, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূজায় মদ খেয়ে মাতলামি করলে ছাড় নেই: ফেনীর এসপি বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত মতিঝিলের ‘বাংলার বাণী’ ভবন এখন প্রতিমন্ত্রী নুরের নিয়ন্ত্রণে কাতারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও পচা খাবার বিক্রি, সুপারমার্কেট বন্ধ ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল কিনবে প্রতিটি স্পন্দনে বাংলাদেশ দৈনিক খবরওয়ালার ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুষ্টিয়া সদরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলার আসামিকে ছাড়াতে তদবির, জামাত-বিএনপি’র ৮ নেতা-কর্মী আটক কুষ্টিয়ায় জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ কুষ্টিয়ায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

টাঙ্গাইলে নয়া ক্যাসিনো,  প্রতিরাতে কোটি টাকার লেনদেন

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৪১ পড়া হয়েছে

 

বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :


 

টাঙ্গাইলে নয়া ক্যাসিনোর জমজমাট ব্যবসা জমে উঠেছে।জেলা শহরের কয়েকটি অভিজাত ক্লাব,বাসাবাড়ি ও কয়েকটি উপজেলা শহরের প্রায় ২০ টি স্পটে এই অবৈধ ব্যবসা চলছে। ক্যাসিনোর সাথে রয়েছে মদ , ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসাও। প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এই ব্যবসার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।একটি বড় রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা এই অবৈধ ব্যবসার শেল্টার দিচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। প্রভাবশালী ঐ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে তাঁর স্থানীয় অনুসারীরা এই কোটি টাকার অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। ইতিমধ্যে ঐ নেতার নির্বাচনী প্রচারণায়ও নয়া ক্যাসিনো ও মাদক কারবারীদের দেখা যাচ্ছে। একটি সূত্র বলছে, মাদক থেকে মাসিক মাসোহারা নিয়ে ঐ নেতা কোটি টাকা ব্যয়ে বড় সামাজিক, সাংস্কৃতিক শোডাউনও করেছেন।

 

 

 

 

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, টাঙ্গাইল শহরের শতাব্দী ক্লাব, জনৈক আওয়ামী লীগ নেতার বটতলার আড্ডা রেস্টুরেন্ট, কয়েকজন নেতার বাসাবাড়ি, ভূঞাপুর উপজেলা সদরের এক নেতার বাড়ি,আউটডোর রেস্টুরেন্ট, গোপালপুরের একটি বাড়িতে, মধুপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে দুটি আলিসান বাড়িসহ প্রায় ২০ টি স্পটে চলছে এ ব্যবসা। প্রশাসন এটাকে জুয়া বললেও অভিজ্ঞরা বলছেন এটা নয়া ক্যাসিনো। প্রতি রাতেই বসে এই নয়া ক্যাসিনোর আসর। লেনদেন হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। উঠতি বয়সের তরুণরা এই ব্যবসায় ঝূকে পড়ছে। বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরাও সম্পৃক্ত হচ্ছেন। টাঙ্গাইল এই ব্যবসার নিরাপদ রুট হওয়ায় পার্শ্ববর্তী জামালপুর, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর জেলার ক্যাসিনো ভক্তরা এই জেলার বিভিন্ন স্পটে সংযুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইল আরো জমজমাট হয়ে উঠেছে।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কতিপয় অসাধু কর্মচারী ও জেলা পুলিশের কয়েকজন সদস্য সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় তারা সগর্বে অবৈধ এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

জমজমাট এই ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “জেলার অনেক প্রভাবশালী দের মাসিক মাসোহারা দেই।ভয় পাইনা । ভাই আছে ।”
টাঙ্গাইলে নয়া ক্যাসিনোর বিষয়টি বিভিন্ন গনমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
গত ১২ আগস্ট অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বিএনপির টাঙ্গাইল সদর সভাপতি আজগর আলী ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান শফিকুল সহ ৩৫ জনকে। গ্রেফতারকৃতরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকুর অনুসারী। রাতে গ্রেফতার হলেও পরদিনই তারা জামিনে বেড়িয়ে আসেন।

 

 

 

 

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৪৯ হাজার ৪১০ টাকা, জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম ও দুটি খালি মদের বোতল জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) গভীর রাতে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত শতাব্দী ক্লাব থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

আজগর আলী বাদে আটককৃতরা হলেন, সাবেক জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, কালিবাড়ি এলাকার বিধুণ ভুষনের ছেলে রক্ষিত বিশ্বজিৎ, সবুর খান বীর বিক্রমের ছেলে মো. শাহ আলম খান মিঠু, দিঘুলিয়ার জসিম উদ্দিন, বাঘিলের গোলাম মাওলা, থানাপাড়ার শাহিন আহমেদ, আবু জাফর খান, বিশ্বাস বেতকার মো. আব্দুর রশিদ, আকুর টাকুর পাড়ার মঈন খান, করটিয়ার ইসমাইলের ছেলে মোস্তফা কামাল, সাবালিয়া এলাকার বিশ্বনাথ ঘোষ, একে এম মাসুদ, বেতকার শিপন, মহব্বত আলী, বিশ্বাস বেতকার আশিকুর রহমান, রফিক, আখতারুজ্জামান, বেপারী পাড়ার এস এম ফরিদ আমিন, কবির হোসেন, আদালত পাড়ার মোশারফ উদ্দিন, রফিকুল, বিশ্বজিৎ, হাসান আলী, ঘারিন্দা এলাকার হাবিল উদ্দিন, আকুর টাকুর পাড়ার জাহিদ, থানা পাড়ার প্রিন্স খান, সৈয়দ শামসুদ্দোহা, পাড় দিঘলিয়ার সাদেকুর, কাজিপুরের সেলিম, আদালত পাড়ার শাহ আলম, সিরাজুল, আদি টাঙ্গাইলের শফিক, আশেকপুর এলাকার আরমান ও ছয়আনি পুকুর পাড় এলাকার শামসুল হক।
আদালতে আসামিদের সোপর্দ করলে ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ্র জামিন মঞ্জুর করেন।

 

এদিকে জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীসহ তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবারের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাজির হয়ে অভিযুক্তদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযুক্ত আরও দুই নেতা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম ও মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য হাসান উদ্দিন লিটন।

নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত জবাব পৌঁছে দেওয়া হবে।

পূজায় মদ খেয়ে মাতলামি করলে ছাড় নেই: ফেনীর এসপি

টাঙ্গাইলে নয়া ক্যাসিনো,  প্রতিরাতে কোটি টাকার লেনদেন

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৫

 

বিশেষ প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল :


 

টাঙ্গাইলে নয়া ক্যাসিনোর জমজমাট ব্যবসা জমে উঠেছে।জেলা শহরের কয়েকটি অভিজাত ক্লাব,বাসাবাড়ি ও কয়েকটি উপজেলা শহরের প্রায় ২০ টি স্পটে এই অবৈধ ব্যবসা চলছে। ক্যাসিনোর সাথে রয়েছে মদ , ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসাও। প্রশাসনের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এই ব্যবসার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।একটি বড় রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় প্রভাবশালী নেতা এই অবৈধ ব্যবসার শেল্টার দিচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। প্রভাবশালী ঐ নেতার ছত্রছায়ায় থেকে তাঁর স্থানীয় অনুসারীরা এই কোটি টাকার অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। ইতিমধ্যে ঐ নেতার নির্বাচনী প্রচারণায়ও নয়া ক্যাসিনো ও মাদক কারবারীদের দেখা যাচ্ছে। একটি সূত্র বলছে, মাদক থেকে মাসিক মাসোহারা নিয়ে ঐ নেতা কোটি টাকা ব্যয়ে বড় সামাজিক, সাংস্কৃতিক শোডাউনও করেছেন।

 

 

 

 

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, টাঙ্গাইল শহরের শতাব্দী ক্লাব, জনৈক আওয়ামী লীগ নেতার বটতলার আড্ডা রেস্টুরেন্ট, কয়েকজন নেতার বাসাবাড়ি, ভূঞাপুর উপজেলা সদরের এক নেতার বাড়ি,আউটডোর রেস্টুরেন্ট, গোপালপুরের একটি বাড়িতে, মধুপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে দুটি আলিসান বাড়িসহ প্রায় ২০ টি স্পটে চলছে এ ব্যবসা। প্রশাসন এটাকে জুয়া বললেও অভিজ্ঞরা বলছেন এটা নয়া ক্যাসিনো। প্রতি রাতেই বসে এই নয়া ক্যাসিনোর আসর। লেনদেন হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। উঠতি বয়সের তরুণরা এই ব্যবসায় ঝূকে পড়ছে। বিভিন্ন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরাও সম্পৃক্ত হচ্ছেন। টাঙ্গাইল এই ব্যবসার নিরাপদ রুট হওয়ায় পার্শ্ববর্তী জামালপুর, শেরপুর, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর জেলার ক্যাসিনো ভক্তরা এই জেলার বিভিন্ন স্পটে সংযুক্ত হওয়ায় টাঙ্গাইল আরো জমজমাট হয়ে উঠেছে।জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কতিপয় অসাধু কর্মচারী ও জেলা পুলিশের কয়েকজন সদস্য সরাসরি সম্পৃক্ত থাকায় তারা সগর্বে অবৈধ এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

 

জমজমাট এই ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত একজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “জেলার অনেক প্রভাবশালী দের মাসিক মাসোহারা দেই।ভয় পাইনা । ভাই আছে ।”
টাঙ্গাইলে নয়া ক্যাসিনোর বিষয়টি বিভিন্ন গনমাধ্যমকর্মীদের নজরে আসলে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
গত ১২ আগস্ট অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে বিএনপির টাঙ্গাইল সদর সভাপতি আজগর আলী ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক দেওয়ান শফিকুল সহ ৩৫ জনকে। গ্রেফতারকৃতরা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল সদর আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকুর অনুসারী। রাতে গ্রেফতার হলেও পরদিনই তারা জামিনে বেড়িয়ে আসেন।

 

 

 

 

গ্রেফতারের সময় তাদের কাছ থেকে নগদ এক লাখ ৪৯ হাজার ৪১০ টাকা, জুয়া খেলার বিভিন্ন সরঞ্জাম ও দুটি খালি মদের বোতল জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) গভীর রাতে শহরের ভিক্টোরিয়া রোডে অবস্থিত শতাব্দী ক্লাব থেকে তাদের আটক করা হয়।

 

আজগর আলী বাদে আটককৃতরা হলেন, সাবেক জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, কালিবাড়ি এলাকার বিধুণ ভুষনের ছেলে রক্ষিত বিশ্বজিৎ, সবুর খান বীর বিক্রমের ছেলে মো. শাহ আলম খান মিঠু, দিঘুলিয়ার জসিম উদ্দিন, বাঘিলের গোলাম মাওলা, থানাপাড়ার শাহিন আহমেদ, আবু জাফর খান, বিশ্বাস বেতকার মো. আব্দুর রশিদ, আকুর টাকুর পাড়ার মঈন খান, করটিয়ার ইসমাইলের ছেলে মোস্তফা কামাল, সাবালিয়া এলাকার বিশ্বনাথ ঘোষ, একে এম মাসুদ, বেতকার শিপন, মহব্বত আলী, বিশ্বাস বেতকার আশিকুর রহমান, রফিক, আখতারুজ্জামান, বেপারী পাড়ার এস এম ফরিদ আমিন, কবির হোসেন, আদালত পাড়ার মোশারফ উদ্দিন, রফিকুল, বিশ্বজিৎ, হাসান আলী, ঘারিন্দা এলাকার হাবিল উদ্দিন, আকুর টাকুর পাড়ার জাহিদ, থানা পাড়ার প্রিন্স খান, সৈয়দ শামসুদ্দোহা, পাড় দিঘলিয়ার সাদেকুর, কাজিপুরের সেলিম, আদালত পাড়ার শাহ আলম, সিরাজুল, আদি টাঙ্গাইলের শফিক, আশেকপুর এলাকার আরমান ও ছয়আনি পুকুর পাড় এলাকার শামসুল হক।
আদালতে আসামিদের সোপর্দ করলে ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ্র জামিন মঞ্জুর করেন।

 

এদিকে জুয়া খেলার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগ এনে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলীসহ তিন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিএনপি।
বৃহস্পতিবারের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হাজির হয়ে অভিযুক্তদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বুধবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
অভিযুক্ত আরও দুই নেতা হলেন- জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক দেওয়ান শফিকুল ইসলাম ও মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য হাসান উদ্দিন লিটন।

নোটিশ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে লিখিত জবাব পৌঁছে দেওয়া হবে।