, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দোয়া মাহফিল কুষ্টিয়ার মিরপুর অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের নির্দেশে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মিরপুরে ছাত্র সমাবেশ, দোয়া ও ধানের শীষের পক্ষে ৩১ দফা বাস্তবায়নের প্রত্যয় সুনামগঞ্জ-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আনিসুল হকের সমর্থনে তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারে মোটর শোভাযাত্রা ও জনসমাবেশ কুষ্টিয়ার মিরপুরে খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে গণমিছিল ও সমাবেশ মিরপুরে উপজেলা প্রশাসন ও গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসক ইকবাল হোসেনের মতবিনিময় কুষ্টিয়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মহাসড়কে শুয়ে অবরোধ কুষ্টিয়ার মিরপুরে বাড়ি ভাং-চু-র ও আবাদি জমি দ-খ-ল সহ উ-চ্ছে-দে-র অ-ভি-যো-গ কুষ্টিয়া-২ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পরিবর্তনের দাবিতে মিরপুরে বি-ক্ষো-ভ মিছিল

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই দেওয়া হবে টাইফয়েড টিকা

  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • ৪৬ পড়া হয়েছে
11

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ


ডেঙ্গু ও করোনাসহ নানা জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়ে চলেছে, চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসাকর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ মাস বয়স থেকে ১৫ বছর বয়স বা নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া সব শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে দেশের সকল অঞ্চলে।

 

 

 

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবুল ফজল মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন খান প্রতিদিনের খবর কে জানান, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই দেশব্যাপী এই টিকা প্রদান শুরু হবে। তিনি বলেন, টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা দিলে শিশুদের এই জ্বর থেকে সহজেই রক্ষা করা সম্ভব।

 

 

 

 

টিকা নিতে হলে প্রত্যেক শিশুর ১৭ সংখ্যার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সনদ ছাড়া কেউ টিকা পাবে না। তাই অভিভাবকদের এখনই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ, যা সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রতি বছর বাংলাদেশে বহু শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং জটিলতায় ভোগে। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

 

 

 

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই টিকা সংরক্ষণ, বিতরণ, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ এবং টিকাদান কেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে।

 

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে টাইফয়েড প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপও অনেকটা কমবে।

জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের দোয়া মাহফিল

সেপ্টেম্বরের শুরুতেই দেওয়া হবে টাইফয়েড টিকা

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
11

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ


ডেঙ্গু ও করোনাসহ নানা জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। ফলে দেশের হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বেড়ে চলেছে, চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে চিকিৎসাকর্মীরা। এমন পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ মাস বয়স থেকে ১৫ বছর বয়স বা নবম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ুয়া সব শিশুকে টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত এই টিকাদান কর্মসূচি চলবে দেশের সকল অঞ্চলে।

 

 

 

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) প্রোগ্রাম ম্যানেজার আবুল ফজল মোহাম্মদ শাহাবউদ্দিন খান প্রতিদিনের খবর কে জানান, সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকেই দেশব্যাপী এই টিকা প্রদান শুরু হবে। তিনি বলেন, টাইফয়েড একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা দিলে শিশুদের এই জ্বর থেকে সহজেই রক্ষা করা সম্ভব।

 

 

 

 

টিকা নিতে হলে প্রত্যেক শিশুর ১৭ সংখ্যার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদ থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই সনদ ছাড়া কেউ টিকা পাবে না। তাই অভিভাবকদের এখনই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

 

টাইফয়েড একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রামক রোগ, যা সাধারণত দূষিত পানি ও খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। প্রতি বছর বাংলাদেশে বহু শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়, যার মধ্যে অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হয় এবং জটিলতায় ভোগে। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধে বড় ধরনের অগ্রগতি আশা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

 

 

 

 

এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই টিকা সংরক্ষণ, বিতরণ, স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ এবং টিকাদান কেন্দ্র নির্ধারণের কাজ শুরু হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং অস্থায়ী ক্যাম্পের মাধ্যমে টিকা দেওয়া হবে। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে।

 

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের মধ্যে টাইফয়েড প্রতিরোধ গড়ে তোলা সম্ভব হবে এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর চাপও অনেকটা কমবে।