ধর্মপাশায় যুবলীগ নেতা রানার’ মাদক সাম্রাজ্য এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ।
প্রকাশের সময় :
১২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
৩৩
পড়া হয়েছে
ধর্মপাশায় যুবলীগ নেতা রানার’ মাদক সাম্রাজ্য এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ।
মধ্যনগর(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পুলিশের নাকের ডগায়ই মাদক সম্রাট যুবলীগ নেতা রানা মিয়ার মাদক ব্যবসা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সেলবরষ ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মাদক ব্যবসায়ী রানা নিজ বাড়ি থেকে সবাইকে ম্যানেজ করে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে আসছে। এলাকাবাসী তাকে মাদক ব্যবসায়ী রানা বলেই চেনে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, যুবলীগ নেতা মাদক ব্যবসায়ী রানা মিয়া পুলিশকে ম্যানেজ করেই উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়ন এবং পাশের বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে ৪০টি স্পটে প্রকাশ্যে মাদকদ্রব্য সাপ্লাই দিয়ে আসছে রানা মিয়া। মাদক ব্যবসায়ী রানার প্রধান সহযোগী মোটরসাইকেল ড্রাইভার বারহাট্টা উপজেলার সিন্দা ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা রুহুল আমিনসহ অনেকে। মাদক সম্রাট রানা মিয়া জমজমাট মাদক ব্যবসার কারণে ধর্মপাশায় হাত বাড়ালেই মিলছে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, ইয়াবা। এলাকায় মাদক বিক্রি হওয়াটা এখন স্বাভাবিক বলে মনে করে অনেকেই। এ ব্যাপারে কোনো রাখঢাকও নেই। সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তাঘাটে পাড়া মহল্লায় মাদক ঘুরে ঘুরে ফেরি করে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ করেন অনেকে। স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়ন এবং পাশের পাশের বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে ৪০টি স্পটে ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা ও ইয়াবার বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এখন পুলিশের সাথে নাকি মাসিক চুক্তি করে রানা মিয়া সাহায্যে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। এই চক্রের মাদক ব্যবসার শেল্টারদাতা নাকি অনেক প্রভাবশালী নেতারা। এদের মধ্যে আওয়ামী যুবলীগের নেতাদের নামও বলছেন অনেকে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা মাদক ব্যবসায়ী রানা মিয়া বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সাংবাদিক নিউজ করবে আমি প্রয়োজনে সাংবাদিকদেরকে খুন করে ফেলব। খুন করে জেলে যাব জেলকেটে আমার অভ্যাস আছে। সেলবরষ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মনিরুজাম্মান মনির বলেন, কিছু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চক্রটি নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রি করে থাকেন। মাদক সহজলভ্য হওয়ায় এলাকার উঠতি বয়সি তরুণদের সঙ্গে কিছু সংখ্যক তরুণীও নেশার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। ইদানিং মাদকাসক্ত পরিস্থিতিটা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে। মাদক সেবনকারীদের উৎপাতে এলাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইদানিং কয়েকজন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করলেও বন্ধ হয়নি মাদক ব্যবসা। বরং দিন দিন এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিনিয়ত যুবক ও তরুণরা যোগ দিচ্ছে মাদক সেবনের সাথে ব্যবসায়ও। সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ আলী বলেন, উপজেলা সদর ও সেলবরষ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলে সয়লাব হলেও এগুলো দেখার কেউ নেই। যারা বন্ধ বা প্রতিরোধ করবে তারাই এ ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত। রহস্যজনক কারণে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে। এ মরণনেশা মাদকে দিন দিন এলাকার তরুণরা আসক্ত হচ্ছে। মাদক নির্মূল করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের উদ্বোধন কর্তৃপক্ষদের সু দৃষ্টি কামনা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক পুলিশকে ম্যানেজ করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। মাদক কারবারি রানাকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত।
মধ্যনগর(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় পুলিশের নাকের ডগায়ই মাদক সম্রাট যুবলীগ নেতা রানা মিয়ার মাদক ব্যবসা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সেলবরষ ইউনিয়নের ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মাদক ব্যবসায়ী রানা নিজ বাড়ি থেকে সবাইকে ম্যানেজ করে প্রকাশ্যে মাদক ব্যবসা করে আসছে। এলাকাবাসী তাকে মাদক ব্যবসায়ী রানা বলেই চেনে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, যুবলীগ নেতা মাদক ব্যবসায়ী রানা মিয়া পুলিশকে ম্যানেজ করেই উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়ন এবং পাশের বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন
মাদক ব্যবসায়ী রানার প্রধান সহযোগী মোটরসাইকেল ড্রাইভার বারহাট্টা উপজেলার সিন্দা ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা
রুহুল আমিনসহ অনেকে। মাদক সম্রাট রানা মিয়া জমজমাট মাদক ব্যবসার কারণে ধর্মপাশায় হাত বাড়ালেই মিলছে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন, ইয়াবা।
এলাকায় মাদক বিক্রি হওয়াটা এখন স্বাভাবিক বলে মনে করে অনেকেই। এ ব্যাপারে কোনো রাখঢাকও নেই। সন্ধ্যার পর থেকে রাস্তাঘাটে পাড়া মহল্লায় মাদক ঘুরে ঘুরে ফেরি করে বিক্রি করছে এমন অভিযোগ করেন অনেকে।
স্থানীয়দের আরো অভিযোগ, উপজেলার সেলবরষ ও পাইকুরাটি ইউনিয়ন এবং পাশের পাশের বারহাট্টা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কমপক্ষে ৪০টি স্পটে ফেনসিডিল, মদ, গাঁজা ও ইয়াবার বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা এখন পুলিশের সাথে নাকি মাসিক চুক্তি করে রানা মিয়া সাহায্যে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছে। এই চক্রের মাদক ব্যবসার শেল্টারদাতা নাকি অনেক প্রভাবশালী নেতারা। এদের মধ্যে আওয়ামী যুবলীগের নেতাদের নামও বলছেন অনেকে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা মাদক ব্যবসায়ী রানা মিয়া বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে সাংবাদিক নিউজ করবে আমি প্রয়োজনে সাংবাদিকদেরকে খুন করে ফেলব। খুন করে জেলে যাব জেলকেটে আমার অভ্যাস আছে।
সেলবরষ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মনিরুজাম্মান মনির বলেন, কিছু প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় চক্রটি নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে মাদক বিক্রি করে থাকেন। মাদক সহজলভ্য হওয়ায় এলাকার উঠতি বয়সি তরুণদের সঙ্গে কিছু সংখ্যক তরুণীও নেশার দিকে ঝুঁকে পড়েছে। ইদানিং মাদকাসক্ত পরিস্থিতিটা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নে ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
মাদক সেবনকারীদের উৎপাতে এলাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইদানিং কয়েকজন মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করলেও বন্ধ হয়নি মাদক ব্যবসা। বরং দিন দিন এলাকায় মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিনিয়ত যুবক ও তরুণরা যোগ দিচ্ছে মাদক সেবনের সাথে ব্যবসায়ও।
সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ আলী বলেন, উপজেলা সদর ও সেলবরষ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় হেরোইন, গাঁজা, ইয়াবা, ফেনসিডিলে সয়লাব হলেও এগুলো দেখার কেউ নেই। যারা বন্ধ বা প্রতিরোধ করবে তারাই এ ব্যবসায়ীদের সাথে জড়িত। রহস্যজনক কারণে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে। এ মরণনেশা মাদকে দিন দিন এলাকার তরুণরা আসক্ত হচ্ছে। মাদক নির্মূল করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের উদ্বোধন কর্তৃপক্ষদের সু দৃষ্টি কামনা করছি দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ ব্যাপারে ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল হক পুলিশকে ম্যানেজ করার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান আছে। মাদক কারবারি রানাকে গ্রেফতারের জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত।