ভূমিকম্পে ফাটল ধরা পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ভবন
প্রকাশের সময় :
০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
৯
পড়া হয়েছে
ভূমিকম্পে ফাটল ধরা পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ভবন
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি রাজধানীতে শুক্রবার সকালে অনুভূত ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুরান ঢাকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা—সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের পুরাতন ভবন। কম্পনের পরপরই ভবনের বিভিন্ন অংশে দেয়াল, কলাম, সিলিং ও সিঁড়িঘরে একাধিক স্থানে ফাটল দেখা দেয়। ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের ভূকম্পনের ফলে ভবনের কিছু জায়গা থেকে প্লাস্টার খসে পড়ে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কলামে গভীর চিড় দেখা যায়। সরজমিনে দেখা যায়, পুরাতন ভবনের সংযোগস্থলে নতুন ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং অডিটোরিয়াম ভবনের ভেতরেও বড় ধরনের কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। এসব দৃশ্য কলেজ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এক অনার্স শিক্ষার্থী বলেন, “ভবনটি বয়সের দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ছিলই। কিন্তু আজকের ফাটলগুলো দেখে মনে হচ্ছে অবিলম্বে স্ট্রাকচারাল টেস্ট করা প্রয়োজন। ক্যাম্পাসে যদি ভিড় থাকত, বড় বিপদ হতে পারত।” অভিভাবকদেরও একই শঙ্কা— “আমাদের সন্তানরা প্রতিদিন এই ভবনে ক্লাস করে। ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।” ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, নরসিংদীর মাধবদীতে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল, যা আগারগাঁও সিসমিক সেন্টার থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার পূর্বে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইএসপিআর। ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকৌশল বিভাগকে জরুরি ভিত্তিতে ভবন পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাঠামোগত ঝুঁকি শনাক্ত হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা জানায়। এদিকে ভবনের ফাটল ও ক্ষতির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের পুরাতন ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মত, রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির মতো ঘটনা এড়াতে পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার ও পুনঃমূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি।
13
লামিসা তাসনিম জুহা, বিশেষ প্রতিনিধি
রাজধানীতে শুক্রবার সকালে অনুভূত ৫.৭ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুরান ঢাকার অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা—সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের পুরাতন ভবন। কম্পনের পরপরই ভবনের বিভিন্ন অংশে দেয়াল, কলাম, সিলিং ও সিঁড়িঘরে একাধিক স্থানে ফাটল দেখা দেয়।
২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটের ভূকম্পনের ফলে ভবনের কিছু জায়গা থেকে প্লাস্টার খসে পড়ে এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কলামে গভীর চিড় দেখা যায়। সরজমিনে দেখা যায়, পুরাতন ভবনের সংযোগস্থলে নতুন ফাটল সৃষ্টি হয়েছে এবং অডিটোরিয়াম ভবনের ভেতরেও বড় ধরনের কাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে। এসব দৃশ্য কলেজ ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।
সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় দুর্ঘটনা এড়ানো গেলেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে।
এক অনার্স শিক্ষার্থী বলেন,
“ভবনটি বয়সের দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ছিলই। কিন্তু আজকের ফাটলগুলো দেখে মনে হচ্ছে অবিলম্বে স্ট্রাকচারাল টেস্ট করা প্রয়োজন। ক্যাম্পাসে যদি ভিড় থাকত, বড় বিপদ হতে পারত।”
অভিভাবকদেরও একই শঙ্কা—
“আমাদের সন্তানরা প্রতিদিন এই ভবনে ক্লাস করে। ভবন ঝুঁকিপূর্ণ হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।”
ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়, অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, নরসিংদীর মাধবদীতে ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল, যা আগারগাঁও সিসমিক সেন্টার থেকে মাত্র ১৩ কিলোমিটার পূর্বে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে আইএসপিআর।
ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রকৌশল বিভাগকে জরুরি ভিত্তিতে ভবন পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাঠামোগত ঝুঁকি শনাক্ত হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তারা জানায়।
এদিকে ভবনের ফাটল ও ক্ষতির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় সোহরাওয়ার্দী কলেজের পুরাতন ভবনের নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মত,
রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির মতো ঘটনা এড়াতে পুরাতন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনগুলো দ্রুত সংস্কার ও পুনঃমূল্যায়ন করা এখন সময়ের দাবি।