মাসের শেষ দিকে আসন ভাগাভাগি নিয়ে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মিত্র রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে আরও অন্তত ১১ আসনে দলীয় সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা দেবে বিএনপি। এগুলো প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সূত্র জানায়, বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী তালিকাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি আসনে তৈরি হওয়া বিরোধ গত কয়েক দিনে আরও প্রকাশ্যে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অংশ হিসেবে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন, মাঠপর্যায়ে তাদের অবস্থান নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করছেন না। তবে যাচাই-বাছাইয়ের পর ঘোষিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির নেতারা। করিম সরকারকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গণমিছিল ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট–মাধবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া এস. এম. ফয়সালকে পরিবর্তন করে শাম্মী আক্তারকে প্রার্থী করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। রংপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পুনর্বিবেচনার দাবিতে গণমিছিল হয়েছে। রংপুর মহানগরীতে এ মিছিলে অংশ নেন দলের সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবীর সমর্থকরা। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু। কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর পরিবর্তে মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে দলের প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে টেকনাফ পৌরসভায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির একাংশ। দলের মনোনয়নবঞ্চিত জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর সমর্থকরা এই মশাল মিছিল বের করেন। নাটোর-১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনে প্রার্থী করা হয়েছে প্রয়াত বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে ফারজানা শারমিন পুতুলকে। এ আসনে আরও দুজন মনোনয়নপ্রত্যাশী—রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু এবং পুতুলের ভাই ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক ভিপি ইয়াছির আরশাদ রাজন। পুতুলের প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকে টিপু ও রাজনের সমর্থকরা পৃথকভাবে বিক্ষোভ করছেন। গত রবিবারও বাগাতিপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল সমাবেশ করেন টিপু। নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সোমবার আড়াইহাজারে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভায় একই মঞ্চে দেখা যায় মনোনয়নবঞ্চিত কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদুর রহমান সুমন, সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী পারভিন আক্তারকে। মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী আমজাদ হোসেনের পরিবর্তে জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদকে প্রার্থী করার দাবিতে আন্দোলন করছেন নেতাকর্মীদের একাংশ। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীকে প্রার্থী না করায় চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন সেখানকার নেতাকর্মীদের একাংশ। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন। চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহারকে মনোনয়ন না দেওয়ায় সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন তার সমর্থকরা। নরসিংদী-৪ আসনে সর্দার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মনোনয়ন দেওয়ায় সেখানেও ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। একই অবস্থা মুন্সীগঞ্জ-২ আসনেও। সেখানেও বিএনপির প্রার্থী পুনর্বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদকে প্রার্থী করার দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। এসব আসনের বাইরে চট্টগ্রাম-১৬, নোয়াখালী-৫, গাজীপুর-৪, ঠাকুরগাঁও-৩, রাজশাহী-৪ ও ৫ আসনসহ আরও বেশ কয়েকটিতে মনোনয়ন নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে। এসব আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করা হবে কিনা, সেটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকমান্ড। এদিকে ফাঁকা ৬৩ আসনের মধ্যে অন্তত ১১ আসনে দলীয় প্রার্থী শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। বিএনপি সূত্র জানায়, এ বিষয়ে কাজ করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। এসব আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথাও বলেছেন তারা। এর মধ্যে ঢাকা-৯, ঢাকা-১৮, ঢাকা-২০, মাদারীপুর-২, গাজীপুর-১, টাঙ্গাইল-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, ঝিনাইদহ-৪ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে শিগগিরই।
ডেক্স রিপোর্ট :
আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ২৩৭ আসনে একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে মাদারীপুরের একটি আসন স্থগিত ঘোষণা করা হলেও বাকি আসনগুলোতে ‘ধানের শীষ’ পাওয়ার পর প্রার্থীরা মাঠঘাট চষে বেড়াচ্ছেন। কোনো কোনো আসনে কোন্দলও দেখা দিয়েছে। বিদ্রোহী প্রার্থীরা মাঠ ছাড়েননি। এরই মধ্যে কোন্দলে তিনজন নিহত হয়েছেন।
জানা গেছে, নাটোর, ময়মনসিংহ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘোষিত ৪০টির বেশি আসনে টানাপোড়েন চলছে। ফলে সম্ভাব্য একক প্রার্থীদের মাঠের কর্মকাণ্ড গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে বিএনপি। অনেক জায়গা থেকে খবর পাওয়া গেছে, বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী মাঠেই নামতে পারছেন না। বিশেষ করে নাটোর, টাঙ্গাইল, মুন্সিগঞ্জসহ বেশ কয়েকটি জেলার অনেক প্রার্থী দলীয় তোপের মুখে ভোটের মাঠে নামতে সাহস পাচ্ছেন না।
এছাড়াও মনোনয়নবঞ্চিত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রার্থীরা কেমন আচরণ করছেন, সেই বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে দলটি। আবার যারা ঐক্য তৈরির উদ্যোগ নিচ্ছেন, তাদের প্রচেষ্টায় বাধা দিলে দায়ীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
অন্যদিকে ঘোষিত আসনের মধ্যে অন্তত ২৩টিতে তীব্র বিরোধ দেখা দিয়েছে। আরও ২০টির মতো আসনে বিতর্কিত নেতাদের প্রার্থী দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব আসনে মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা শক্ত অবস্থানে রয়েছেন বলে নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের তদন্তে উঠে এসেছে। তাদের মতে, পুনর্মূল্যায়ন না হলে কয়েকজন বঞ্চিত নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে নামার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে ৬৩ আসনের (ফাঁকা) মধ্যে বেশির ভাগ আসন মিত্রদের জন্য ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। এ নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনাও চলছে। চলতি মাসের শেষ দিকে আসন ভাগাভাগি নিয়ে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে মিত্র রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বিএনপির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে আরও অন্তত ১১ আসনে দলীয় সম্ভাব্য একক প্রার্থী ঘোষণা দেবে বিএনপি। এগুলো প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, বিএনপির ঘোষিত প্রার্থী তালিকাকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকটি আসনে তৈরি হওয়া বিরোধ গত কয়েক দিনে আরও প্রকাশ্যে এসেছে। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার অংশ হিসেবে যারা মনোনয়ন পেয়েছেন, মাঠপর্যায়ে তাদের অবস্থান নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান দিয়ে যাচাই করা হচ্ছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করছেন না। তবে যাচাই-বাছাইয়ের পর ঘোষিত প্রাথমিক প্রার্থী তালিকায় কিছু পরিবর্তন আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দলটির নেতারা।
করিম সরকারকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে গণমিছিল ও বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট–মাধবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পাওয়া এস. এম. ফয়সালকে পরিবর্তন করে শাম্মী আক্তারকে প্রার্থী করার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
রংপুর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পুনর্বিবেচনার দাবিতে গণমিছিল হয়েছে। রংপুর মহানগরীতে এ মিছিলে অংশ নেন দলের সদস্য সচিব মাহফুজ উন নবীর সমর্থকরা। এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন রংপুর মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া–টেকনাফ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীর পরিবর্তে মোহাম্মদ আবদুল্লাহকে দলের প্রার্থী ঘোষণার দাবিতে টেকনাফ পৌরসভায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন দলটির একাংশ। দলের মনোনয়নবঞ্চিত জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর সমর্থকরা এই মশাল মিছিল বের করেন।
নাটোর-১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনে প্রার্থী করা হয়েছে প্রয়াত বিএনপি নেতা ফজলুর রহমান পটলের মেয়ে ফারজানা শারমিন পুতুলকে। এ আসনে আরও দুজন মনোনয়নপ্রত্যাশী—রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু এবং পুতুলের ভাই ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক ভিপি ইয়াছির আরশাদ রাজন। পুতুলের প্রার্থিতা ঘোষণার পর থেকে টিপু ও রাজনের সমর্থকরা পৃথকভাবে বিক্ষোভ করছেন। গত রবিবারও বাগাতিপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক বিশাল সমাবেশ করেন টিপু।
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছেন মনোনয়নবঞ্চিতরা। সোমবার আড়াইহাজারে ৭ নভেম্বর উপলক্ষে আলোচনা সভায় একই মঞ্চে দেখা যায় মনোনয়নবঞ্চিত কেন্দ্রীয় নেতা মাহমুদুর রহমান সুমন, সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান আঙ্গুর ও মহিলা দলের কেন্দ্রীয় নেত্রী পারভিন আক্তারকে।
মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী আমজাদ হোসেনের পরিবর্তে জেলা বিএনপির সভাপতি জাভেদ মাসুদকে প্রার্থী করার দাবিতে আন্দোলন করছেন নেতাকর্মীদের একাংশ।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীকে প্রার্থী না করায় চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি তুলেছেন সেখানকার নেতাকর্মীদের একাংশ। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্লাহ বাহারকে মনোনয়ন না দেওয়ায় সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেছেন তার সমর্থকরা।
নরসিংদী-৪ আসনে সর্দার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে মনোনয়ন দেওয়ায় সেখানেও ক্ষুব্ধ হয়েছেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তারা বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
একই অবস্থা মুন্সীগঞ্জ-২ আসনেও। সেখানেও বিএনপির প্রার্থী পুনর্বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদকে প্রার্থী করার দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। এসব আসনের বাইরে চট্টগ্রাম-১৬, নোয়াখালী-৫, গাজীপুর-৪, ঠাকুরগাঁও-৩, রাজশাহী-৪ ও ৫ আসনসহ আরও বেশ কয়েকটিতে মনোনয়ন নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ রয়েছে।
এসব আসনে প্রার্থী পরিবর্তন করা হবে কিনা, সেটি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে হাইকমান্ড।
এদিকে ফাঁকা ৬৩ আসনের মধ্যে অন্তত ১১ আসনে দলীয় প্রার্থী শিগগিরই ঘোষণা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। বিএনপি সূত্র জানায়, এ বিষয়ে কাজ করছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। এসব আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে ইতোমধ্যে কথাও বলেছেন তারা। এর মধ্যে ঢাকা-৯, ঢাকা-১৮, ঢাকা-২০, মাদারীপুর-২, গাজীপুর-১, টাঙ্গাইল-৫, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, ঝিনাইদহ-৪ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণা হতে পারে শিগগিরই।