মাগুরার মাটিতে এবি পার্টির গর্জন: “সাম্যের পথে নতুন দিগন্ত”
প্রকাশের সময় :
০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৫
৪৬
পড়া হয়েছে
মাগুরার মাটিতে এবি পার্টির গর্জন: “সাম্যের পথে নতুন দিগন্ত”
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন; স্টাফ রিপোর্টারঃ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে মাগুরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হলো আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), মাগুরা জেলা শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। শক্রবার (২২ আগস্ট) বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যা মাগুরা জেলার রাজনীতিতে এবি পার্টির শক্তিশালী উপস্থিতি ও সংগঠনের গতিশীলতা তুলে ধরে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার খান গোলাম আজম, ভাইস চেয়ারম্যান, এবি পার্টি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এবি পার্টি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে এমন এক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়তে চায়, যেখানে থাকবে না কোনো জাতি বৈষম্য, মতভেদ থাকলেও থাকবে না বিদ্বেষ। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা ও দলের দর্শন অত্যন্ত পরিপক্ব ও সুসংহতভাবে তুলে ধরেন, যা উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ তৈরি করে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) ও যশোর জেলা আহ্বায়ক, এবং ব্যারিস্টার মাহমুদ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক, যশোর জেলা ও কেন্দ্রীয় সদস্য। তারা এবি পার্টির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কাঠামো মজবুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন মোঃ ইমরান নাজির, আহ্বায়ক, এবি পার্টি, মাগুরা জেলা। তিনি বলেন, “মাগুরার মাটি এবি পার্টির ঘাঁটি—এই স্লোগান বাস্তবে রূপ দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।” অনুষ্ঠানে অংশ নেন ছাত্রপক্ষ, যুব পক্ষ, কৃষকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাস ইউনিট থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সমগ্র আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল, যেখানে দলীয় ঐক্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঠিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে এবি পার্টির প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান। এই আয়োজনটি প্রমাণ করে, এবি পার্টি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনের ধারক—যা গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে চায়।
বি.এম. সাদ্দাম হোসেন; স্টাফ রিপোর্টারঃ
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়ে মাগুরা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হলো আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), মাগুরা জেলা শাখা আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। শক্রবার (২২ আগস্ট) বিকাল ৩টায় শুরু হওয়া এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয়, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যা মাগুরা জেলার রাজনীতিতে এবি পার্টির শক্তিশালী উপস্থিতি ও সংগঠনের গতিশীলতা তুলে ধরে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার খান গোলাম আজম, ভাইস চেয়ারম্যান, এবি পার্টি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এবি পার্টি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে এমন এক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়তে চায়, যেখানে থাকবে না কোনো জাতি বৈষম্য, মতভেদ থাকলেও থাকবে না বিদ্বেষ। তিনি আগামী জাতীয় নির্বাচনের রূপরেখা ও দলের দর্শন অত্যন্ত পরিপক্ব ও সুসংহতভাবে তুলে ধরেন, যা উপস্থিত নেতাকর্মীদের মাঝে গভীর আগ্রহ ও উৎসাহ তৈরি করে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ) ও যশোর জেলা আহ্বায়ক, এবং ব্যারিস্টার মাহমুদ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক, যশোর জেলা ও কেন্দ্রীয় সদস্য। তারা এবি পার্টির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কাঠামো মজবুত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পুরো অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন মোঃ ইমরান নাজির, আহ্বায়ক, এবি পার্টি, মাগুরা জেলা। তিনি বলেন, “মাগুরার মাটি এবি পার্টির ঘাঁটি—এই স্লোগান বাস্তবে রূপ দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।”
অনুষ্ঠানে অংশ নেন ছাত্রপক্ষ, যুব পক্ষ, কৃষকপক্ষ, শ্রমিকপক্ষসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং বিভিন্ন ক্যাম্পাস ইউনিট থেকেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সমগ্র আয়োজনটি ছিল প্রাণবন্ত ও উজ্জ্বল, যেখানে দলীয় ঐক্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার সঠিক দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়। তিনি উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানান এবং সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে একটি নতুন বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে এবি পার্টির প্রতি আস্থা রাখার আহ্বান জানান।
এই আয়োজনটি প্রমাণ করে, এবি পার্টি কেবল একটি রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি সামাজিক আন্দোলনের ধারক—যা গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠতে চায়।