প্রকাশের সময় :
১২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
১৬
পড়া হয়েছে
পূজায় মদ খেয়ে মাতলামি করলে ছাড় নেই: ফেনীর এসপি
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ফেনীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তিনি স্পষ্ট করেন, পূজামণ্ডপে মদ খেয়ে মাতলামি বা নাচানাচি করলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এসপি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্তদের পুলিশ সরাসরি 'ঘাড়ে ধরে' আটক করবে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করলে, সে যে-ই হোক না কেন, পুলিশ তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।’। তাদের দেখাদেখি অন্যরাও এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে মাদকের সহজলভ্যতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, পূজার পবিত্র পরিবেশ রক্ষায় পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাতালদের কারণে উৎসবের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই। নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি আরও জানান, গুরুত্বপূর্ণ ও শহরকেন্দ্রিক মণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি থাকবে। এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি সভায় উল্লেখ করেন। অধিক গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলোতে পুলিশের নজরদারি বেশি থাকবে।প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। সভায় জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। গুজব ছড়ানো বা অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। সভায় বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকারের সঞ্চালনায় সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ খালেক, বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাস। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির কার্যক্রম চলাকালীনও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ফেনী জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভালো।এদিকে পুলিশ সুপারের এই কঠোর অবস্থানের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফেনী জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমীর কর। তিনি বলেন, ফেনীতে অতীতে পূজার সময় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার নজির নেই। তবে পুলিশ সুপার যে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, পরিষদের পক্ষ থেকে সেটিকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। সমীর কর আরও বলেন, পূজার ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা এবং সরকারি ভাবমূর্তি বজায় রাখার স্বার্থে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। আমাদের যে মেডিক্যাল টিম থাকবে, সেখানে এনে ওয়াশ করিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’।জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এবার ফেনীর ছয়টি উপজেলায় মোট ১৫৩টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। এর মধ্যে সদরে ৬৫টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, সোনাগাজীতে ২৩টি, দাগনভূঞায় ১৯টি, পরশুরামে ৭টি ও ছাগলনাইয়ায় ৫টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর মণ্ডপের সংখ্যা তিনটি বেড়েছে। নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ফেনীতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার। মঙ্গলবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রস্তুতি সভায় তিনি স্পষ্ট করেন, পূজামণ্ডপে মদ খেয়ে মাতলামি বা নাচানাচি করলে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। এসপি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ডে লিপ্তদের পুলিশ সরাসরি ‘ঘাড়ে ধরে’ আটক করবে এবং স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার এই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করলে, সে যে-ই হোক না কেন, পুলিশ তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসবে।’। তাদের দেখাদেখি অন্যরাও এমন কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।
ফেনী সীমান্তবর্তী জেলা হওয়ায় এখানে মাদকের সহজলভ্যতা রয়েছে বলে মন্তব্য করেন পুলিশ সুপার। তিনি বলেন, পূজার পবিত্র পরিবেশ রক্ষায় পুলিশ বদ্ধপরিকর। মাতালদের কারণে উৎসবের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার সুযোগ নেই। নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি আরও জানান, গুরুত্বপূর্ণ ও শহরকেন্দ্রিক মণ্ডপগুলোতে বিশেষ নজরদারি থাকবে। এছাড়া কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি সভায় উল্লেখ করেন। অধিক গুরুত্বপূর্ণ পূজামণ্ডপগুলোতে পুলিশের নজরদারি বেশি থাকবে।
প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম। সভায় জানানো হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও র্যাব সদস্যদের সমন্বয়ে কঠোর নজরদারি থাকবে। প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের পাশাপাশি যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। গুজব ছড়ানো বা অতিরঞ্জিত তথ্য প্রচারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। সভায় বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিবুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফেনীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিমের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ আল আমিন সরকারের সঞ্চালনায় সভায় জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ খালেক, বিজিবি ৪ ফেনী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাস। পাশাপাশি প্রতিমা তৈরির কার্যক্রম চলাকালীনও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। ফেনী জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ভালো।
এদিকে পুলিশ সুপারের এই কঠোর অবস্থানের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ফেনী জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি সমীর কর। তিনি বলেন, ফেনীতে অতীতে পূজার সময় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার নজির নেই। তবে পুলিশ সুপার যে সতর্কবার্তা দিয়েছেন, পরিষদের পক্ষ থেকে সেটিকে স্বাগত জানানো হচ্ছে। সমীর কর আরও বলেন, পূজার ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা এবং সরকারি ভাবমূর্তি বজায় রাখার স্বার্থে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। আমাদের যে মেডিক্যাল টিম থাকবে, সেখানে এনে ওয়াশ করিয়ে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, এবার ফেনীর ছয়টি উপজেলায় মোট ১৫৩টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। এর মধ্যে সদরে ৬৫টি, ফুলগাজীতে ৩৪টি, সোনাগাজীতে ২৩টি, দাগনভূঞায় ১৯টি, পরশুরামে ৭টি ও ছাগলনাইয়ায় ৫টি পূজামণ্ডপ রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর মণ্ডপের সংখ্যা তিনটি বেড়েছে। নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসন সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।