, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পূজায় মদ খেয়ে মাতলামি করলে ছাড় নেই: ফেনীর এসপি বাংলাদেশের সঙ্গে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক চায় ভারত মতিঝিলের ‘বাংলার বাণী’ ভবন এখন প্রতিমন্ত্রী নুরের নিয়ন্ত্রণে কাতারে মেয়াদোত্তীর্ণ ও পচা খাবার বিক্রি, সুপারমার্কেট বন্ধ ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল কিনবে প্রতিটি স্পন্দনে বাংলাদেশ দৈনিক খবরওয়ালার ৩য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত কুষ্টিয়া সদরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলার আসামিকে ছাড়াতে তদবির, জামাত-বিএনপি’র ৮ নেতা-কর্মী আটক কুষ্টিয়ায় জেলা যুবদলের নবগঠিত কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে আনন্দ মিছিল ও সমাবেশ কুষ্টিয়ায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

“নোংরা গ্রুপিং নয়, দরকার দলীয় ঐক্য”—বিএনপি নেতা আলী আহমেদের সাহসী বার্তা ঝড় তুলেছে মাগুরায়!

  • প্রকাশের সময় : ০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৫১ পড়া হয়েছে

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ


মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন—দলের মধ্যে চলমান গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল তিনি কখনোই সমর্থন করেন না। দীর্ঘদিন ধরে দলের নেতৃত্বে থাকা এই অভিজ্ঞ নেতা বলেন, “আমি এতো বছর ধরে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছি, এখন আমি তো একজন প্রার্থী। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে, তাহলে হয়তো আমাকে নমিনেশনও দিবে।

 

তখন তো কোন গ্রুপিং কাজে আসবেনা, আমার তো দলের সবাইকে নিয়েই কাজ করতে হবে।” তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, দল যাকেই প্রার্থী করুক, সবাইকে নিয়ে কাজ করাই হবে মূল দায়িত্ব, আর এটাই দলের প্রকৃত চেতনা।

 

তিনি প্রতিদিনের খবর কে আরও বলেন, “এরকম অবস্থায় যারা দলের মধ্যে এখনো নোংরা গ্রুপিং সৃষ্টি করতে চায়, তার আসলে রাজনীতির কিছুই বোঝেনা এবং আমি মনে করি তাদের মতো লোকের বিএনপির রাজনীতি করারও কোন অধিকার নাই।” একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতিতে যখন অনেক নেতা নিজেদের স্বার্থে ভেদাভেদের রাজনীতিকে উৎসাহ দেন, তখন আলী আহমেদের এমন শক্ত অবস্থান নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এটি শুধু তার ব্যক্তিত্বকেই প্রকাশ করে না, বরং এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, শৃঙ্খলা এবং ঐক্যের বার্তাও বহন করে।

 

এই বক্তব্য প্রকাশের পরই তার ফেসবুক পেজে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। দলীয় কর্মী, সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত অনেকেই তার এই উক্তির প্রশংসা করেন এবং একে সময়োপযোগী ও সাহসী বার্তা হিসেবে বিবেচনা করেন। মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপির মধ্যে যে বিভাজন ও গ্রুপিং লক্ষ্য করা যায়, সেই প্রেক্ষাপটে আলী আহমেদের এমন মনোভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

 

একজন নেতার দায়িত্ব শুধু নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং বিভাজনকে অতিক্রম করে দলকে এক কাতারে দাঁড় করানো। আলী আহমেদ সেই দায়িত্বশীলতারই এক বাস্তব উদাহরণ। দল যদি সত্যিই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগোতে চায়, তবে এ ধরনের সাহসী কণ্ঠই হবে আগামীর বিএনপির শক্ত ভিত।

পূজায় মদ খেয়ে মাতলামি করলে ছাড় নেই: ফেনীর এসপি

“নোংরা গ্রুপিং নয়, দরকার দলীয় ঐক্য”—বিএনপি নেতা আলী আহমেদের সাহসী বার্তা ঝড় তুলেছে মাগুরায়!

প্রকাশের সময় : ০৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

 

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ


মাগুরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলী আহমেদ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন—দলের মধ্যে চলমান গ্রুপিং ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল তিনি কখনোই সমর্থন করেন না। দীর্ঘদিন ধরে দলের নেতৃত্বে থাকা এই অভিজ্ঞ নেতা বলেন, “আমি এতো বছর ধরে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছি, এখন আমি তো একজন প্রার্থী। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে, তাহলে হয়তো আমাকে নমিনেশনও দিবে।

 

তখন তো কোন গ্রুপিং কাজে আসবেনা, আমার তো দলের সবাইকে নিয়েই কাজ করতে হবে।” তার এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, দল যাকেই প্রার্থী করুক, সবাইকে নিয়ে কাজ করাই হবে মূল দায়িত্ব, আর এটাই দলের প্রকৃত চেতনা।

 

তিনি প্রতিদিনের খবর কে আরও বলেন, “এরকম অবস্থায় যারা দলের মধ্যে এখনো নোংরা গ্রুপিং সৃষ্টি করতে চায়, তার আসলে রাজনীতির কিছুই বোঝেনা এবং আমি মনে করি তাদের মতো লোকের বিএনপির রাজনীতি করারও কোন অধিকার নাই।” একবিংশ শতাব্দীর রাজনীতিতে যখন অনেক নেতা নিজেদের স্বার্থে ভেদাভেদের রাজনীতিকে উৎসাহ দেন, তখন আলী আহমেদের এমন শক্ত অবস্থান নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এটি শুধু তার ব্যক্তিত্বকেই প্রকাশ করে না, বরং এটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র, শৃঙ্খলা এবং ঐক্যের বার্তাও বহন করে।

 

এই বক্তব্য প্রকাশের পরই তার ফেসবুক পেজে ব্যাপক সাড়া পড়ে যায়। দলীয় কর্মী, সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ পর্যন্ত অনেকেই তার এই উক্তির প্রশংসা করেন এবং একে সময়োপযোগী ও সাহসী বার্তা হিসেবে বিবেচনা করেন। মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিএনপির মধ্যে যে বিভাজন ও গ্রুপিং লক্ষ্য করা যায়, সেই প্রেক্ষাপটে আলী আহমেদের এমন মনোভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

 

একজন নেতার দায়িত্ব শুধু নেতৃত্ব দেওয়া নয়, বরং বিভাজনকে অতিক্রম করে দলকে এক কাতারে দাঁড় করানো। আলী আহমেদ সেই দায়িত্বশীলতারই এক বাস্তব উদাহরণ। দল যদি সত্যিই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগোতে চায়, তবে এ ধরনের সাহসী কণ্ঠই হবে আগামীর বিএনপির শক্ত ভিত।