প্রকাশের সময় :
০৯:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ অগাস্ট ২০২৫
৪৪
পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটে সাংবাদিকের ওপর হামলা, গ্রেপ্তার ১
আনিছুল ইসলাম রাজিব জেলা প্রতিনিধি,লালমনিরহাট লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মকড়া ঢঢগাছ গ্রামে স্থানীয় সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হেলাল হোসেন কবিরের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় হেলালের মা সামসুন্নাহার বেগম লুসিও আহত হন। পুলিশ ইতোমধ্যে সোহরাব আলী নামে এক অভিযুক্তকে আটক করেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পেশাগত কাজে শহরে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে হেলাল কবিরকে পথরোধ করে স্থানীয় মকবুল হোসেন, তার চার ছেলে এবং আরও কয়েকজন। পূর্ব শত্রুতার জেরে তারা লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটায় এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। ছেলের আর্তচিৎকার শুনে সামসুন্নাহার বেগম ছুটে গেলে তাকেও মারধর করে হামলাকারীরা। পরে স্থানীয়রা মা-ছেলেকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর হেলাল কবির বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরন্নবী জানান, মামলার পরপরই এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে।
আনিছুল ইসলাম রাজিব জেলা প্রতিনিধি,লালমনিরহাট
লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর ইউনিয়নের মকড়া ঢঢগাছ গ্রামে স্থানীয় সাপ্তাহিক আলোর মনি পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক হেলাল হোসেন কবিরের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় হেলালের মা সামসুন্নাহার বেগম লুসিও আহত হন। পুলিশ ইতোমধ্যে সোহরাব আলী নামে এক অভিযুক্তকে আটক করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পেশাগত কাজে শহরে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হলে হেলাল কবিরকে পথরোধ করে স্থানীয় মকবুল হোসেন, তার চার ছেলে এবং আরও কয়েকজন। পূর্ব শত্রুতার জেরে তারা লাঠি ও রড দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটায় এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালায়। ছেলের আর্তচিৎকার শুনে সামসুন্নাহার বেগম ছুটে গেলে তাকেও মারধর করে হামলাকারীরা।
পরে স্থানীয়রা মা-ছেলেকে উদ্ধার করে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনার পর হেলাল কবির বাদী হয়ে ১১ জনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরন্নবী জানান, মামলার পরপরই এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছে।