সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখা থেকে ৮৭ লাখ টাকা গায়েব! গ্রাহকের অভিযোগে তোলপাড়
প্রকাশের সময় :
০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
৪২
পড়া হয়েছে
সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখা থেকে ৮৭ লাখ টাকা গায়েব! গ্রাহকের অভিযোগে তোলপাড়
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড পিএলসি মাগুরা শাখা থেকে এক গ্রাহকের হিসাব থেকে গায়েব হয়ে গেছে ৮৭ লাখ টাকা। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ টিটুলের অভিযোগে ব্যাংকিং নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রশ্ন। তিনি দাবি করেছেন, তার কোনো অনুমতি ছাড়া তার চলতি হিসাব থেকে ধাপে ধাপে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে তিনি জড়িত নন এবং বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না। মোঃ টিটুল মাগুরা শহরের ইসলামপুর পাড়ার বাসিন্দা এবং উষা এস.সি লিমিটেড-এর মালিক ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখায় একটি চলতি হিসাব রয়েছে (হিসাব নম্বর: ২৪১৪২০০০১৮৩৫২)। তার ভাষ্যমতে, তিনি নিজে টাকা জমা করেছেন এবং বিভিন্ন উৎস থেকেও মোট ৮৭ লাখ টাকা ওই অ্যাকাউন্টে জমা হয়। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে তিনি কখনো কোনো চেক বই গ্রহণ করেননি। তবে সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, কে বা কারা তার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে চেক বই ইস্যু করে বিভিন্ন সময়ে ১০-২০ লাখ টাকা করে উত্তোলন করেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী বড় অঙ্কের চেক ছাড়ের আগে হিসাবধারীকে ফোনে জানানো বা এসএমএস পাঠানোর নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। এমনকি তার নিজের দেওয়া মোবাইল নম্বর (০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬) সরিয়ে অজ্ঞাত একটি নম্বর ব্যবহৃত হয়েছে, যা তিনি কখনোই ব্যবহার করেননি। ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও এনেছেন মোঃ টিটুল। তিনি জানিয়েছেন, ম্যানেজারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার আইনগত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক দাবি করেছেন, ঘটনাটি তার পূর্বসূরির সময়ের এবং তিনি গ্রাহককে একাধিকবার ব্যাংকে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন, কিন্তু তিনি নাকি আসেননি। তবে মোঃ টিটুল এই বক্তব্যকে অসত্য দাবি করে প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “আমি একাধিকবার ব্যাংকে গিয়েছি, কাগজপত্র জমা দিয়েছি, তারা শুধু ঘুরাতে থাকে।” এই ঘটনায় প্রতারক চক্র ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মোঃ টিটুল আরও জানিয়েছেন, ব্যাংক যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তিনি নিজেই আদালতে ফৌজদারি মামলা করবেন। এদিকে এ ঘটনায় মাগুরা জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাংকিং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখা বা ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড পিএলসি মাগুরা শাখা থেকে এক গ্রাহকের হিসাব থেকে গায়েব হয়ে গেছে ৮৭ লাখ টাকা। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোঃ টিটুলের অভিযোগে ব্যাংকিং নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে দেখা দিয়েছে তীব্র প্রশ্ন। তিনি দাবি করেছেন, তার কোনো অনুমতি ছাড়া তার চলতি হিসাব থেকে ধাপে ধাপে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে, যার সঙ্গে তিনি জড়িত নন এবং বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানতেন না।
মোঃ টিটুল মাগুরা শহরের ইসলামপুর পাড়ার বাসিন্দা এবং উষা এস.সি লিমিটেড-এর মালিক ও চেয়ারম্যান। তার প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখায় একটি চলতি হিসাব রয়েছে (হিসাব নম্বর: ২৪১৪২০০০১৮৩৫২)। তার ভাষ্যমতে, তিনি নিজে টাকা জমা করেছেন এবং বিভিন্ন উৎস থেকেও মোট ৮৭ লাখ টাকা ওই অ্যাকাউন্টে জমা হয়। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে তিনি কখনো কোনো চেক বই গ্রহণ করেননি।
তবে সম্প্রতি তিনি জানতে পারেন, কে বা কারা তার স্বাক্ষর জাল করে ব্যাংক থেকে চেক বই ইস্যু করে বিভিন্ন সময়ে ১০-২০ লাখ টাকা করে উত্তোলন করেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী বড় অঙ্কের চেক ছাড়ের আগে হিসাবধারীকে ফোনে জানানো বা এসএমএস পাঠানোর নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। এমনকি তার নিজের দেওয়া মোবাইল নম্বর (০১৬৮৫-৫৫৭৬৫৬) সরিয়ে অজ্ঞাত একটি নম্বর ব্যবহৃত হয়েছে, যা তিনি কখনোই ব্যবহার করেননি।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগও এনেছেন মোঃ টিটুল। তিনি জানিয়েছেন, ম্যানেজারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রকার আইনগত বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বর্তমান শাখা ব্যবস্থাপক দাবি করেছেন, ঘটনাটি তার পূর্বসূরির সময়ের এবং তিনি গ্রাহককে একাধিকবার ব্যাংকে আসার জন্য অনুরোধ করেছেন, কিন্তু তিনি নাকি আসেননি। তবে মোঃ টিটুল এই বক্তব্যকে অসত্য দাবি করে প্রতিদিনের খবর কে বলেন, “আমি একাধিকবার ব্যাংকে গিয়েছি, কাগজপত্র জমা দিয়েছি, তারা শুধু ঘুরাতে থাকে।”
এই ঘটনায় প্রতারক চক্র ও ব্যাংক কর্মকর্তাদের যোগসাজশ থাকার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। মোঃ টিটুল আরও জানিয়েছেন, ব্যাংক যদি যথাযথ পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে তিনি নিজেই আদালতে ফৌজদারি মামলা করবেন।
এদিকে এ ঘটনায় মাগুরা জেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাংকিং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এলাকাবাসী ও গ্রাহকরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন লেখার সময় পর্যন্ত সোনালী ব্যাংক মাগুরা শাখা বা ব্যাংকের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।